+

হাইকোর্টের রায় পাওয়ার পরও নিজ ভূমিতে ফিরতে পারছেন না ভুক্তভোগী।

সরেজমিনবার্তা | নিউজ টি ১০ দিন ১৪ ঘন্টা ৩৮ সেকেন্ড আগে আপলোড হয়েছে। 660
...

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ

আদালতের রায় কে অমান্য করে রাতের আদারে ঘর নির্মাণ করলেন প্রভাবশালী মহল। 
নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালত রায় দিলেন বিবাদীর পক্ষে। আদালতের রায়কে অমান্য করছেন একশ্রেণীর ভূমিদস্যু ও প্রভাবশালী মহল। প্রথমে হোসেনপুর অস্থায়ী আদালত পরবর্তীতে কিশোরগঞ্জ জেলা আদালত তারপর ঢাকা হাইকোর্ট। প্রতিটি রায় বিবাদীর পক্ষে হলেও এখনো পর্যন্ত বিবাদী তার ডিগ্রিকৃত জমিতে ভোগ দখল করতে পারছেন না। 
 কিশোরগঞ্জ জেলা হোসেনপুর উপজেলা দক্ষিণ গোবিন্দপুর গ্রামের  ঘটনা।

মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়,
 সাবেক দাগ ৭০৩১ দাগে ভূমির পরিমাণ ১৫ শতাংশ ১৯৭৮ সনে ৭১৫৪ নং সাফ কাবলা দলিল মূলে কলমজান ও সোনাবান উভয় পিতা লাবু সেখ নামে S A রেকর্ডের মালিক লিপিবদ্ধ  হয়,, পরবর্তীতে  হাসেন আলীর নিকট হস্তান্তর করেন কলমজান ও সোনাবান গং। ১৯৮৪ সনে   হাসেন আলী উক্ত ভুমি আবুবকর  সিদ্দিক গং এর কাছে হস্তান্তর করেন এবং আবুবক্কর সিদ্দিক গং ভোগদখলদার থাকা অবস্তায় RS রেকর্ড মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক, পিতা আবু সেখ নামে লিপিবদ্ধ হয় যার হাল দাগ১৫৬০২/৩, একক নামে লিপিবদ্ধ  হয় পরবর্তীতে ১৯৮৬ সনে আবু বক্কর সিদ্দিক  মরহুম  আবুল হাসনাত রেজাউল করিম এর কাছে হস্তান্তর করেন। তারপর থেকেই শুরু হয় মামলা।এতবছর অন্যরা এই জমি ভোগ দখল করলেও তাদের বিরুদ্ধে অথবা এই জমির উপরে তাদের কোনো দাবিদাওয়া ছিলনা মরহুম আবুল হাসনাত এই জমি কেনার পর থেকেই তাদের উপরে অত্যাচার নির্যাতন শুরু হয় যার ফলে মরহুম আবুল হাসনাতের পরিবার আজ নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। বাদী মোঃ মতিউর রহমান ১৯৬৫ এবং ১৯৬৮ সনের একটি হেবা এওয়াজ দলীল মুলে অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য দাবিতে ১৯৮৮ সনে হোসেনপুর অস্থায়ী আদালতে মামলা দায়ের করেন।। ৬ বছর মামলা চলার পর ১৯৯৪ সনে এই মামলার রায় হয় বিবাদীর পক্ষে। বাদি গণ রায়ে অসন্তুষ্ট হয়ে আপিল করেন কিশোরগঞ্জ আদালতে পরবর্তীতে ২০০২ সালে বিচারক আবারো রায় দেন বিবাদীর পক্ষে এই রায়কেও তারা গ্রহণ না করে আবারও ঢাকা হাইকোর্টে আপিল করেন হাইকোর্টের বিচারক আবারো ২০১৩ সনে মামলাটির রায় দেন বিবাদীর পক্ষে। হাইকোর্টের রায় কেও বাদীপক্ষ গ্রহণ করেননি তারপর আর আপিল করার সুযোগ না থাকায় প্রতিটি আপিলে কোন ডিগ্রি না পেয়ে  ১৪৪ ও ১৪৫ ধারা জারি করেন। এখনো তারা হয়রানি করার উদ্দেশ্যে নিয়ে তারা বাটোয়ারা মামলা করেন। 

মামলার বর্তমান বিবাদী মোঃ সোহেল মিয়া জানান, উচ্চ আদালতের রায় থাকার পরেও নিম্ন আদালত এই মামলাটি গ্রহণ করা নিয়ে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন বাদী পক্ষ সম্পূর্ণ হয়রানিমূলকভাবে আমি এবং আমার পরিবারকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। আমি এবং আমার পরিবার আজ নিঃস্ব হয়ে গেছি। আদালতের পাশাপাশি আমি চেষ্টা করেছি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দকে নিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য কিন্তু তারা কোনভাবেই আদালত ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ কে পাত্তাই দিচ্ছেন না। তারা কাউকেই মানছেন না। আমি ঢাকার নারায়ণগঞ্জ একটি কারখানায় কাজ করি ইদানিং তারা জোরপূর্বক আমার ডিগ্রী কৃত ও ক্রয়কৃত জমিতে আমার পুরনো ঘর ভেঙ্গে ফেলে ও তারা জবরদখল করে নতুন ঘর নির্মাণ করেন। দিনের বেলা এলাকাবাসী বাধা দেওয়ায় রাতের অন্ধকারে ঘর নির্মাণ করেন। আমি পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হলে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা তাদেরকে নিষেধ দেওয়া সত্ত্বেও তারা ঘর নির্মাণ করেন 

এই বিষয়ে বাদী পক্ষের কোনো মতামত পাওয়া যায়নি। 

...
Md. Razu Ahamed

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোহাম্মদ বেলাল হোছাইন ভূঁইয়া
01731 80 80 79
01798 62 56 66

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
আল মামুন

প্রধান কার্যালয় : লেভেল# ৮বি, ফরচুন শপিং মল, মৌচাক, মালিবাগ, ঢাকা - ১২১৯ | ই-মেইল: news.sorejomin@gmail.com

...

©copyright 2013 All Rights Reserved By সরেজমিনবার্তা

Family LAB Hospital
সর্বশেষ সংবাদ