+

"আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস"

সরেজমিনবার্তা | নিউজ টি ৫ দিন ১৭ ঘন্টা ৪৪ সেকেন্ড আগে আপলোড হয়েছে। 835
...

 

 

শিপন না,স্টাফ রিপোর্টার:- আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস। প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্বব্যাপী সামাজিক কর্মোদ্যোগ আর জনসচেতনতার মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতার লক্ষ্যে এই দিবস পালন করা হয়। এই দিনটিতেই জাতিসংঘের মানবিক পরিবেশ কনফারেন্স (United Nations Conference on the Human Environment) শুরু হয়েছিল। এই কনফারেন্স হয়েছিল ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দের ৫ থেকে ১৬ জুন অবধি। এই কনফারেন্স ঐ বছরই চালু করেছিল জাতিসংঘের সাধারণ সভা। তখন থেকেই প্রতি বৎসর এই দিবস পালিত হয়ে আসছে। বিশ্ব পরিবেশ দিবস প্রথম পালিত হয় ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে। প্রতি বছরই দিবসটি আলাদা আলাদা শহরে, আলাদা আলাদা প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে পালিত হয়। মূলত, এই দিবসটি ধরিত্রী দিবসের অনুগামী।

 

আমরা জানি, পরিবেশ মানবসভ্যতার এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সভ্যতার ক্রমবিকাশ থেকেই মানুষ ধীরে ধীরে গড়ে তুলেছে তার পরিবেশ। মানুষের রচিত পরিবেশ তারই সভ্যতা-বিবর্তনের ফসল। পরিবেশই প্রাণের ধারক, জীবনীশক্তির যোগানদার। যুগে যুগে পরিবেশ বা পারিপার্শ্বিকের সঙ্গে প্রাণীর মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতার ওপরেই তার অস্তিত্ব নির্ভরশীল। পরিবেশ প্রতিকূল হলে জীবের ধ্বংস ও সর্বনাশ অবশ্যম্ভাবী। পরিবেশের বিরুদ্ধতা বেঁচে থাকার পথকে অবলীলাক্রমে রুদ্ধ করে। পরিবেশের ওপর সম্পৃক্ত হয়ে মানুষ, অন্যান্য উদ্ভিদ ও প্রাণী-জীবনের বিকাশ ঘটে। তাই পরিবেশ ও মানুষের মধ্যে রয়েছে এক নিবিড় যোগসূত্র। কিন্তু নানা কারণে পরিবেশ দূষণ সমস্যা প্রকট হওয়ায় মানবসভ্যতা আজ চরম হুমকির সম্মুখীন। এ থেকে মুক্তির উপায় নিয়ে চলছে নানা গবেষণা। এ ব্যাপারে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে জাতিসংঘ ৫ জুনকে ঘোষণা করেছে ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ হিসেবে।

 

সাধারণত, ১৯৬৮ সালের ২০ মে জাতিসংঘের অর্থনীতি ও সামাজিক পরিষদের কাছে একটি চিঠি পাঠায় সুইডেন সরকার। চিঠির বিষয়বস্তু ছিল প্রকৃতি ও পরিবেশ দূষণ সম্পর্কে তাদের গভীর উদ্বেগের কথা। সে বছরই জাতিসংঘের পক্ষ থেকে পরিবেশ রক্ষার বিষয়টি সাধারণ অধিবেশনের আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরের বছর জাতিসংঘের পক্ষ থেকে পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা এবং সমাধানের উপায় খুঁজতে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর সম্মতিতে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে ১৯৭২ সালের ৫ জুন থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনটি ইতিহাসের প্রথম পরিবেশ-বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের স্বীকৃতি পায়। ১৯৭৩ সালে সম্মেলনের প্রথম দিন ৫ জুনকে জাতিসংঘ 'বিশ্ব পরিবেশ দিবস' হিসেবে ঘোষণা দেয়। ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতিবছর দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে।

 

বাংলাদেশও তার ব্যাতিক্রম নয়। নানান উৎসাহ উদ্দীপনায় এই দিবসটি পালন করা হয়। শুধুমাত্র সেই দিনটি পালন করা হলেও অন্যান্য দিনগুলোতে আমাদের পরিবেশ বিভিন্নভাবে দূষিত করা হচ্ছে। এতে ক্ষতি হচ্ছে আমাদের পরিবেশের। দূষণের বিভিন্ন কারণ রয়েছে। যেমন:-

 

