+

"তরুণ লেখকরাই আগামী দিনের বাংলা সাহিত্যকে নেতৃত্ব দিবে :- আনিস সুজন"

সরেজমিনবার্তা | নিউজ টি ২৪ দিন ৭ ঘন্টা ৩৮ সেকেন্ড আগে আপলোড হয়েছে। 2260
...

চট্টগ্রাম অফিস:

সাহিত্য জগৎের এক বিরাট অংশ জুড়ে রয়েছে প্রকাশনা শিল্প। সেই প্রকাশনা পরিবারেরই অন্যতম সদস্য, বাংলাদেশের প্রকাশনা জগৎের উজ্জ্বল নক্ষত্র, অক্ষরবৃত্ত প্রকাশনের প্রকাশক আনিস সুজন। যিনি ইতিমধ্যেই তার সৃজনশীল চিন্তাভাবনা এবং সুদক্ষ মনন বিকাশের মাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশে পরিচিতি লাভ করেছেন। ২০১৮ সালে সাহিত্যঙ্গনে প্রবেশ ঘটে অক্ষরবৃত্ত প্রকাশনের। প্রথম বছরেই বাজিমাত। আনিস সুজনের সৃজনশীল চিন্তাভাবনার মাধ্যমে অক্ষরবৃত্ত প্রকাশনের প্রথম বছরেই অমর একুশে গ্রন্থমেলা চট্টগ্রাম পর্বে শ্রেষ্ঠ প্রকাশনা ও শ্রেষ্ঠ স্টল পুরস্কার লাভ করে। প্রকাশনা শিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি এবং অক্ষরবৃত্ত প্রকাশনের নানান গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করার জন্য প্রকাশক আনিস সুজনের মুখোমুখি হয়েছেন জাতীয় দৈনিক সরেজমিন বার্তা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার শিপন নাথ।

 

শিপন:- জাতীয় দৈনিক সরেজমিন বার্তার পক্ষ থেকে জানায় আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। কেমন আছেন এই করোনা পরিস্থিতির মধ্যে?

 

সুজন:- শারীরিকভাবে সুস্থ আছি তবে করোনা পরিস্থিতিতে প্রকাশনা নিয়ে বেশ কিছুটা চিন্তিত।

 

শিপন:- প্রকাশনা জগতে আপনার প্রবেশ কিভাবে?

 

উত্তর : খুব ছোটবেলা থেকে বইয়ের সাথে আমার সম্পর্ক। খুব অল্প বয়সে আমি এই শিল্পটাতে যুক্ত হয়েছি। অষ্টম শ্রেণীতে পড়াকালীন প্রথম আমি সাহিত্য পত্রিকার সাথে যুক্ত হই।

 

শিপন:- অক্ষরবৃত্তের শুরুটা কেমন ছিল?

 

সুজন:- ২০১৮ সালে ৯টি বই নিয়ে চট্টগ্রাম বইমেলায় অংশগ্রহণ করি। প্রথম বছরেই চট্টগ্রাম থেকে শিশুসাহিত্যে শ্রেষ্ঠ প্রকাশনা পুরস্কার পাওয়ায় অক্ষরবৃত্তের  প্রতি লেখক পাঠকদের আস্থার জায়গা তৈরী হয়। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। 

 

শিপন:- গ্রন্থমেলা ২০২০ কেমন গেলো?

 

সুজন:- অমর একুশে বইমেলা আমাদের প্রাণের মেলায় রূপ নিয়েছে। সে কারণে প্রতি বছর এ মেলার পরিসর বাড়ছে। ২০২০ বইমেলা ছিল আমার কাছে গত দুই বছরের তুৃলনায় চ্যালেঞ্জের। অনেক নতুন প্রতিভাবান লেখক খুঁজে বের করতে সক্ষম হয়েছি এবার। সকল ধরণের পাঠকের চাহিদার কথা ভেবে ২০২০-এ বই করেছি ১২৮টি। বইমেলায় পাঠকের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বইয়ের বিক্রিও আশার চেয়ে বেশি ছিল।

 

শিপন:- অক্ষরবৃত্ত প্রকাশন থেকে ইতিমধ্যে ২০২১ সালের পাণ্ডুলিপি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। এ সম্পর্কে যদি কিছু বলতেন!

