প্রকাশিত : ০৭ নভেম্বর, ২০২৫, ০৭:১৪ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফরিদপুরে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলা ও মহানগর বিএনপির  উদ্যোগে ‌সমাবেশ ও শোভাযাত্রা ‌অনুষ্ঠিত

সুমন মুন্সী,জেলা প্রতিনিধি ফরিদপুরঃ

ফরিদপুরে মহান বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে
জেলা ও মহানগর বিএনপির  উদ্যোগ ‌ সমাবেশ ও শোভাযাত্রা ‌ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার  ৪-৪০ মিনিটে ‌ ফরিদপুর জেলা ও মহানগর বিএনপির যৌথ উদ্যোগে
 সংগঠনের জেলা শাখার সদস্য সচিব একেএম কিবরিয়া স্বপনের  সভাপতিত্বে
 মহান বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শহরের সিভিল সার্জন সড়ক হতে একটি শোভাযাত্রা ‌ শুরু হয়ে শহরের ‌ প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে স্থানীয় গোলপুকুর ড্রীমসের সম্মূখে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে  শেষ হয়।
এ সময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‌ ফরিদপুর ৩ সদর আসনে ‌ জাতীয়তাবাদী ‌ দলের ‌ প্রার্থী ‌‌ নায়াব ইউসুফ
ফরিদপুর জেলা বিএনপির ‌ যুগ্ন আহবায়ক আজম খান ‌, রশিদুল ইসলাম লিটন ‌, তানভীর চৌধুরী রুবেল, এডভোকেট গোলাম রব্বানী ‌ ভূঁইয়া ‌ রতন ‌,
ফরিদপুর মহানগর বিএনপির আহবায়ক এএফএম কাইয়ুম জঙ্গি, 
সদস্য সচিব গোলাম মোস্তফা মিরাজ, যুগ্ম আহবায়ক মিজানুর রহমান মিনান আতাউর রশিদ বাচ্চু, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ‌ নিতাই রায়, জেলা যুবদলের ‌ সভাপতি ‌ রাজিব হোসেন ‌ মহানগর ‌ যুবদলের‌‌ ভারপ্রাপ্ত ‌ সভাপতি ‌ এম এম ইউসুফ মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ‌ আলী রেজওয়ান বিশ্বাস তরুন ‌ ‌, কোতোয়ালী থানা বিএনপির সভাপতি ‌ চৌধুরী নাজমুল আলম রঞ্জন ‌‌, কৃষক ‌ দলের  সাধারণ সম্পাদক ‌ মুরাদ হোসেন প্রমুখ। 
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন যে, বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লব শুধু একটি মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা নয়—এটি ছিল আধিপত্যবাদ
বিরোধী জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অভ্যুদয়ের সূচনা।১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশপ্রেমে উদ্দীপ্ত সিপাহী ও জনতা জাতীয় স্বাধীনতা সুরক্ষা ও গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনের অঙ্গীকার নিয়ে রাজপথে নেমে এসেছিল। স্বাধীনতাত্তোর ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী নিজস্ব স্বার্থে দেশকে আধিপত্যবাদের থাবার মুখে ঠেলে দিয়েছিল। ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার লক্ষ্যে তারা একদলীয় বাকশাল গঠন করে গণতন্ত্রকে হত্যা করে। বাকশালী সরকার চরম অগণতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী পন্থায় মানুষের ন্যায়সঙ্গত অধিকারগুলো হরণ করে।দেশমাতৃকার এই চরম সংকটকালে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর কুচক্রীরা মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে সপরিবারে ক্যান্টনমেন্টে বন্দী করে। জাতির এই গভীর সংকটে ৭ নভেম্বর স্বাধীনতা রক্ষায় অকুতোভয় সৈনিক ও জনতার ঢল রাজপথে নেমে আসে। জন্ম নেয় এক অনন্য সংহতি, মুক্ত হন স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান। শহীদ জিয়া যদিও শাহাদাত বরণ করেন, কিন্তু তার আদর্শে বলীয়ান দেশপ্রেমিক জনগণ আজও স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
এর পূর্বে ‌ বিভিন্ন স্থান থেকে একাধিক মিছিল সমাবেশ স্থলে উপস্থিত হয়।
এ সময় তারা ‌
ফরিদপুর ৩ আসনের ‌ সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী নায়াব ইউসুফ ও   ‌ ধানের শীষের পক্ষে বিভিন্ন শ্লোগান প্রদান করে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়