+

এলিনা এন্টারপ্রাইজ স্বত্বাধিকারীকে প্রাণনাশের হুমকি।। টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

সরেজমিনবার্তা | নিউজ টি ২১ দিন ১৭ ঘন্টা ৩০ সেকেন্ড আগে আপলোড হয়েছে। 830
...

নিজস্ব প্রতিবেদক লিনা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারীকে প্রাণ নাসের হুমকি ॥ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
এম. রহমান রুবেল ॥ সিভিল ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান লিনা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী হাজী মোঃ লোকমানকে প্রাণ নাসের হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে ডমিন্যান্ট হোমস লিমিটেড এবং ডমিন্যান্ট কন্সট্রাকশন এন্ড হাউজিং কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এফ এম মঞ্জুর মোর্শেদ সহ আরো পাঁচ জনের বিরুদ্ধে। হাজী লোকমান ডমিন্যান্ট কোম্পানীর কাছে পাওনা প্রায় আড়াই কোটি এবং বিভিন্ন ক্ষতিপূরণের সর্বমোট ৫ কোটি টাকা দাবী করেন। ওই পাওনা টাকা না দেয়ার জন্য ডমিন্যান্ট কোম্পানী এখন বিভিন্ন প্রতারণা করে যাচ্ছেন। এছাড়াও হাজী লোকমানকে প্রাণ নাসের হুমকিসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে আসছেন। 
এদিকে গত বছরের ৮ জুলাই এফ এম মঞ্জুর মোর্শেদের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ এনে সেগুনবাগিচাস্থ বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। এরপর থেকে আরো ক্ষিপ্র হয়ে ওঠেন মঞ্জুর মোর্শেদ। তিনি লোকমানকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে লোকমান নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। সৃষ্ট ঘটনার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ভোলার অভিভাবক তোফায়েল আহমেদ, ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল-ইসলাম জ্যাকব, ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল ও ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন এবং প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে নিরাপত্তার ও পাওনা টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য দাবী জানিয়েছেন।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, হাজী লোকমান হোসেন এফ এম মঞ্জুর মোর্শেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ডমিন্যান্ট কোম্পানীর ২টি প্রজেক্টে কাজের অর্ডার নেন গত ১০/০৮/২০১৬ ইং ও রিভাইস ওয়ার্ক অর্ডার ০৮/১১/২০১৮ ইং ডমিন্যান্ট হোমস লিমিটেড কোম্পনীর নামীয় ৩৫ কাঠার প্রজেক্ট ১০-ই, সেভেন স্টার টাওয়ার, ২০ হাজার স্কয়ার ফুটের আর ১টি প্রজেক্টে, ব্লক সি-৪, বাসা-৪, ডমিন্যান্ট কনষ্ট্রাকশন এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর ৩৯০০ স্কয়ার ফুটের ২ প্রকল্পের যাবতীয় সাটার ম্যাটেরিয়ালস্ সহ বিভিন্ন মেশিনারিজ সরঞ্জামসহ চুক্তিপত্রের মাধ্যমে সিভিল কাজ নেন। যখন কোম্পানীর কাজ পুরোদমে চলছিল ঠিক তখনই ১৭/০১/২০১৯ইং উজ্জ্বল কুমার প্রকল্পের কাজ বন্ধ করার জন্য বলেন। কি কারণে কাজ বন্ধ রাখবো তা লোকমান হোসেন জানতে চাইলে তখন উজ্জ্বল কুমার বলে আপনার কাজের রেট বেশী। তখন লোকমান হোসেন সর্বমোট ২ কোটি ৪২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা পাওনা সহ ক্ষতিপুরন দাবী করেন। ডমিন্যান্ট কোম্পানী টাকা দিবে বলে বিভিন্ন তালবাহান করে ঘুরাইতে থাকে। এর পরিপ্রেক্ষিতে লোকমান হোসেন বিবাদীদের বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় জিডি করেন। যার নং-১৪৫৮, তারিখ-৩০/০১/২০১৯ইং। কিন্তু চুক্তিপত্রে উল্লেখ আছে কাজের বিল সাবমিট করার ১ মাসের পরেই বিলের টাকা প্রদান করবে। অথচ তাদের নিকট বারংবার কাজের বিল সাবমিট করার পরও তাহারা বিভিন্নভাবে কাল ক্ষেপন করতে থাকে। লোকমান হোসেন তখন কাজ করা বাবদ ও সাটার মালামালের পাওনা টাকা পরিশোধ করে তাকে বিদায় দেওয়ার জন্য বললে ডমিন্যান্ট কোম্পানীর লোকজন উত্তেজিত হয়ে তাকে অশ্লীল ভাষায় গলামন্দসহ বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি ও হুমকি প্রদান করে। 
