১৮ই এপ্রিল, ২০১৯ ইং | ৫ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | রাত ৯:০৯

“মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এক মায়ের খোলা চিঠি”

জাতীর জনকের সুযোগ্য কন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনা বাংলার আঠার কোটি মানুষের ভালবাসায় সিক্ত হয়ে ৪র্থ বারের মতো প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। আমার অন্তরের অন্তস্থল থেকে আন্তরিক সুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমি এক “মা” হয়ে আর এক মায়ের কাছে খোলা চিঠি লিখছি। আমি একজন পুলিশ সদস্যের মেয়ে আমার ছেলে কে.আর.খান মুরাদ জেলখানায় বন্দি তার মুক্তির জন্য এই আমার খোলা চিঠি। আমি আমার পরিবার নিয়ে ঢাকা-১৮ আসনে বসবাস করি। আমি এম.পি সাহারা খাতুনের এলাকায় দক্ষিন খান-এ সন্তান পরিবার পরিজন নিয়ে ৫০ বৎসরের ও অধিককাল যাবৎ বসবাস করছি। আমরা সুপ্রীম কোর্ট বারের এ্যাডভোকেট মরহুম সরদার সুরুজ জামান সাহেবের নিকটতম আত্মীয়। আমার সন্তান আওয়ামীলীগের আদর্শে আর্দশীত হয়ে ১৯৯৪ সালে তেজগাঁও কলেজের ইরানের নেত্রীত্বে ছাত্রলীগের তৎসময়ে বাবু শিদ্ধার্থ ও ফরহাদ এদের সাথে সক্রীয় ভাবে দায়িত্ব পালন করে। কলেজ গন্ডি পেরিয়ে ২০০৬ সালে মহাখালী আছলামের নেত্রীত্বে বিমান বন্দর থানার যুবলীগ গঠন করার জন্য আশকোনার জনাব মফিজ ও মজিবুর এবং কাওসার, সেন্টু, সেলিম ও আমার ছেলে কে. আর.খান মুরাদকে সহ সভাপতির দায়িত্ব দেন যুবলীগে মরহুম বাসার ভাই ভাই আছলাম ভাই, জাহাঙ্গীর কবির ভাই ও মফিজ আমার ছেলেকে ¯েœহ করত: ২০০৮ সালে ৩১শে ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচনে গাওয়াইর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোট কেন্দ্রের দায়িত্ব ছিল হবি সাহেব। উক্ত কেন্দ্রে আমার সন্তান কে আর, খান মুরাদ নৌকা মার্কা প্রতিকের পুলিং এজেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছে। সেই কেন্দ্রে সহ সারা বাংলাদেশে নৌকা মার্কায় বিপুল ভোটে জয় হয়। আজ ২০১৮ সালে জুন মাসে এলাকা ভিত্তিক ভাবে প্রশাসনের মাধ্যমে একটি তালিকা তৈরী হয়। ঐ তালিকায় আমার সন্তানকে একাধিক মামলা দিয়ে ৬ই ডিসেম্বর আমার বাসা থেকে পুলিশ আমার সন্তানকে ধরে নিয়ে জেল হাজতে প্রেরন করে। ইতিপূর্বে আমার ছেলের নামে সাড়া বাংলাদেশে কোন থানায় সাধারন ডাইরী নাই। আমার ছেলে আজও বন্দি। আমার সন্তানের প্রতি ন্যায় বিচার প্রার্থনা করছি। মাঠ পর্যায়ে দক্ষিন খান থানার এ,এস,আই আল আমিন তদন্ত করে আমার ছেলেকে আওয়ামীলীগের একজন সক্রীয় সমর্থক হিসাবে রির্পোট প্রেরন করে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, থানায় আসলে সেই রির্পোট পরিবর্তন হয়ে যায়। জীবনের তাগিদে আমার সন্তান সাংবাদিকতা পেশায় যোগদান করে। ২০১৭ সালে “এশিয়ান টিভি” তে রির্পোটার হিসেবে কর্মরত ছিল। বর্তমানে “ফ্রাইডে রিভিউ” পত্রিকায় নির্বাহী সম্পাদক পদে দায়িত্ব রত আছে। দেশরতœ ডিজিটাল বাংলার রুপকার জননেত্রীর সুযোগ্য কন্যা পুতুলের সংগঠনে অনুপ্রানিত হয়ে “স্বপ্ন সমাজ কল্যান” নামে আমার ছেলে প্রতিষ্ঠা করে। উক্ত প্রতিষ্ঠানে প্রতিবন্ধীদের নিয়া স্বপ্ন স্কুল গঠন করে। প্রায় ৩২ জন প্রতিবন্ধী শিক্ষাথী ফ্রি পড়ালেখা, ফ্রি চিকিৎসা দেওয়া হতো বর্তমানে আর্থিক অভাবে প্রতিষ্ঠান আজ বন্ধ হয়ে আছে। আমার ছেলে “ইউনিটি ফর ইউনিভার্স হিউম্যান রাইটস্ অফ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশ” (আইন সহায়তা ও পরামর্শ সংস্থা) এর যুগ্ম সচিব কেন্দ্রীয় কমিটি সাথে জড়িত। এছাড়াও জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধাদের আদর্শ ও অনুপ্রেরনায় “মুক্তিযোদ্ধা ক্রিয়া সংগঠন” নামে একটি সংগঠন করা হয় উক্ত সংগঠনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা এবং খেলা ধুলার মাধ্যমে তাদের জীবন উন্নয়নের মান বৃদ্ধি করা হয়। উক্ত সংগঠনে আমার সন্তান উপদেষ্টা হিসাবে রয়েছে। আমার সন্তান আপনার আর্দশে আর্দশীত। তথ্য সংগ্রহের কাজে আমার সন্তান যদি কোন ভুল করে থাকে তার জন্য আমার সন্তান সকলের নিকট ক্ষমাপ্রার্থী। আমার সন্তানের নাম তালিকা থেকে কোর্ট অব্যাহতি দেন। আমি একজন সন্তানের “মা” আমি আমার আচল পেতে দিচ্ছি আমার সন্তানকে আমার বুকে ফিরিয়ে দিন। এক “মা” আর এক মায়ের নিকট প্রার্থনা করছি। আপনি আমার মনের অবস্থা উপলদ্ধি করতে পারবেন। আমার সন্তানকে স্বাধীন ভাবে চলার অধিকার দিয়ে আপনার ক্ষমতাবোধের বিশাল নির্দশন বাংলার মানুষকে বুঝিয়ে দিন যে আপনিও একজন “মা”। ডিজিটাল বাংলাদেশের উন্নয়ন ধারাকে স্বচল রাখতে আপনার হাতকে শক্তিশালী করতে আমার পরিবার বদ্ধ পরিকর।
নিবেদক

খুরশিদা বেগম
৩৫০ নং খুরশিদা মঞ্জিল
পূর্ব গাওয়াইর, দক্ষিন খান,
ঢাকা-১২৩০।

প্রকাশ :  ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৯ ৪:২৩ অপরাহ্ণ