 

সুজন:- বাংলা ভাষায় সাহিত্যচর্চাকে উন্মুক্ত করতে এবং তরুণ নিবেদিত প্রাণ লেখদের অনুপ্রেরণা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো ঘোষিত হয় ‘অক্ষরবৃত্ত পাণ্ডুলিপি পুরস্কার’। এর ধারাবাহিকতায় ২০১৮ ও ২০১৯ এর পর ২০২০ সালেও পাণ্ডুলিপি আহ্বান করেছি। প্রতিবারের মতো এবারও প্রতিযোগিতায় লেখকদের অংশগ্রহণ চোখে পরার মতো।  

 

শিপন:- পুরস্কার হিসেবে ১৫০০০ টাকার বই। এমন দারুণ পুরস্কারের কথা মাথায় এলো কিভাবে এবং কেন?

 

সুজন:- একটা গল্প বলি- ‘ক্লাস সিক্সে থাকাবস্থায় লং জাম্পে প্রথম হয়েছিলাম। পুরস্কার হিসেবে পেয়েছিলাম একটা সিরামিকের প্লেট। পুরস্কার নিয়ে বাড়িতে আসার সময় আব্বুকে বলেছিলাম- ‘আমার প্লেট চাই না আমার কমিক্সের বই চাই’। আব্বু কিনে দিলো। নতুন কমিক্স পেয়ে প্লেটের কথা ভুলে গেলাম।’ আমরা গত বছর ক্রেস্ট ও সনদের পাশাাশি ৫০০০ টাকা অর্থমূল্য ঘোষণা করেছিলাম। কিন্তু এবার চেয়েছি উপহারের বাজেট আরও একটু বাড়াতে। চিন্তা করতে করতে আমার ছোট বেলার ‘প্লেট’ থিউরিটা মাথায় এসে যায়। তার উপর করোনা পরিস্থিতিতে বইয়ের বিপণনে বাঁধা তো রয়েছেই। তাই এবার ৪ জন সেরা লেখকের প্রতি জনকে উপহার হিসেবে ক্রেস্ট ও সনদের পাশাপাশি আমরা দিচ্ছি লেখককে তার নিজের বই। যার মূল্য ১৫০০০ টাকা।

 

শিপন:- করোনা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২১ অনুষ্ঠিত হবার সম্ভাবনা আছে কি? আপনার কি মনে হয়?

 

সুজন:- ২০২১ সালে গ্রন্থমেলা হলেও আগের জৌলুশ নাও থাকতে পারে। তাই আমরা অনলাইনে বই বিক্রয়ের দিকে নজর দিয়েছি। তারপরেও আমরা আশা হারাইনি। আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দেখা যাক কি হয়।

 

শিপন:- ২০২১ গ্রন্থমেলায় কি পাণ্ডুলিপি পুরস্কার ছাড়াও অন্যান্য মৌলিক গ্রন্থাবলী প্রকাশ করা হবে?

 

সুজন:- পাঠক বাড়ছে। চাহিদা অনুযায়ী এখন দরকার বেশ কিছু ভালো বই। পুরস্কারপ্রাপ্ত বইগুলোর পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধ, ইতিহাস-ঐতিহ্য, জীবনী, প্রত্নতত্ত্ব, অনুবাদ ও নন ফিকশন বইকে গুরুত্ব দিচ্ছি। 

 

শিপন:- আপনি একজন প্রকাশক। প্রকাশনের কাজ করতে গিয়ে কখনও কি লেখালেখি করতে ইচ্ছে করেছে বা করে?

