১০ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং | ২৬শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | সকাল ৮:৩৩

সংলাপ আজ

স্টাফ রিপোটার :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপের দিনক্ষণ নিধার্রণ থাকায় সবার দৃষ্টি আজ সেদিকে। কেননা নিবার্চনকালীন সরকার প্রশ্নে ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধীদের মধ্যে পুরোপুরি বিপরীতমুখী অবস্থানে থেকেই সংলাপ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তাই আদৌ এ সংলাপ অথর্বহ হবে কিনা, নাকি সংলাপ-পরবতীর্ এ ইস্যুতে দুই পক্ষের বিরোধিতা আরও চাঙা হবে তা নিয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের পাশাপাশি দেশের সবর্স্তরের মানুষের মধ্যে নানামুখী সংশয় ও শঙ্কা রয়েছে। যদিও সব ধরনের দ্বিধাদ্ব›দ্ব ও সন্দেহ মাথায় রেখেই রাজনৈতিক পযের্বক্ষকরা সংলাপের ইস্যুটিকে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের ধারণা, এই উদ্যোগে রাজনীতিতে সুবাতাস বইবে এমন সম্ভাবনা ক্ষীণ হলেও তা বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে নিবার্চনমুখী করতে সহায়ক হবে। যদিও সরকারবিরোধী রাজনৈতিক শিবির, বিশেষ করে প্রধান বিরোধী দল বিএনপির শীষর্ নেতাদের ধারণা, সংলাপে বসার আগেই সরকার পক্ষ যেভাবে শতের্র বেড়াজালে তা বন্দি রাখার চেষ্টা করেছে তাতে এর সফলতা লাভের আশার পরিধি সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এছাড়া জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুনীির্ত মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার সাজা বৃদ্ধি এবং বিএনপির নেতাকমীের্দর ধরপাকড় ও নতুন করে একের পর এক মামলা দেয়ার ঘটনায় তাদের আরও বেশি উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। বিএনপি নেতাদের ভাষ্য, সংলাপ অথর্বহ করার জন্য আগাম যে পরিস্থিতি তৈরি করা জরুরি, সরকার সেদিকে মোটেই নজর দেয়নি। এমনকি এ বিষয়টিতে কোনো ধরনের গুরুত্বও দেয়া হয়নি। তাই এ সংলাপের সফলতা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায় বলে মন্তব্য করেন তারা। এদিকে দেশের সাধারণ মানুষের আশঙ্কা, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সরকারের আজকের সংলাপ অথর্বহ না হলে রাজনৈতিক পরিস্থিতি পুরোপুরি ভিন্ন দিকে মোড় নেবে। নিবার্চনকে সামনে রেখে বিরোধী দলগুলো তাদের আন্দোলনের গতি-প্রকৃতি পাল্টে দেবে। যা দেশের সাধারণ মানুষের সঙ্গে উৎকণ্ঠার কারণ হয়ে দঁাড়াবে। কেননা ক্ষমতাসীন সরকার চলমান প্রক্রিয়ায় এ পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করবে। রাজনৈতিক পযের্বক্ষকরা বলেন, সংলাপ অথর্বহ না হলে ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে সরকারবিরোধী দলগুলো যে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ ছড়ানোর চেষ্টা করবে তা তাদের আগাম বক্তব্যেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি এ ব্যাপারে তাদের নানা ধরনের প্রস্তুতি নিতেও দেখা যাচ্ছে। বিএনপির সিনিয়র এক নেতা জানান, ২ নভেম্বর ঢাকার জনসভা থেকে অসহযোগ আন্দোলনের কমসূির্চ ঘোষণার চিন্তা ছিল। কিন্তু সংলাপের বিষয়টি সামনে আশায় তফসিল ঘোষণার আগেই সাত দফা মেনে নেয়ার জন্য সরকারকে আলটিমেটাম দেয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। তবে বেঁধে দেয়া স্বল্প সময়ের মধ্যে দাবি না মানলে অসহযোগের মতো কঠোর কমসূির্চ দিতে তারা পিছপা হবেন না। এদিকে ৭ দফা দাবি মেনে না নিলে দেশে যে অনিশ্চয়তা, অরাজকতা সৃষ্টি হবে, তার দায়দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে বলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেন, সরকার আগামীতে যে নিবার্চন করতে যাচ্ছে, সেখানে বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপিকে নিবার্চনের বাইরে রাখতে চাচ্ছে। তবে সরকার এ অভিসন্ধি পূরণ করার চেষ্টা করলে এদেশের মানুষ তা প্রতিহত করবে। বাস্তবিক অথের্ এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে তার গতি-প্রকৃতি কেমন হবে, সরকার তা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে এবং এ পরিস্থিতিতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভূমিকা কী হবে তার আগাম