প্রকাশিত : ২৭ নভেম্বর, ২০২৫, ০৯:৪২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নোয়াখালীতে প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

জুনায়েদ কামাল - ব্যুরো চীফ

সোনাপুর কলেজের প্রিয় মুখ, ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমান। চলে যাওয়ার পরও যাঁর স্মৃতি শিক্ষাঙ্গনে অম্লান। তাঁর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সকালে কলেজের হলরুমে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সোনাপুর কলেজ এর অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসাইনের সভাপতিত্বে ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক রশিদ আহমদের সঞ্চালনায় স্মরণসভা যেন পরিণত হয়েছিল এক নীরব শোকসাগরে। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের উপাধ্যক্ষ জাফর আহমদ ভূঁইয়া, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক ও সহকারী অধ্যাপক মাহমুদ হোসেন, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রধান হাবিবুর রহমান, যুক্তিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শাকিলা পারভীন এবং বাংলা সাহিত্য বিভাগের প্রভাষক হাকিমুল ইসলাম।

এছাড়া স্মরণসভায় যোগ দেন সোনাপুর কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিন বিশালসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

সভায় পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন মরহুমের সহধর্মিণী সাংবাদিক রাহিমা ফেরদৌস লিপি, তাঁর মেজো ভাই আলি হায়দার, মেজো বোন সকিনা ও ছোট বোন কানন। স্বজনদের চোখের কোণে জমে থাকা অশ্রু যেন বলে দিচ্ছিল প্রিয় মানুষটির অভাব কতটা গভীর।

বক্তারা বলেন, প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমান ছিলেন নীরব আলোর এক প্রদীপ, যিনি জ্ঞান ও নৈতিকতার চর্চাকে জীবনের ব্রত বানিয়েছিলেন। তাঁর সহজ-সরল আচরণ, হাঁসোজ্জল মুখ, শিক্ষার্থীদের প্রতি পিতৃতুল্য ভালোবাসা এবং সহকর্মীদের প্রতি অকৃত্রিম সহযোগিতা তাঁকে করে তুলেছিল সবার আপন মানুষ। শিক্ষাঙ্গন তাঁর শূন্যতা অনুভব করছে প্রতিদিন।

তাঁদের ভাষায়— “একজন মানুষ চলে গেলে অনেক স্মৃতি রেখে যায়; কিন্তু একজন শিক্ষক চলে গেলে রেখে যান প্রজন্মের ওপর নীরব ছাপ।”

অনুষ্ঠান শেষে প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমান এর আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়