 

সুজন:- চতুর্থ শ্রেণিতে পড়াকালীন স্কুল ম্যাগাজিনে আমার একটি ছড়া প্রকাশ পায়। অষ্টম শ্রেণিতে পড়াকালীন সেই স্কুল ম্যাগাজিনের সম্পাদনা পর্ষদের দায়িত্ব পালন করি। গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকটি বাৎসরিক সংকলনে আমার লেখা ছড়াকবিতা প্রকাশ হয়েছে। একটা কিশোর উপন্যাস ও একটি নন-ফিকশন পাণ্ডুলিপি প্রায় রেডি।

 

শিপন:- প্রকাশনা জগতে প্রবেশের অনুপ্রেরণা কিভাবে?

 

সুজন:-  ফিকশন বইয়ের প্রতি স্কুলে পড়াকালীন থেকেই টান ছিল। উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর স্নাতক পড়াকালীন ২০০৯ সালে বাবার ব্রেইন স্ট্রোক হয়। তখন থেকেই মামার প্রেসে বসা হতো। সেই সময় বেশ কয়েকটি প্রকাশনীর সাথে সরাসরি কাজ করার সুযোগ হয়। ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠা করি আমার নিজস্ব প্রিন্টিং ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান চারুকলা কম্পিউটার এন্ড প্রিন্টার্স। এরপর ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠা করি সৃজনশীল প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অক্ষরবৃত্ত প্রকাশন।

 

শিপন:- অক্ষরবৃত্তের বইগুলো খুবই পাঠকপ্রিয়। প্রকাশনের লেখকদের উদ্দেশ্যে আপনার মতামত কি?

 

সুজন:- অক্ষরবৃত্ত প্রকাশনীর বেশিরভাগ লেখকই তরুণ ও প্রতিভাবান। তাদের কারণেই অক্ষরবৃত্ত প্রকাশনীর বইগুলোর এত সুনাম। সরকারিভাবে বই কেনা প্রকল্পের প্রতিটিতেই অক্ষরবৃত্তের বই নির্বাচিত হচ্ছে। যা লেখক প্রকাশক দুজনের জন্যই সুখের।

 

শিপন:- দেশে অনেক প্রকাশনী আছে যা নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর বেশি জোড় দিয়ে থাকে। লেখালেখির কোন কোন বিষয়ের ওপর অক্ষরবৃত্ত জোড় দিয়ে থাকে?

 

সুজন:- বই প্রকাশের ক্ষেত্রে আমরা নতুন নলেজ খুঁজি। নতুন লেখক, নতুন বিষয়কে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকি।

 

শিপন:- প্রিয় লেখক?

 

সুজন:- হুমায়ূন আহমেদ, রকিব হাসান, সমরেশ মজুমদার, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

 

শিপন:- করোনা পরিস্থিতিতে প্রকাশনা শিল্পে কেমন প্রভাব পরেছে বলে আপনি মনে করেন?

 

সুজন:- ব্যবসায় একেবারে বন্ধ। বই ছাপানো, বিক্রয় সব বন্ধ।  অনলাইনেও বিক্রি বন্ধ। আমাদের অক্ষরবৃত্ত প্রকাশনও এর বাইরে নেই। অফিস ও সকল প্রকারের লেনদেন এখন বন্ধ রয়েছে। সারা বাংলাদেশের বুকশপ, লাইব্রেরী ও অনলাইন বুকশপগুলো থেকে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় এক থেকে দেড় লাখ টাকার মতো বিক্রি হয়। এটা পুরোপুরি বন্ধ। কাজেই অন্যান্য বই ব্যবসায়ীর মতোই আমরাও ভয়ঙ্কর সমস্যার মুখোমুখি। দুই মাস বন্ধ থাকায় এটার ধাক্কা আসবে সরাসরি। এখন ৪ মাসের ব্যবস্থাপনা খরচ মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

 

শিপন:- যদি প্রকাশক হবার সৌভাগ্য না হতো তাহলে আপনি কি হতেন?

