নিজাম উদ্দিন
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ ফয়জুল আজিম (নোমান) এর বদলির খবরে আশাহত এলাকার জনসাধারণ। সম্প্রতি লক্ষ্মীপুর জেলাসহ সারা দেশে পুলিশ সুপার পর্যায়ে কর্মকর্তাদের বদলী করা হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় থানাসহ অন্যান্য প্রশাসনিক পর্যায়েও বদলি হচ্ছে বলে জানা যায়। বিভিন্ন সূএে জানা যায় চন্দ্রগঞ্জ থানাসহ লক্ষ্মীপুর জেলার ৬ টি থানার কর্তাদেরও বদলী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
গত ৫ ই আগস্ট জুলাই আন্দোলন পরবর্তী বিভিন্ন থানায় রাজনৈতিক অস্হিরতা নিয়ে কাজ শুরু করে বিভিন্ন থানার ওসিরা । এই রকম অস্থির সময়ে চন্দ্রগঞ্জে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে যোগদান করার পর থেকেই চন্দ্রগঞ্জ থানা এলাকায় সর্বসাধারণের সাথে আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণে মুগ্ধ ছিলো সবাই। শীর্ষ সন্ত্রাসী হত্যা মামলার আসামি সহ অনেক কে ধরে কোটে চালান করেন তিনি। যে কারনে বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত লোকজন অনেকটাই আত্নগোপনে চলে যায়, স্বস্তি ফিরে আসে জনমনে, ব্যবসায়ী ও সমাজে।
চন্দ্রগঞ্জে যোগদানের পর থেকে ও অফিসার ইনচার্জ মুহাম্ম ফয়জুল আজিম (নোমান) অযাচিত ভাবে কাউকে হয়রানি করেছে এমন কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি । পাশাপাশি যে কোন প্রয়োজনে ওসির সাথে কথা বলে আইনি সেবা নেওয়ার সুযোগ ছিলো সর্বসাধারণের। স্হানীয় পর্যায়ে ইভটিজিং বন্ধ, কিশোর গ্যাং কালচার বন্ধ করা, মাদক কারবারিদে আটক, পরোয়ানাভুক্ত বিভিন্ন মামলার আসামিদের আটকের বিষয়ে তৎপর ছিলেন ওসির নেতৃত্বে চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ।
অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ ফয়জুল আজিম( নোমান) বলেন, আমরা সরকারি চাকরি করি। জনগণের জানমাল ও নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা কাজ করি, আমাদের চেষ্টা থাকে সর্বাত্মকভাবে জনগনকে সহযোগিতা করার। প্রশাসনিক ও আইনি সীমাবদ্ধতার কারনে হয়তো সবার অনুরোধ রাখা সম্ভব হয়না সব সময়। আমার দায়িত্বকালীন সময়ে সবার সাথে মিলেমিশে কাজ করার করেছি, স্হানীয় জনসাধারণও সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। যতদিন পুলিশ বাহিনীতে আছি জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করে যাবো।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আনুষ্ঠানিক অফিস আদেশ এখনো হাতে পাইনি, অফিস আদেশ হাতে পেলে জানতে পারবো নতুন কর্মস্থলের ঠিকানা। খোঁজ নিয়ে যায়, সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান মুহাম্মদ ফয়জুল আজিম নোমান, ওনার দাদা এমএলএ ছিলেন। নোয়াখালীর হাতিয়ায় গ্রামের বাড়িতেও সর্বসাধারণের সাথে আন্তরিক সৌহার্দ্য পূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে জনসাধারণকে সহযোগিতা করেন নিয়মিত ভাবে।