১৯শে জানুয়ারি, ২০১৯ ইং | ৭ই মাঘ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ৪:১৯

জননেতা নুরুজ্জামান আহমেদ ৫ বছরের উন্নয়নে পাল্টে দিয়াছে লালমনিরহাট-২ আসনের চিত্র

এম সহিদুল ইসলাম লালমনিরহাট প্রতিনিধি : আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এর সময় যত ঘনিয়ে আসছে ঠিক ততই ভোটের গুঞ্জন শুনা যাচ্ছে, আনাচে কানাচে হাট বাজার গ্রামে গঞ্জে এখন শুধু ভোটের আলোচনা। এ অঞ্চলের সাধারন জনগন মনে করেন বর্তমান সরকার এর আমলে কালীগঞ্জ আদিতমারীতে যে উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পাদিত হয়েছে তা সমাজকল্যান মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব নুরুজ্জামন আহমেদ এর হাতের ছোয়ায় সম্ভব হয়েছে । এমপি নুরুজ্জামান আহমেদ ২০১৪ সালে থেকে যে উন্নয়ন করেছেন তা গত ২৫/৩০ বছরেও কোন সংসদ সদস্য করতে পারেননি। আদিতমারী স্বর্ণমতি ব্রিজটি ব্রিটিশ সরকারের সময়ে তৈরি যা ব্যবহারের অনুপযুক্ত হয়ে পড়েছিল । সেই ব্রিজটি তিঁনি সংসদ সদস্য হয়েই প্রথমে করে দিয়েছেন। যা গোটা জেলার যোগাযোগের এমমাত্র মাধ্যম। গত ৫ বছরে এমন কোন স্কুল, কলেজ,মাদরাসা, মসজিদ, মন্দির, ব্রিজ-কালভাট নেই যেখানে তার অবদান নেই। তাঁর একটি বড় গুন তিনি সংসদ সদস্য হয়ে নিজেই ওই সকল উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন। কোন প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের দরকার হলে তিনি নিজেই ওই প্রতিষ্ঠানে গিয়ে সরেজমিনে দেখে আর্থিক অনুদানের ব্যবস্থা করতেন। তাঁর নির্বাচনী এলাকায় মধ্যস্বর্থভোগী কোন ব্যক্তি নেই। এতে করে সাধারণ মানুষের মধ্যে তার সততা, কর্তব্যপরায়নতা ব্যাপক সাঁড়া জুগিয়েছে।তাহার হাত ধরে আদিতমারীতে স্বার্নামতি ব্রীজ নির্মান, তিস্তা নদীর উপর সদ্য নির্মিত হয়েছে শেখ হাসিনা ২য় তিস্তা সড়ক সেতু, সংসদীয় আসনের সকল ইউনিয়ন পরিষদের কমপ্লেক্স নির্মান, উপজেলা পরিষদে নিবার্চন কমিশনের নতুন ভবন নির্মান, উপজেলা অডিটোরিয়াম নির্মান, বিভিন্ন মসজিদ, মন্দিরে অনুদান, নতুন রাস্তা পাকাকরন, ছোট খাটো অসংখ্য কালভার্ট ও ব্রীজ নির্মান, বিভিন্ন স্কুল কলেজের একাডেমিক ভবন নির্মান, কালীগঞ্জ টেক্সটাইল ইন্সটিটিউব নির্মান, পলিটেক ইন্সটিটিউব নির্মান, জেলার তিন কলেজ সরকারীকরন, আশ্রয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, শতভাগ মানুষের বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা, স্বামী পরিত্যাগত্য ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, চিকিৎসাভাতা সহ নানা উন্নয়নমুলক কাজ করে অবহেলিত লালমনিরহাট জেলাকে এগিয়ে নিয়েছেন। সবমিলিয়ে পিছিয়ে থাকা এ জেলাটিতে ৫ বছরে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে।