 

সুজন:- আমার বাবা চাকুরীর পাশাপাশি মঞ্চে অভিনয় করতেন। ওস্তাদ রেখে বাবা আমাকে গানও শিখিয়েছিলেন। প্রকাশক না হলে অভিনেতা কিংবা গায়ক হতাম।

 

শিপন:- প্রকাশক হবার দরুণ আপনার দায়বদ্ধতাগুলো কি কি?

 

সুজন:- একজন তরুণ প্রকাশক হিসেবে তরুণ লেখকদের প্রিয় শব্দগুলো মলাটবদ্ধ করতে আমি খুবই যত্নশীল। তরুণদের লেখা ভালো পাণ্ডুলিপি পেলে আমি ভীষণ আগ্রহ নিয়ে তা প্রকাশ করি। কারণ আমি বিশ্বাস করি আজকের তরুণ লেখকরাই আগামী দিনের বাংলা সাহিত্যকে নেতৃত্ব দেবে।

 

শিপন:- আপনি খুব অল্প সময়ে প্রকাশনা জগৎে নিজের অবস্থান গড়ে নিয়েছেন। স্বল্প সময়ের এই জনপ্রিয়তা আপনাকে ঠিক কিভাবে প্রভাবিত করেছে?

 

সুজন:-  ২০১৮ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর বইমেলায় বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছি। পাশাপাশি আরো অনেক সংগঠন থেকে পেয়েছি সম্মাননা। সত্যি বলতে কি এসব পুরস্কার বা সম্মাননা আমাকে খুব একটা প্রভাবিত করে না। আমি ধীরে সুস্থে চিন্তা-ভাবনা করে কাজ করতে পছন্দ করি। প্রতি বছর নেয়া টার্গেটগুলো আস্তে আস্তে পূরণ করার চেষ্টা করি।

 

শিপন:- তরুণ লেখকদের উদ্দেশ্যে আপনার দিকনির্দেশনা কি?

 

সুজন:- লেখার ক্ষেত্রে নিজের ইউনিক স্টাইল বজায় রাখো। ব্যর্থতা ও সমালোচনা গ্রহণের জন্য প্রস্তুত থাকো। প্রতিদিন কিছু না কিছু লিখো। লেখার পর বারবার রিভিশন দাও এবং যেকোনো অংশ কেটে বাদ দেয়ার সাহস রাখো।

 

শিপন:- এইসময়ের বেশিরভাগ লেখকই গ্রন্থমেলায় বই প্রকাশের জন্য ঝুঁকছে। এই ক্ষেত্রে আপনার মত কি? বইমেলার পরেও বই প্রকাশিত হওয়াকে আপনি সমর্থন করেন?

 

সুজন:- বইমেলা উপলক্ষে বই প্রকাশের অনেক কারণ আছে। সারা বছর যতই কাপড় কিনি না কেন, ঈদের সময় আমাদের নতুন পায়জামা পাঞ্জাবি লাগবেই। এটা যেন নিয়ম হয়ে গেছে। সুতরাং সারা বছর যতই বই বের হোক না কেন, বইমেলাতে লেখকেরা চায় তার একটা বই প্রকাশ হোক। যার সারা বছর প্রকাশ হয়নি, সেও চায় মেলায় তার বই আসুক। বই প্রকাশটা আমি দোষের কিছু দেখি না। তবে এই বই প্রকাশটা মেলার ছয় মাস আগে শুরু করা দরকার। তাহলে বইয়ের প্রতি যত্ন নেওয়া যায়। যদিও মৌসুমভিত্তিক না হয়ে সময় নিয়ে ভালো বই করাই প্রতিটি প্রকাশনীর লক্ষ্য হওয়া সমীচীন।

 

শিপন:- অধিকাংশ প্রকাশনী লেখক থেকে টাকা নিয়ে বই করে। এটাকে আপনি কিভাবে দেখেন?