মামলায় আরো উল্লেখ করেন যে, লোকমান হোসেন যদি কাজ ছেড়ে না যায় তা হলে জোরপূর্বক ভাবে অন্য লোক দিয়ে তাদের প্রতিষ্ঠানের কাজ করাবেন। এছাড়াও এফ এম মঞ্জুর মোর্শেদসহ অন্যান্য আসামীরা (লোকমান হোসেন) কে র‌্যাব কিংবা কোন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে টাকা না দিয়ে অপহরণের ঘটনা এবং প্রকাশে বড় ধরনের ঘটনা ঘটানোর হুমকি প্রদান করেন। 
এদিকে টাকা পাওয়া দাবী করে কোম্পানীর এমডি এফ এম মঞ্জুর মোর্শেদসহ কাইয়ুম ভুইয়া, মিজানুর রহমান, লুৎফর রহমান, আরিফুল আলম, উজ্জ্বল কুমার মহালদার, বায়েজিদ মোর্শেদ শাহীনসহ আরো বেশ কয়েকজনের নামে বনানী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং-৮৬৫, তারিখ-২০১৯ ইং। মামলার প্রেক্ষিতে উপরোক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করা হয়।
অপরদিকে ডমিন্যান্ট কোম্পানী লোকমান হোসেনের টাকা তো দেয়-ই নায়, উল্টো তাকে কাজ থেকে সরিয়ে দিয়ে তার সাটারের মালামা দিয়ে অন্য একটি কোম্পানীর মাধ্যমে কাজ করাচ্ছে। বিগত ২ বছর যাবত লোকমান হোসেন এর কাজের মালামাল আটকিয়ে রেখেছেন ডমিন্যান্ট কোম্পানী। এই দুই বছর যদি ডমিন্যান্ট কোম্পানী তার মালামাল আটকিয়ে না রাখতো, তা হলে তিনি তার এই মালামাল অন্য স্থানে ব্যবহার করে অন্তত আরো ২ কোটি টাকা লাভবান হতেন। তা না হয়ে লোকমান হোসেন এখন বড় ধরনে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। এছাড়া ডমিন্যান্ট কোম্পানীর এমডি সহ আসামীরা লোকমান হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমুলক ৭টি মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন। এতে করেও তার প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন। তিনি যদি এই পাওনা টাকাগুলো পেতেন তা হলে তার স্টাফ ও শ্রমিকদের বিল-বেতন সঠিকভাবে দিতে পারতেন। 
এদিকে গত বছরের ৮ জুলাই এফ এম মঞ্জুর মোর্শেদের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ এনে সেগুনবাগিচাস্থ বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। এরপর থেকে আরো ক্ষিপ্র হয়ে ওঠেন মঞ্জুর মোর্শেদ। তিনি লোকমানকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে লোকমান নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। সৃষ্ট ঘটনার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাছে সুষ্ঠ বিচার এবং প্রাপ্ত টাকা পেতে পারেন তার দাবী জানিয়েছেন। 
অন্যদিকে লোকমান হোসেনর এর বাড়ী ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা গ্রামের বাড়ী হওয়ায় ভোলার অভিভাবক তোফায়েল আহমেদ, ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল-ইসলাম জ্যাকব, ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল ও ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন এবং প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে নিরাপত্তার ও পাওনা টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য দাবী জানিয়েছেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত এফ এম মঞ্জুর মোর্শেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি লোকমান হোসেনের সাথে যে অর্থনৈতিক লেন-দেন রয়েছে তার কথা স্বীকার করেন। কেন তার পাওনা টাকা দিচ্ছেন না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেন নি। তিনি বলে লোকমান টাকা পাবে, টাকা দিমু। কিন্তু কখন দিবেন এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি জাবাব না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান।

...
MD. Alauddin(SJB:E306)
Mobile : 01728968114

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোহাম্মদ বেলাল হোছাইন ভূঁইয়া
01731 80 80 79
01798 62 56 66

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
আল মামুন

প্রধান কার্যালয় : লেভেল# ৮বি, ফরচুন শপিং মল, মৌচাক, মালিবাগ, ঢাকা - ১২১৯ | ই-মেইল: news.sorejomin@gmail.com , hr@sorejominbarta.com

...

©copyright 2013 All Rights Reserved By সরেজমিনবার্তা

Family LAB Hospital
সর্বশেষ সংবাদ