গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত অনলাইন নিবন্ধন নাম্বার ৬৮

লামায় বাগান ও শিল্পোদ্যক্তাদের সাত কাহন ধারাবাহিক প্রতিবেদন-৩

সরেজমিনবার্তা | নিউজ টি ১৩ দিন ১৫ ঘন্টা ৫০ সেকেন্ড আগে আপলোড হয়েছে। 345
...

পুনর্বাসিত পরিবারের লোকেরা সরকার কর্তৃক প্রদত্ত বন্দোবস্তিকৃত নিজেদের জমিতে দখল নিতে পারছে না। অন্যদিকে হেডম্যান রিপোর্টে ওইসব জমি/পাহাড় খাস দেখিয়ে দখলের সুযোগ করে নিয়েছে অন্যরা। বিংশ শতাব্দির ৬০ থেকে ৮০'র দশকে এই অঞ্চলে সরকার পুর্নবাসিত পরিবারগুলোকে ৫ একর করে ভূমি বরাদ্দ দেন। আর্থিক দৈন্যদশা, অশান্ত পার্বত্য পরিস্থিতি ও দুর্গম যোগাযোগের ফলে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সে সব ভুমিতে কোন ধরণের বনায়ন বা উন্নয়ন করা যায়নি। পার্বত্য জেলার অন্যান্য এলাকার ন্যয় সরকার তৎকালীন লামা মহকুমায় পূর্নবাসিত পরিবারদের ৫ একর করে ভুমি বন্দোবস্তি দেয়ার সময় অনেকেই এই সুগোগটি নিয়েছিল। এর আগে ও পরে ভুমিহীন হিসেবে আরো অনেক পরিবারকে ভুমি বন্দোবস্তি প্রদান করেন। স্থানীয় উপজাতি ও অউপজাতি জনগোষ্টিও ওই কর্মসূচীর আওতায় আর/হোল্ডিং ৫ একর করে ভুমি বন্দোবস্ত পায়। জানাগেছে, বন্দোবস্তকৃত এসব ভুমির উন্নয়নের জন্য সরকার ১৯৮২-৮৩ অর্থ বছরে পুর্নবাসিত পরিবারদেরকে হর্টিকালচার (বাগান সৃজন) প্রকল্পের আওতায় ৮ হাজার টাকা করে ঋন প্রদান করেছিল। ওই সময় পার্বত্য পরিস্থিতি অশান্ত থাকায় নিরাপত্তার অভাবে ও ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহ করতে ব্যাংক ঋণের ওই টাকা খরচ করে ফেলে পুর্নবাসিতরা। যার ফলে দরিদ্র পুর্নবাসিত লোকজন পাহাড় সমুহে বাগান উন্নয়ন করতে পারেনি। এ বাস্তবতায় ১৯৮৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জেনারেল এইচ এম এরশাদ আলীকদম এসে এক জনসভায় স্থানীয় বাঙ্গালী নেতা তৎকালীন লামা উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আলীমিয়ার অনুরোধে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত হর্টিকালচার ঋণের প্রায় ১৩ কোটি টাকা মওকুপ করে দেন। ভুমি মালিকরা আর্থিক দৈন্যদশা থাকায় ও দুর্গম যোগাযোগের ফলে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত বেশিরভাগ ভুমিতে কোন ধরণের বনায়ন বা উন্নয়ন করতে পারেনি। ১৯৯৭ সালে ২রা ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন হওয়ার পর পার্বত্য পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে পার্বত্য ভুমি মালিকানা নিয়ে শুরু হয় নতুন মেরুকরণ। ৭০- ৮০’র দশকে পূর্নবাসিত পরিবারদেরকে আর হোল্ডিং এর আওতায় দেয়া খালী পড়ে থাকা ৫ একর ভুমি নিজেদের দখলে রয়েছে মর্মে, মনগড়া হেডম্যান রিপোর্ট করিয়ে বন্দোবস্তি পাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর গন আবেদন জমা পড়ে। স্থানীয় অনেকেই এই আবেদন করেন। এর মধ্যে ৯০ ভাগ আবেদনই করা হয়েছে পুর্নবাসিত পরিবারদের জমি দখল করা ও তাদেরকে আবারো ভুমিহীন করে পার্বত্য এলাকা থেকে চলে যাওয়ার গভীর ষড়যন্ত্রের উদ্দেশ্যে। এর ফলে ১৯৯৮ সাল থেকে শুরু হয় ভুমি নিয়ে চরম বিরোধ। এর আগে ১৯৮৮ সাল থেকে এ প্রবনতা দেখা দেয়। স্থানীয় পুর্নবাসিত পরিবারের লোকেরা জানায়, এই পরিস্থিতিতে ১৯৭০-১৯৮৬-৮৭ সাল পর্যন্ত বন্দোবস্তি প্রাপ্ত যে সব ভুমিতে নানান কারণে সরেজমিন অবস্থান নেয়নি, সেসব ভুমি দখলে আছে মর্মে মিথ্যা হেডম্যান রিপোর্ট নিয়ে বন্দোবস্তির আবেদন করেই শুধু উপজাতিরা দাবী ও দখলে নিচ্ছে। স্থানীয়রা জানায়, ২/৩ শো টাকার বিনিময়ে হেডম্যান রিপোর্ট নেয়া এক সময় সহজ কাজ ছিল।

...
Muhammad Masudul Haque
01918161881

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোহাম্মদ বেলাল হোছাইন ভূঁইয়া
01731 80 80 79
01798 62 56 66

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
আল মামুন

প্রধান কার্যালয় : লেভেল# ৮বি, ফরচুন শপিং মল, মৌচাক, মালিবাগ, ঢাকা - ১২১৯ | ই-মেইল: news.sorejomin@gmail.com

...

©copyright 2013 All Rights Reserved By সরেজমিনবার্তা

Family LAB Hospital
সর্বশেষ সংবাদ