মোঃ হাসান আলী, রিপোর্টার, টাঙ্গাইলঃ
টাঙ্গাইলের সখীপুরে বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলে ওয়াহেদ আলী ওরফে ওয়াহেদুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার দুপুরে টাঙ্গাইলের জেলা ও দায়রা জজ মো. হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডের সঙ্গে তাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার পর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
দণ্ডিত ওয়াহেদ আলী সখীপুর উপজেলার দাড়িপাকা পশ্চিম পাড়া গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে।
ঘটনার বিবরণ
সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. শফিকুল ইসলাম (রিপন) জানান, ২০২৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে নেশার টাকার জন্য ওয়াহেদ তাঁর মাকে মারধর করেন। পরে নিহত আব্দুস সামাদ (৬৫) স্ত্রীকে এক আত্মীয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। রাতে বাড়িতে একা পেয়ে ছেলে ওয়াহেদ লাঠি দিয়ে পিটিয়ে বাবাকে হত্যা করেন।
পরদিন নিহত আব্দুস সামাদের ভাই আব্দুস রশীদ মিয়া সখীপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পরই পুলিশ ওয়াহেদকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার অগ্রগতি
তদন্ত শেষে সখীপুর থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) সুকান্ত রায় ২০২৪ সালের ৩০ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি আদালত ওয়াহেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলাটিতে মোট ১২ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।
আইনজীবীদের বক্তব্য
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সরকারি কৌঁসুলি মো. শফিকুল ইসলাম।
বাদী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন মো. রাসেল রানা।
আসামি ওয়াহেদের পক্ষে রাষ্ট্র কর্তৃক নিয়োজিত আইনজীবী ছিলেন গোলাম মোস্তফা মিয়া।
রায়ের পরিণতি
আদালতের রায়ে ওয়াহেদের ফাঁসির দণ্ড ঘোষণা হওয়ায় এলাকাজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।