১৯শে জানুয়ারি, ২০১৯ ইং | ৭ই মাঘ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ৪:৩৭

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে গত ৬ বছর ভুয়া কাজী দিয়ে নিকাহ রেজিস্টার?

মজিবুর শেখ (তাড়াশ) প্রতিনিধিঃ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের বটগাড়ী গ্রামের মোঃ ইসমাইল হোসনের ছেলে মোঃ হাবিবুর রহমান মুসলিম নিকাহ রেজিস্টার লাইসেন্স পেয়ে গত ৬ বছর এলাকাতে না থাকায় তার বোন জামাই বারুহাস ইউনিয়নের বস্তুল হিন্দু পারার মৃত-আঃ ছাত্তার আলীর ছেলে মোঃ আঃ ছামাদ(ম্যানেজার) গত ৬ বছর যাবৎ ভুয়া কাজী সেজে বল্য বিবাহ সহ অসামাজিক নিকাহ রেজিস্টার করে আসছে নেই কনো প্রকার আইনের বাধা।
বারুহাস ইউনিয়নের কাজী মোঃ গোলাম মোস্তফা “তাড়াশ উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতী” জানান কাজী হাবিবুর রহমানকে গত ৬ বছর এলাকাতে দেখিনি। বিবাহ রেজিস্টার করছেন আঃ ছামাদ তার বোন জামাই।
বারুহাস ইউনিয়ন আ”যুবলীগের সভাপতী মাসুদ রানা বলেন, রেজিস্টার প্রাপ্ত কাজী হাবিবুর রহমান হলেও আমি তাকে নিকাহ রেজিস্টার করা দেখিনি এবং বর্তমান যে কাজী সেজে বিবাহ রেজিস্টার করছে তার দৃস্টান্ত মুলক সাস্তি দাবি করছি।
বারুহাস ইউনিয়নের বারুহাস, বিনোদপুর, দিঘুরিয়া, বিনসাড়া,বস্তুল,মনোহার পুর, পালাসি, পোওয়তা গ্রাম সহ সকল গ্রামের মানুষের ভিতর ভুয়া কাজী আঃছামাদ কে নিয়ে জনমনে আতংকর সৃষ্টি দেখা দিয়েছে।
যানা যায়, গত ইউএনও এস,এম ফেরদৌস ইসলামের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে কনো রূপ প্রতিকার পায়নি বারুহাস ইউনিয়নের সাধরন মানুষ।
তাড়াশ উপজেলা সাব-রেজিস্টার ফারহানা আজিজ কে জানালে বলেন আপনারা জেলা রেজিস্টার কে জানান আমি এ বিষয়ে কিছু করতে পারিনা।
বিষয়টি সিরাজগঞ্জ জেলা কাজী সমিতির সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম কে জানালে, বলেন হাবিবুর কাজী শুধু তার এলাকাতেই সমস্যা করেনি সে আমাদের সিরাজগঞ্জে গত ৬ বছর বাল্য বিবাহ ও ভুল ভাল নিকাহ রেজিস্টার করে আমাদের অতিস্ট করে তোলাতে আমরা তাকে ধরে কয়েক বার পিটাইছি।
সিরাজগঞ্জ জেলা রেজিস্টার আবুল কালাম  মোঃ মুন্জুরল ইসলাম জানান, কাজী হাবিবুর রহমান বেতিত অন্য কেউ নিকাহ রেজিস্টারের ভলিয়ম বহি নিয়ে নিকাহ রেজিস্টার করলে দন্ডনিয়ো অপরাদের ভিতর পরে এবং আমি বিষয়টি তদন্ত করে আইন গত ব্যবস্তা নেবো। আরো বলেন হাবিবুর কাজীর বাইরে বারুহাস ইউনিয়নে অন্য কেউ নিকাহ রেজিস্টার করলে ঐ রেজিস্টার আমরা এন্ট্রি করিবনা।
মুসলিম নিকাহ রেজিস্টার মহা সচিব মোঃ ইকবাল হোসেন জানান, কাজী হাবিবুর রহমান যদি তার নিজ এলাকাতে না থেকে অন্য কাউকে দিয়ে নিকাহ রেজিস্টার করান তাহলে আমি কঠোর ব্যবস্তা নেবো বলে জানান।
যানা যায়,কাজী হাবিবুর রহমান গত ৬ বছর এলাকাতে না থাকায় তার বোন জামাই বিভিন্ন বাল্য বিবাহ রেজিস্টার করেছেন এবং সাধারন মানুষকে জিম্মি করে বিভিন্ন অজুহাতে সরকারী নিয়মনিতি ভেংগে টাকা আদায় করায় এলাকায় আতংকের শৃষ্টি দেখা দিয়েছে। আঃ ছামাদের ভুলভাল ও বাল্য বিবাহ সহযোগিতা দিচ্ছে তাড়াশ উপজেলা সাব রেজিস্টার ফারহানা আজিজ।এসকল তথ্য বিশেষ সুত্রে জানা গেছ ।
প্রকাশ :  ডিসেম্বর ১৬, ২০১৮ ১০:০৭ পূর্বাহ্ণ