রবিউল ইসলাম সাজু, বগুড়া
বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি এবং আসন্ন এয়োদশ সংসদ নির্বাচন বগুড়া - ৪ (কাহালু - নন্দীগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতির অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার নাটোরের সিংড়ায় আমলী আদালতে মামলা হয়েছে। নাটোরের সিংড়া উপজেলার থাওইল গ্রামের খোরশেদ আলীর পুত্র মাসুদ আলী মামলাটি দায়ের করেন। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক সারোয়ার জাহান মামলাটি আমলে নিয়ে শুনানি শেষে তদন্তের জন্য নাটোর পিবিআইকে নির্দেশ দেন । বাদী তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল গ্রামের মৃত.হামির আলী সরকারের পুত্র মোশারফ হোসেন (৫১) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৯৩-৯৪ শেসনের বিএসএস এর ছাএ ছিলেন যার রেজিস্ট্রেশন নং- ২১২৪৯৩ এবং রোল নং ১৩৬৮৬৯ । তিনি বগুড়ার নন্দীগ্রাম মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজ থেকে ডিগ্রি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও অকৃতকার্য হন এবং পরবর্তীতে আর কোন পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেননি। কিন্তু আসামি চতুরতার আশ্রয় নিয়ে বাদীর রেজিষ্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে একই শেসনে ২য় বিভাগে উত্তীর্ণ দেখাইয়া জালসার্টিফিকেট সংগ্রহের মাধ্যমে বগুড়ার কাহালু উপজেলার আজিজুল হক মেমোরিয়াল কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
মামলা সুএে জানা যায়, উক্ত কলেজের সাবেক সভাপতি মোশারফ হোসেনের সার্টিফিকেট চ্যালেন্জ করলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যাচাই বাছাইকালে তার ডিগ্রি পাশের সার্টিফিকেট জাল বলে প্রমাণিত হয়।
এব্যাপারে বিএনপি নেতা মোশারফ হোসেনের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার কোন সাড়া মেলেনি। তবে সনদ জালিয়াতির ঘটনাটি সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট বলে তিনি বিভিন্ন গণমাধ্যমের কাছে দাবী করেছেন। উল্লেখ্য ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পট পরিবর্তনের পর তার ঢাকার ধানমন্ডির বাসা থেকে কণ্ঠশিল্পী মমতাজকে গ্রেফতার করা হলে সেসময়ও বিএনপি নেতা মোশারফ হোসেনকে নিয়ে দেশব্যাপী সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়।