+

বেপরোয়া এমএসআর দুর্নীতি! ইজিপি করার নির্দেশ মানছেন না উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

সরেজমিনবার্তা | নিউজ টি ১০ দিন ৩ ঘন্টা ৫৬ সেকেন্ড আগে আপলোড হয়েছে। 1940
...

বেপরোয়া এম এস আর দুর্নীতি 
ই—জিপি করার নির্দেশনা মানছেনা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা


মোঃ দেলোয়ার হোসেন ঃ
এম এস আর মেডিক্যাল সার্জিক্যাল রিকোচেট যাহা প্রতিবছর সারা দেশের জেলা সদর উপজেলা হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন অফিসের মাধ্যমে হয়ে থাকে। শত শত কোটি টাকার বাজেট দিয়ে থাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অধিকারের যত বড় রকমের দুর্নীতির কারণে গত বছর থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা কার্যালয় থেকে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় ।আসলে সর্বাঙ্গে ক্ষত ঔষধ দিবে কত যেই লাউ সেই কদু ,উপজেলায় একই রকম দুর্নীতির ধরন সেখানে দুর্নীতির নতুন সিন্ডিকেট উপজেলা কর্মকর্তারা। দুর্নীতিবাজ ঠিকাদার সংশ্লিষ্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট এর সমন্বয় প্রকৃত দায়িত্বে যারা থাকার কথা তাদেরকে দিয়ে কাজ না করে মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট সিনিয়র স্টাফ নার্স পরিসংখ্যানবিদ টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। বর্তমানে এম এস আর দুর্নীতির ধরন পাঁচটি স্তরে হয়ে থাকে প্রথমে পত্রিকা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি তৈরি করে ঠিকাদারের সাথে যোগসাজশ করে ঠিকাদারের হাতে দেয় ।দুর্নীতিবাজ ঠিকাদার তিনটি আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকায় টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি তার কাছে রেখে দেয় এমন পত্রিকায় ছাপায় সারাবছর ছাপা হয় না আর এ জন্য নির্দিষ্ট থাকে বৎসরে একবার দুইবার এক পিস ছাপা হয় যাহাকে টেন্ডার সিন্ডিকেট দুর্নীতির ভাষায় এরকম হয়ে থাকে প্রায় ৫৫ শতাংশ উপজেলায় আর বাকি ৪৫ শতাংশ উপজেলায় দুর্নীতি হয় যেখানে একজন ঠিকাদার শুধু তার নামে সিডিউল করে অফিসে জমা করে একটি ফাইল বানিয়ে ঠিকাদার নিজেই নিয়ে আসে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য। আর অধিদপ্তরের দুর্নীতিবাজ অ্যাসিস্ট্যান্ট বড় অঙ্কের টাকার বিনিময়ে প্রশাসনিক অনুমোদন করিয়ে দেয় ।আবার কোথাও স্টাম্পিং টেন্ডার ছাড়া ওপেন করলে সেখানে দরপত্র জমা দেয়ার পর নির্দিষ্ট ঠিকাদার ব্যতীত অন্য ঠিকাদারের জমাকৃত কাগজ হতে টিন/এনআইডি অথবা যে কোন কাগজ ছিড়ে ফেলে রেস্পন্সিভ করে দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট। অথবা দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সুনির্দিষ্ট দরপত্র জমা দিতে দেয়া হয় আবার কোথাও অহেতুক অবাস্তব শর্তাবলী দিয়ে পিপিআর বহির্ভূতভাবে দরপত্র প্রকাশ করে অবাধ ও স্বচ্ছ প্রতিযোগিতাকে বাধাগ্রস্ত করে। এই পর্যন্ত প্রায় ২৫০ টি প্রতিষ্ঠান এম এস আর টেন্ডার স্টাম্পিং করা হয়েছে। যার সর্বশেষ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান হল কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কামরাঙ্গীরচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ,ইত্যাদি মুষ্টিমেয় আটজন দুর্নীতিবাজ ঠিকাদারের নেতৃত্বে সারা দেশের জেলা সদর উপজেলা হাসপাতালে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সারেন্ডার দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এম এস আর টেন্ডারে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও শত শত অভিযোগ রয়েছে ।ইতিপূর্বে প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করা হইয়াছে কিন্তু শুধু প্রতিষ্ঠান কালো তালিকাভুক্ত করলে চলবেনা প্রতিষ্ঠানের মালিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ তারা ভিন্ন নামে আবার নতুন লাইসেন্স করে এই নিয়ে বহুবার বাংলাদেশ জাতীয় দৈনিক ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রচার ও দুর্নীতির খবর প্রচারিত হওয়ার পরেও কোনো সুরাহা হয় নি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সাত-আট মাস আগে এইসব দুর্নীতি বন্ধ করার জন্য ইজিপি টেন্ডার করার জন্য নির্দেশনা দেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষের কোন নির্দেশনা মানছে  টি এইচ ও তত্ত্বাবধায়ক মাত্র ১০ থেকে ১২ টি প্রতিষ্ঠান অধ্যবধি ইজিপি টেন্ডার করেছে। এই দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেটদের রুখতে হবে তবে তৃণমূলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানো সম্ভব। সরকারের সদিচ্ছা থাকার পরও জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না শুধু দূর্নীতিবাজদের লুটপাটের কারণে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অতিব গুরুত্বের সাথে তদারকি না করলে ভেস্তে যাবে জনগণের মৌলিক চিকিৎসা সেবা।

...
Md. Delolwaor Hossain(SJB:E064)
Mobile : 01818974688

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোহাম্মদ বেলাল হোছাইন ভূঁইয়া
01731 80 80 79
01798 62 56 66

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক
আল মামুন
01868974512

প্রধান কার্যালয় : লেভেল# ৮বি, ফরচুন শপিং মল, মৌচাক, মালিবাগ, ঢাকা - ১২১৯ | ই-মেইল: news.sorejomin@gmail.com , thana.sorejomin@gmail.com

...

©copyright 2013 All Rights Reserved By সরেজমিনবার্তা

Family LAB Hospital
সর্বশেষ সংবাদ