+

পল্লী বিদ্যুত সমিতির অতিরিক্ত বিলের বোঝায় কলাপাড়ার ৩০ হাজার আবাসিক গ্রাহক চরম বিপাকে

সরেজমিনবার্তা | নিউজ টি ২৪ দিন ১৮ ঘন্টা ২০ সেকেন্ড আগে আপলোড হয়েছে। 615
...

কলাপাড়া প্রতিনিধি।। 

টানা তিন মাসের বিদ্যুত বিলের অনিয়মের শিকারে পরিণত হয়ে গ্রাহকের চিড়েচ্যাপটা অবস্থা। করোনাকালেও অসহায় গ্রাহকরা কোন প্রতিকারও পায়নি। তাই এ মাসের নয় তারিখে এক গ্রাহক কলাপাড়া পল্লী বিদ্যুত সমিতির ডিজিএম প্রকৌশলী শহিদুল ইসলামের কাছে এসএমএস করে রিডিং দিয়েছিলেন, যার নম্বর ১৫৫৩১। গত মাসের (আগস্ট) নয় তারিখে তাকে বিল দেয়ার রিডিং ছিল ১৫২৪৫। মূল বিলের টাকা হওয়ার কথা ১৬৪৫ টাকা। ২৮৬ ইউনিট। কিন্তু আগাম রিডিং পৌছে দিয়েও বাড়তি বিলের বোঝা থেকে এ গ্রাহকের শেষ রক্ষা হয়নি। তার মিটারে নয় তারিখে ১৫৫৩১ থাকলেও সেপ্টেম্বর মাসের বিলে নয় তারিখে রিডিং দেখানো হয়েছে ১৫৬২০। ৮৯ ইউনিট বেশি। বিলে মূল টাকা বেশি দেখানো হয়েছে ৪৬০ টাকা। যেখানে এই গ্রাহকের তিন ধাপে বিল হওয়ার কথা। সেখানে চারটি ধাপের বাড়তি বিল চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। পল্লী বিদ্যুত সমিতির এহেন অনিয়ম আর খামখেয়ালিপনা এখন সকল শ্রেণির গ্রাহকের ব্ইতে না পারার বোঝা হয়ে গেছে। তার তাঁদের এমন চাপিয়ে দেয়া বাড়তি বিলের ধকল সইতে না পেরে গ্রাহকের পিঠ দেয়ালে ঠেকে যাচ্ছে। করোনার কারনে মানুষের জীবন-জীবিকার পথ এবড়ো-থেবড়ো হয়ে গেছে। সেখানে সহনীয় রাখতে গ্রাহকদের সেবা দেয়ার কথা, কিন্তু পল্লী বিদ্যুত সমিতি করছে অমানবিক আচরণ। এভাবে এ মাসেও ২৯ হাজার ৬০০ গ্রাহকের কাছ থেকে গড়ে কমপক্ষে ২৫০-৩০০ টাকা করে বেশি হাতিয়ে নিচ্ছে। তাতে অন্তত ৮৮ লাখ টাকার বিল আগেই বেশি দেয়া হয়েছে। এসব মিটার রিডার এমন কৌশলে বিল পৌছে দিচ্ছে। যেমন রিডিং ইস্যুর তারিখ নয় তারিখে দেখানো। বিল পৌছানো হয়েছে ২৬ তারিখে। আবার পরিশোধের শেষ তারিখ পহেলা অক্টোবর। গ্রাহকদের কোন কিছু বুঝতে না দেয়ার যত ক‚টকৌশল রয়েছে তা কার্যকর করা হয়েছে। আর পল্লী বিদ্যুত সমিতির এমন দুর্নীতি আর অনিয়মের শিকার হওয়া গ্রাহকরা সরকারকে দূষছে। কারণ জড়িতদের কেউ কন্ট্রোল কিংবা ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এভাবে পল্লী বিদ্যুত সমিতির যাদুকরি অনিয়ম থেকে রেহাই পেতে এখন রিডিং ৩০ দিনের দিন গ্রাহকরা নিজেরা ক্যামেরা বন্দী করে রাখছেন। কিন্তু তাতেও প্রতিকার মিলছে না। আর এর খেসারত গুনতে হচ্ছে গ্রাহকদেও, বদনাম উঠছে সরকারের মাথায়। নাগরিক উদ্যোগ কলাপাড়ার আহবায়ক কমরেড নাসির তালুকদার বলেন, অধিকাংশ গ্রাহকের কাছ থেকে অতিরিক্ত ইউনিটের বিল দেয়া হয়েছে। এছাড়া পরিশোধের মাত্র চারদিন আগে গ্রাহককে বিল দেয়া হচ্ছে। এসব দুর্নীতি অনিয়ম রোধে গ্রাহকরা এখন ফুসে উঠেছে।

...
ALOMGIR HOSEN(SJB:E061)
Mobile : 01719935508

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোহাম্মদ বেলাল হোছাইন ভূঁইয়া
01731 80 80 79
01798 62 56 66

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক
আল মামুন
01868974512

প্রধান কার্যালয় : লেভেল# ৮বি, ফরচুন শপিং মল, মৌচাক, মালিবাগ, ঢাকা - ১২১৯ | ই-মেইল: news.sorejomin@gmail.com , thana.sorejomin@gmail.com

...

©copyright 2013 All Rights Reserved By সরেজমিনবার্তা

Family LAB Hospital
সর্বশেষ সংবাদ