বিশ্লেষণে রাজনৈতিক পযের্বক্ষকরা উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন। কেননা এ ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসন ও ক্ষমতাসীন দলের প্রস্তুতি আগেই প্রকাশ পেয়েছে। আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সংলাপ ব্যথর্ হওয়ার অজুহাতে সরকারবিরোধীরা আন্দোলনের নামে যাতে রাজনৈতিক অঙ্গনে কোনো ধরনের উত্তাপ ছড়াতে না পারে এ জন্য তারা তৃণমূলের নেতাকমীের্দর আগেভাগেই সতকর্ করেছে। পাশাপাশি নিবার্চনী প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি ছোটখাটো বিভিন্ন কমর্সূচিতে তাদের রাজপথে সক্রিয় থাকার নিদের্শ দেয়া হয়েছে। যাতে সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো যেকোনো কৌশলে মাঠে নেমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাদের প্রতিহত করা যায়। এদিকে বুধবার মধ্যরাত থেকেই সারাদেশে র‌্যাব-পুলিশের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক রাখার নিদের্শ দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, নিবার্চনকে সামনে রেখে এমনিতেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সব ধরনের তৎপরতা জোরদার করার তাগিদ রয়েছে। এর ওপর সংলাপকে কেন্দ্র করে সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নানা ধরনের হুমকি-ধমকি ও হুশিয়ারির প্রেক্ষিতে তাদের আরও সতকর্ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এ ব্যাপারে প্রশাসন এরই মধ্যে সবোর্চ্চ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। কেউ কোনো ধরনের অপতৎপরতা চালানোর চেষ্টা করলে তা তাৎক্ষণিক শক্ত হাতে মোকাবেলা করা হবে। যদিও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর পযের্বক্ষণে এ ধরনের কোনো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির তেমন আশঙ্কা নেই বলে জানা গেছে। অন্যদিকে রাজনৈতিক পযের্বক্ষকদের ধারণা, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সাত দফা দাবি নিয়ে সংলাপে বসলেও তারা মূলত নিবার্চনী লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির ইস্যুটিতে প্রধাণত গুরুত্ব দিচ্ছে। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিসহ অন্য দাবিগুলো উপেক্ষিত হলেও ঐক্যফ্রন্ট তা সানন্দে মেনে নেবে। কেননা, বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো মূলত সুষ্ঠু নিবার্চনে অংশ নিয়ে নিজেদের জনসমথর্ন যাচাই করতে চাইছে। যা বিএনপির দায়িত্বশীল একাধিক নেতাও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে স্বীকার করেছে। নাম প্রকাশ না করার শতের্ বিএনপির প্রথম সারির একজন নেতা বলেন, তাদের ভাবনায় এখন শুধু রয়েছে সুষ্ঠু নিবার্চন। কেননা, সাধারণ মানুষ নিবিের্ঘœ কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারলে তাদের জয় সুনিশ্চিত বলে তারা দৃঢ়ভাবে আশাবাদী। তাই সংলাপ অথর্বহ হলে তারা খুশি বলে জানিয়েছেন। বিএনপির তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিবার্চনী লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির ইস্যুটিতে কোনো সমঝোতা হওয়ার আগেই তফসিল ঘোষণা করা হলে ওই দিন থেকে আন্দোলন শুরু করতে সব ধরনের প্রস্তুতি রাখতে দেশব্যাপী দলের সব ইউনিটের নেতাকমীের্দর বাতার্ দেয়া হয়েছে। বিশেষ করে বিএনপি নেতাকমীের্দর তফসিলের আগে গ্রেপ্তার এড়িয়ে সবোর্চ্চ সতকতার্র সঙ্গে তফসিলের দিন মাঠের আন্দোলন সফল করার প্রস্তুতি রাখার নিদের্শনা দেয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মিজার্ ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আন্দোলন সময় মেনে হয় না। এটি তফসিল ঘোষণার আগে বা পরে যেকানো সময়ই হতে পারে। আন্দোলনের চ‚ড়ান্ত সময় নিধার্রণের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এদিকে সংলাপ নিয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের আগ্রহও লক্ষণীয়। কেননা ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো একটি ‘বিতকির্ত’ নিবার্চনের ব্যাকগ্রাউন্ড থাকায় আসন্ন নিবার্চন নিয়েও তারা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রভাবশালী দুই দেশ ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র একটি অবাধ অংশগ্রহণমূলক