প্রকাশিত : ০২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৬:০২ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ই-অরেঞ্জের মালিকানা জটিলতা নিরসনে সোনিয়ার মামলা

মোঃ রিপন হাওলাদার:

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় ডিজিটাল কমার্স সেলের উদ্যোগে আলোচিত ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ই-অরেঞ্জের গ্রাহকদের আটকে থাকা বিপুল পরিমাণ অর্থ ফেরত প্রক্রিয়া নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি প্রকাশ পেয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এ অর্থ SSL COMMERCE পেমেন্ট গেটওয়েতে আটকে রয়েছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির মালিকানা-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে গেটওয়েতে আটকে থাকা অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

চার বছর দুই মাস কারাগারে থাকার পর সেপ্টেম্বর মাসে জামিনে মুক্ত হয়ে ই-অরেঞ্জের সাবেক মালিক সোনিয়া মেহজাবিন ও তার পরিবার মাসুকুর রহমানের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ডিজিটাল কমার্স সেলের একটি আনুষ্ঠানিক কারিগরি সভা অনুষ্ঠিত হয় ১২ অক্টোবর, সেখানে মিটিং সভাপতিত্ব করেন মাননীয় বানিজ্য উপদেষ্টা মহোদয় ও উপস্থিত ছিল অন্যান্য সমস্যায় পতিত প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধি।

আটকে থাকা অর্থ গ্রাহকদের কাছে ফেরত দেওয়ার বিষয়ে তাদের পরিকল্পনা এবং বর্তমান অগ্রগতি সম্পর্কে অবগত হওয়া। ২. সাবেক মালিকের অবস্থান ও মূল বাধা : মিটিং থেকে জানা যায়, সোনিয়া মেহজাবিন সশরীরে উপস্থিত হয়ে নিশ্চিত করেন যে তিনি ই-অরেনজ নিয়ে কাজ করতে ইচছুক ও আগ্রহী। এবং কাজ করতে প্রধান বাধা হচ্ছে তিনি ই-অরেনজ এর মালিকানাতে নেই। তার কাছে ব্যাংক হিসাবের অনুমতি ও ই-অরেনজ এর সার্ভার, এগুলো কিছুই নেই।  

সাবেক মালিকদের অভিযোগ, SSL COMMERCE পেমেন্ট গেটওয়েতে আটকে থাকা অর্থ পাওনা পরিশোধের জন্য অত্যাবশ্যক হচ্ছে বতমান মালিক ও তার সহযোগী। কিন্তু বর্তমান মালিক বিথী আক্তার ও তার সহযোগী আমানুল্লাহর কাজ না করা, প্রতিষঠানের দায়িত্বশীল হয়েও ছলচাতুরী করে দায়িত্বে অবহেলা করা। এগুলো হচ্ছে মূল প্রতিবনধকতা যা গ্রাহকের আটকে থাকা অথের সমাধান বিলম্বিত করছে।

 বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কঠোর নির্দেশনা : বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মিটিং থেকে সাবেক মালিককে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে যেন তাঁরা দ্রুততম সময়ে মালিকানা জটিলতা নিরসন করে আদালত থেকে মালিকানা পুনরুদ্ধারের আদেশ সংগ্রহ করেন যদি তারা সত্যি ই-অরেনজ নিয়ে কাজ করতে চান। কারণ তারা এখন মালিক নন।

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মেনে ও সব গ্রাহক এর কল্যাণে সাবেক মালিক ইতোমধ্যে মালিকানা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ঢাকা জেলা জজ আদালতে মামলা দায়ের করেছেন যার মামলা নং: ১২৪৩/২০২৫।

প্রত্যাশিত ফলাফল: সাবেক মালিক সোনিয়া আশা প্রকাশ করেন, মালিকানা পুনরায় ফিরে পেলে তারা কোনো বিলম্ব না করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রাহকদের পাওনা অর্থ পরিশোধের উদ্যোগ নেবেন।

তারা আরো মনে করেন, এ সময়ে কোনোভাবে কারো কথায় প্ররোচিত হওয়া যাবে না। আমরা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও আদালতের নিদেশনার বাইরে কিছু করার কোনো উপায় বা কারন নেই। সবাইকে বলব আমাদের পাশে থাকুন, আমরাও আপনার পাশে আছি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়