১৫ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং | ২রা পৌষ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | রাত ৩:০৮

রাঙ্গাবালীতে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে শুরু হয়েছে ইজতেমা

এইচ এম রফিকুল ইসলাম রাঙ্গাবালী(পটুয়াখালী) সংবাদদাতাঃ
প্রশাসনের বাঁধার মুখে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার আগুনমুখা নদীর তীরে শুরু হয়েছে তাবলীগ জামায়াতের জেলা ইজতেমা। জেলা প্রশাসন থেকে অনুমোতি না থাকায় ইজতেমা বন্ধের নির্দেশ দেয় রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রশাসন। প্যান্ডেল সরিয়ে নিতে ও মুসল্লীদের মাঠ ত্যাগ করতে বলা হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। কিন্তু মুসল্লীরা মাঠ ত্যাগ করেনি।

বৃহস্পতিবার (১৮ অক্টোবর) ফজরের নামাজের পর আম বয়ানের মধ্যদিয়ে তিন দিন ব্যাপী এ ইজতেমা শুরু করে তাবলীগের মুরুব্বিরা। আগামী শনিবার (২০ অক্টোবর) আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ইজতেমা শেষ হবে। পটুয়াখালী জেলার ৮ উপজেলাসহ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার হাজার মুসুল্লীরা ইতমধ্যে ইজতেমা মাঠে উপস্থিত হয়েছেন। ইজতেমা মাঠে বিশুদ্ধ পানির জন্য ২টি গভীর নলকূপ, শতাধিক টয়লেট, ২০টি পানির হাউজ ও নদীর পাশে ১০টি ঘাঁট স্থাপন করা হয়েছে।

তাবলীগ জামায়াতের রাঙ্গাবালী উপজেলা আমির মো: ফয়সাল হোসেন জানান, ‘দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ইতোমধ্যে হাজার হাজার সাথীরা মেহনত করতে এসেছে। এই মূহুর্তে প্রশাসন মাঠ ত্যাগ করতে বললেও সেটি করা সম্ভব নয়। শান্তিপূর্ণভাবে ইজতেমা চলবে ইনশাল্লাহ’।

রাঙ্গাবালী থানা অফিসার ইনচার্জ মিলন কৃষ্ণ মিত্র জানান, ‘গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট ও নিরাপত্তা জনিত কারণ বিবেচনা করে জেলা প্রশাসন তাবলীগ জামায়াতের ইজতেমার অনুমোতি দেয়নি। অনুমোতি না থাকায় তাদেরকে ইজতেমা বন্ধ করতে বলা হয়েছে।
রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃসোহাগ হাওলাদার বলেন, প্রশাসনের অনুমোতি নিয়ে ইজতেমা করতে বলা হয়েছে। কিন্তু তারা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই ইজতেমার আয়োজন শুরু করেছে। শুরুর পূর্বেই আমরা ইজতেমা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছি। সরকারের অনুমোতি বিহীন বড়ধরনের কোন জমায়েত হওয়ার সুযোগ নেই।

প্রসঙ্গত, এরআগে পটুয়াখালী জেলায় পুরাতন বিমান বন্দর এলাকায় মুসুল্লীরা ইজতেমা করার জন্য পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন। কিন্তু অনুমতির ৫০ ভাগ অগ্রগতি হয়ে ইজতেমাকে স্থগীত করে দেয় প্রশাসন।

প্রকাশ :  অক্টোবর ১৯, ২০১৮ ৪:৪১ পূর্বাহ্ণ