লালমনিরহাট জেলাটি উন্নয়নে আওয়ামীলীগ সরকার যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসে। চালু করা হয়েছে বুড়িমারী স্থলবন্দর, রংপুর থেকে বুড়িমারী পর্যন্ত ব্রিটিশদের করে যাওয়া প্রতিটি রেল স্টেশন প্লাটফরমকে নতুন ভবনসহ করা হয়েছে। আধুনিক,বুড়িমারী থেকে লালমনিরহাট পর্যন্ত রেল লাইনকে করা হয়েছে সংস্কার,সংযুক্ত করা হয়েছে দুটি নতুন ট্রেন। প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য লালমনিরহাটে করা হয়েছে পিটিআই সেন্টার এবং করা হয়েছে ডায়াবেটিকস ইনিস্টিটিউট।প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে করা হয়েছে বহুকক্ষ বিশিষ্ট।বুড়িমারী থেকে বড়বাড়ি পর্যন্ত মহাসড়ককে করা হয়েছে সংস্কার। প্রতিটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ। প্রক্রিয়াধীন রয়েছে চাপারহাট মেডিকেল, পুলিশফাঁড়ি, কালীগঞ্জ মা ও শিশু হাসপাতাল। তথ্যপ্রযুক্তিসহ অনেক অনেক উন্নয়ন রংপুর বিভাগে করেছেন আওয়ামীলীগ সরকার এবং সেখানে সরকারের একমাত্র প্রতিনিধি মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আলহাজ নুরুজ্জামান আহমেদ এমপি। যিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট রংপুরের অনুন্নতের চিত্র তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন। এবং উক্ত উন্নয়ন সমূহের প্রয়োজনীতা তুলে বৃহত্তম রংপুরের পিছিয়ে পরা মানুষগুলোকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য জোর দাবী তুলেছেন।যার ফলস্রুতিতে আজকের দৃশ্যমান রংপুর।এছাড়াও লালমনিরহাট -২ আসনে উন্নয়নের সর্বদিক সম্পূর্ণ করেছেন জননেতা মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আলহাজ নুরুজ্জামান আহমেদ এমপি। দূর্যোগ ও বন্যা কবলিত এলাকাগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহন ও তাদের মাঝে ত্রাণ,ঢেউটিন বিতরনে সক্রীয় ভুমিকা রেখে চলেছেন। বিপ্লবী এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কে নিয়ে অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে তার এই ব্যপক জনপ্রিয়তার কারন,তিনি উত্তরবঙ্গের সনামধন্য রাজনৈতিক পরিবার এর সন্তান তার পিতা আলহাজ্ব  করিম উদ্দিন আহমেদ ছিলেন সাবেক এমপি,তার পিতা অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করে গেছেন কালীগঞ্জ আদিতমারী বাসীর উন্নয়নের জন্য। জননেতা আলহাজ্ব নুরুজ্জামান আহমেদ ছাত্রজীবন থেকেই পিতার হাতধরে রাজনীতি তে পদার্পণ করেন,তিনি ততকালীন উপমহাদেশ খ্যাত কারমাইকেল কলেজ রংপুর এ লেখাপড়া করেন,তিনি তার জীবনে সর্বপ্রথম  ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেন এবং বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন,তিনি পর পর দুবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন,তার রাজনৈতিক ইমেজ ফুটে ওঠে ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় লাভ করার মাধ্যমে,তিনি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর তার ব্যপক জনপ্রিয়তার কারনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালে তার যুক্তরাষ্ট্র সফরের সফর সঙ্গী হিসাবে সাথে নেন জননেতা নুরুজ্জামান আহমেদ কে,উপজেলা চেয়ারম্যান থাকাকালীন তিনি কালীগঞ্জ উপজেলার ব্যপক উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পাদিত করেন এবং ব্যপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন যার ফলশ্রুতিতে ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে মহাজোট  এর মননীত প্রার্থী হন এবং বিনা প্রতিদন্দীতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন,তিনি তার রাজনৈতিক দক্ষতার কারনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথমে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়ীত্ব পান এবং তার রাজনৈতিক কৌশল বিবেচনায় পরে তাকে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়ীত্ব দেন। জননেতা নুরুজ্জামান আহমেদ কালীগঞ্জ আদিতমারী বাসীর উন্নয়নের রুপকার হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেছেন,সাধারন জনগন মনে করছেন বর্তমান সরকার এর উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে কালীগঞ্জ আদিতমারী আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ মনে করেন লালমনিরহাট–২ আসনে নুরুজ্জামান আহমেদ এর বিকল্প নেই,তার নেতৃত্বে কালীগঞ্জ আদিতমারী আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ। একাদশ সংসদ নির্বাচনে ৩০ ডিসেম্বর এ এলাকার জনগণ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আলহাজ্ব নুরুজ্জামান আহমেদকে আবার ও বিজয়ী করবে এ প্রত্যাশা কালীগঞ্জ আদিতমারী এলাকাবাসীর।

 

 

 

 

 

প্রকাশ :  ডিসেম্বর ১৯, ২০১৮ ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