নিবার্চন দেখতে চায়। বসে নেই ইউরোপীয় ইউনিয়নও। নিবার্চন অনুষ্ঠানের সাথে যুক্ত প্রতিষ্ঠান ও সরকারের সাথে তারা মতবিনিময় করছে। সুষ্ঠু নিবার্চন অনুষ্ঠানে তারা সরকারকে সহযোগিতাও করতে চেয়েছে। এ লক্ষ্যে কূটনীতিকরা রাজনৈতিক দলগুলোর মনোভাবও বোঝার চেষ্টা করছেন। আগামী নিবার্চন ও চলমান রাজনৈতিক গতিবিধির ওপর সূ² দৃষ্টি রেখেছে প্রভাবশালী দেশগুলো। সবার চাওয়া সুষ্ঠু নিবার্চন ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা নিরসনে কাযর্কর সংলাপ। কূটনৈতিক তৎপরতার সাথে যুক্ত একজন রাজনীতিক ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় বলেছেন, ভারত পক্ষপাতমূলক কিংবা নাক গলানোর মতো কোনো ভূমিকা এবার সরাসরি পালন করতে চায় না। নিবার্চনে বাংলাদেশের জনগণের মতামত প্রতিফলিত হবে, এটাই গণতান্ত্রিক একটি দেশ হিসেবে তারা প্রত্যাশা করে। তাই তারাও চান, বৃহস্পতিবারের সংলাপ অথর্বহ হোক। এদিকে গত মঙ্গলবার থেকেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সংলাপ নিয়ে নানামুখী আলোচনায় মেতে থাকতে দেখা গেছে। সংলাপ ব্যথর্ হলে পরবতীের্ত দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে ধাবিত হবে তা নিয়েও অনেকে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন। সোনালী ব্যাংক কমর্কতার্ সাঈদুল ইসলাম বলেন, দেশে সুষ্ঠু নিবার্চন হোক, সাধারণ ভোটাররা সবাই তাই চান। আর এজন্য বৃহস্পতিবারের সংলাপ অথর্বহ হওয়া জরুরিÑ যোগ করেন তিনি। একই প্রত্যাশা ব্যক্ত করে অবসরপ্রাপ্ত কলেজশিক্ষক ওবায়েদ উল্লাহ বলেন, সামনে ছেলেমেয়েদের বাষির্ক পরীক্ষা। তাই অভিভাবকরা সবাই উদ্বিগ্ন হয়ে গণভবনের দিকে তাকিয়ে আছেন। সেখান থেকে ‘সুসংবাদ’ এলে তাদের সন্তানরা অন্তত নিশ্চিন্তে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। পাশাপাশি দেশের রাজনীতিতে নিবার্চনী সুবাতাস বইবে বলে মনে করেন এই প্রবীণ শিক্ষক। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১৪ দলের ২২ জন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আজ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা সংলাপে বসবেন। দলীয় প্রধান হিসেবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের ২২ জন প্রতিনিধি সংলাপে অংশ নেবেন। বুধবার বিকালে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমÐলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, মো. আবদুর রাজ্জাক, কাজী জাফর উল্যাহ, রমেশ চন্দ্র সেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, দীপু মনি, আবদুর রহমান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, আইনবিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, বাংলাদেশের ওয়াকার্সর্ পাটির্র সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও জাসদের একাংশের সভাপতি মইন উদ্দীন খান বাদল সংলাপে বসবেন। প্রথমে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সংলাপে ২১ জনের অংশ নেয়ার কথা জানানো হয়েছিল। পরে গণমাধ্যমে আবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ২২ জনের কথা জানানো হয় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে। ঐক্যফ্রন্টের যারা যাচ্ছেন সংলাপে গণভবনে আজ সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিতব্য আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক সংলাপের জন্য ১৬ জন প্রতিনিধির একটি দল নিধার্রণ করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে আয়োজিত ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে নামগুলো ঠিক করা হয়। ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধিদলে দলনেতা হিসেবে থাকবেন ড. কামাল হোসেন। বিএনপি থেকে মিজার্ ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার ও মিজার্ আব্বাস। নাগরিক ঐক্য থেকে থাকবেন মাহমুদুর রহমান মান্না ও এসএম আকরাম। গণফোরাম থেকে মোস্তফা মোহসীন মন্টু ও সুব্রত চৌধুরী। জেএসডি থেকে আ স ম আব্দুর রব, আব্দুল মালেক রতন ও তানিয়া রব। ঐক্য প্রক্রিয়া থেকে সুলতান মোহাম্মদ মনসুর, আ ব ম মোস্তফা আমিন ও স্বতন্ত্র হিসেবে থাকবেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

প্রকাশ :  নভেম্বর ১, ২০১৮ ২:৩১ পূর্বাহ্ণ