 

সুজন:- আমাদের দেশে বেশিরভাগ কাজের আইডিয়াগুলো বিদেশ থেকে আসে। বিদেশে বই প্রকাশের জন্য লেখক টাকা দিয়ে প্রকাশককে সহযোগিতা করে থাকেন। বাংলাদেশেও সেটা হচ্ছে, এবং সেটা দু’পক্ষের সম্মতিতেই হচ্ছে। লেখক এবং প্রকাশক দুজনেই প্রাপ্ত বয়স্ক। প্রকাশক টাকা নেন অথবা ডিমান্ড করেন আর লেখক টাকা দিতে চান অথবা দিতে বাধ্য থাকেন। বেশকিছু বই আমরা লেখক প্রকাশক যৌথ বিনিয়োগে করেছি। এক্ষেত্রে অপ্রীতিকর কিছু না হওয়ার জন্য আমরা লেখকের সাথে একটি লিখিত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে কাজগুলো সম্পাদন করি। এখানে তৃতীয়পক্ষের বলার আসলে কিছুই নেই।

 

শিপন:- করোনার এই দুঃসময়ে প্রকাশনা শিল্পের যে ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে নিতে হলে আপনার মতে সরকারের কি করা উচিত?

 

সুজন:- সৃজনশীল বই বিক্রি করে বইমেলার যে আয় তার সমপরিমাণ আয় হয় মার্চ-এপ্রিল মাসে সারাদেশে বই বিতরণের মাধ্যমে। কিন্তু করোনা ভাইরাসের সংক্রমণবৃদ্ধিরকারণে সেটি সম্ভব হয়নি। ফলে, এখন খুব খারাপ সময় পার করছেন প্রকাশকরা। প্রকাশনা শিল্পের এ ক্ষতি প্রায় ২০০-২৫০ কোটি টাকার মতো। প্রকাশনা ব্যবসার সঙ্গে যেসব মন্ত্রণালয় জড়িত তাদের কাছে আমার আবেদন- তাদের অধীনস্থ সংস্থার মাধ্যমে যেন আমাদের বই ক্রয় করা হয়। এই ক্রয়ের বাজেটের পরিমাণ খুব অল্প, এটা বাড়াতে হবে। সারাদেশে পাঠাগারগুলো চালু করতে হবে। এগুলো যদি করা হয় তাহলে এই সেক্টর বেঁচে যেতে পারে।

 

শিপন:- অক্ষরবৃত্তের পাঠকদের উদ্দেশ্যে কিছু বলতে চান?

 

সুজন:- সারা বাংলাদেশে অক্ষরবৃত্তের এ পর্যন্ত প্রায় ৫০,০০০ হাজার পাঠক তৈরী হয়ে গেছে। পাঠকরাই অক্ষরবৃত্তের প্রাণ। এই পাঠকদের নিয়ে বহুদূর হেঁটে যেতে চাই। পাঠকদের চাহিদার কথা চিন্তা করে আমরা তৈরী করেছি অক্ষরবৃত্ত লেখক পাঠক ফোরাম নামে একটি ফেসবুক প্লাটফর্ম। যার মাধ্যমে আমরা চেষ্টা করছি লেখক, পাঠক ও প্রকাশকের মেলবন্ধন তৈরী করা। 

 

শিপন:- আপনি আরও এগিয়ে যান। জাতীয় দৈনিক সরেজমিন বার্তার পক্ষ থেকে আপনার জন্য রইল অফুরান শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা।

 

সুজন:- ধন্যবাদ।

...
MD. Shajalal Rana(SJB:E078)
Mobile : 01881715240

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোহাম্মদ বেলাল হোছাইন ভূঁইয়া
01731 80 80 79
01798 62 56 66

প্রধান কার্যালয় : লেভেল# ৮বি, ফরচুন শপিং মল, মৌচাক, মালিবাগ, ঢাকা - ১২১৯ | ই-মেইল: news.sorejomin@gmail.com , thana.sorejomin@gmail.com

...

©copyright 2013 All Rights Reserved By সরেজমিনবার্তা

সর্বশেষ সংবাদ