প্রকাশিত : ২৪ অক্টোবর, ২০২৫, ০৯:২৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাংবাদিক আল-আমিন খান ও আসমা আক্তার তামান্নার উপর হামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জাতীয় দৈনিক সরেজমিন বার্তা পত্রিকার চট্টগ্রাম রিপোর্টার আল আমিন খান ও শিক্ষানবিশ রিপোর্টার আসমা আক্তার তামান্নার উপর ভূয়া ম্যাজিস্ট্রেট ও সন্ত্রাসী  চক্রের হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, চট্টগ্রাম মহানগর শাখা।

২৪ অক্টোবর (শুক্রবার) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এই মানববন্ধনে অংশ নেন বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মী, মানবাধিকার কর্মী ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি কে. এম. রুবেল।
তিনি বলেন —

“কখনও মানবাধিকার কর্মী, কখনও আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় থেকে অরাজকতা সৃষ্টি, কখনও ভূয়া মেজিস্ট্রেট কিংবা ভূয়া ডিবি পরিচয়ে চাঁদাবাজি করছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এই চক্র গণমাধ্যমকর্মীদের নাম বিক্রি করে অসাধু উপায়ে অর্থ উপার্জন করছে। সাংবাদিক আল-আমিন খান ও আসমা আক্তার তামান্না যখন সংবাদ সংগ্রহে যান, তখনই এই চক্র তাদের উপর নৃশংস হামলা চালায়। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং প্রশাসনের কাছে দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।”

ভুক্তভোগী সাংবাদিক আল-আমিন খান অভিযোগ করেন —

“ভূয়া মেজিস্ট্রেট মিজান সমকান্তি, ভূয়া মানবাধিকার কর্মী রেখা এবং ভূয়া ডিবি সদস্য পরিচয়দানকারী কয়েকজন পরিকল্পিতভাবে আমাদের উপর হামলা চালায়। তারা মব সৃষ্টি করে ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, প্রেস কার্ড ছিনিয়ে নেয় এবং প্রকাশ্যে আমাদের ‘ভূয়া সাংবাদিক’ বলে অপমান করে।”

অন্যদিকে, আরেকজন ভুক্তভোগী আসমা আক্তার তামান্না জানান 

“ভূয়া মেজিস্ট্রেট মিজান সমকান্তি ও ভূয়া ডিবি বিল্লাল রহমান মাঝি তার প্রতি শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। সাংবাদিক আল-আমিন বাধা দিলে তাকে বেদম মারধর করা হয়। স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে বাসায় পাঠিয়ে দেন, আর গুরুতর আহত আল-আমিনকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি করা হয়।”

এই ঘটনায় চট্টগ্রামের সিনিয়র সাংবাদিক ও প্রেস ক্লাবের শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য মাঈন উদ্দীন শওকত বলেন —

“সাংবাদিকদের উপর হামলা নিন্দনীয়। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির জন্য প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখব।”

জাতীয় দৈনিক সরেজমিন বার্তা পত্রিকার পক্ষ থেকে সাংবাদিক এবাদুল হোসেন (জাহিদ) বলেন —

“এটি নিছক হামলা নয়, এটি সাংবাদিকতার উপর নগ্ন আঘাত। পেশাদার গণমাধ্যমকর্মীদের এমন হেনস্তা রোধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের বিকল্প নেই। প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি— এই নিন্দনীয় ঘটনায় জড়িত সকলকে দ্রুত আইনের আওতায় আনুন।”

 মানববন্ধনে উপস্থিত সাংবাদিক সমাজ একবাক্যে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন—
সত্য ও নির্ভীক সাংবাদিকতা রুখে দেওয়া যাবে না, বরং আরও শক্ত হাতে কলম ধরবে সাংবাদিক সমাজ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়