★জনসংখ্যা বৃদ্ধি

★দ্রুত শিল্পায়ন 

★অপরিকল্পিত নগরায়ন

★বনভূমি উজাড়

★বনভূমির অপরিকল্পিত ব্যবহার

★কলকারখানার বর্জ্য পদার্থ

★ গাড়ির বিষাক্ত ধোঁয়া

★ প্রাকৃতিক সম্পদের অপব্যবহার

★ সার ও কীটনাশকের ব্যবহার

★ প্লাস্টিক

★ ওজন স্তরের ক্রমান্নতি

★ এসিড বৃষ্টি

★ দারিদ্রতা

★ অপরিকল্পিত দালান নির্মাণ

★ প্রসাধন সামগ্রী

★ শব্দ,বায়ু,মাটি,পানি দূষণ

 

যুগ যুগ ধরে চলে আসা মানব সভ্যতা একদিন প্রকৃতিকে জয় করার নেশায় মেতেছিল। পরিবেশ বা প্রকৃতির ওপর অমানবিক তান্ডব চালিয়ে ধ্বংসলীলায় পরিণত করেছে। কিন্তু প্রকৃতিকে জয় করেও মানুষের সেই নেশার অবসান হয় না। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষ জলে স্থলে মহাশূন্যে আধিপত্য বিস্তার করেছে। কিন্তু মানুষের এই বিজয় মানুষকে এক পরাজয়ের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।

 

 আজ আমরা এক ভয়ঙ্কর সংকটের মুখোমুখি। এ সংকট কোনো বিশেষ দেশের নয়, বিশেষ জাতির নয়। এ সংকট আজ বিশ্ব জুড়ে। বিশ্বের পরিবেশ আজ নানাভাবে দূষিত। এই করোনাকালে প্রকৃতি যদিও তার নিজস্ব রুপে ধরা দিয়েছে মানুষের কাছে কিন্তু তারপরেও সেই পরমা সুন্দর প্রকৃতির ধ্বংসযজ্ঞে মেতে উঠেছে মানুষ। যার কারণে দূষণ আজ মানবসভ্যতাক৷ ভয়ঙ্কর ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। সেই ভয়াবহ দিনের কথা স্মরণ করে  আজ বিশ্বের মানুষ এগিয়ে এসেছে। ৫ জুন সেই বিশেষ দিন। এই দিন সব দেশের ঐক্যবদ্ধভাবে সক্রিয় হওয়ার দিন। কিন্তু তার মেয়াদ আর কতদিন? দুদিন বাদে আবার সেই প্রকৃতিকেই ধ্বংস করার জন্য তারা উঠেপরে লাগবে।

 

ভয়াবহ পরিবেশ-দূষণের কবলে পড়ে আজ বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ শঙ্কায় ধুঁকছে। অপেক্ষা করছে এক মহাধ্বংস। আজ জলে বিষ। বাতাসে আতঙ্ক। মাটিতে মহাত্রাস। মহাকাশে বিপদ সংকেত। বিগত কয়েক বছরে ৭৬টির বেশি প্রজাতির প্রাণী নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। কয়েক’শ প্রজাতির গাছপালা বিলুপ্ত। আমাদের অর্থনৈতিক উন্নতি হয়েছে। এ পরিণামে বাতাসে প্রতিবছর ২০ কোটি টন কার্বন মনোক্সাইড সঞ্চিত হচ্ছে। বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড, সালফার ডাইঅক্সাইড, গ্যাসের আনুপাতিক হার ক্রমশ বাড়ছে। তার ফলে বৃষ্টির জলে অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি হচ্ছে। এই অ্যাসিড বর্ষণ অরণ্যে মহামারীর সৃষ্টি করছে। খাদ্যশস্যকে বিষাক্ত করছে। দ্রুত গতিতে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে সবুজ অরণ্য। সারা বিশ্বে বর্তমান মোট ৮০ শতাংশ হল গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অরণ্য। এর মধ্যে প্রতি মিনিটে ২০ হেক্টর কৃষিযোগ্য জমি বন্ধ্যা হয়ে গেছে। প্রতিবছর ৭০ লক্ষ হেক্টর জমি মরুভূমি হয়ে যাচ্ছে। প্রতি মিনিটে ৪৫ হেক্টর উর্বর জমি বালুকাকীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। প্রতিবছর বাতাসে বিপুল পরিমাণ অক্সিজেন কমছে। বিজ্ঞানের অপব্যবহারে ভূ-প্রকৃতির ওপর অত্যাচার বাড়ছেই। শস্য রক্ষার জন্য নানা ধরনের কীটনাশক ওষুধ তৈরি ও প্রয়োগ হচ্ছে। এইসব বিপজ্জনক রাসায়নিক দ্রব্যের অনুপ্রবেশ ঘটছে মানুষের শরীরে। পরিবেশ দূষণের জন্য পৃথিবীর ৮০ শতাংশ নতুন নতুন রোগের সৃষ্টি হচ্ছে। পরিবেশ দূষণ অব্যাহত থাকলে বৈজ্ঞানিকদের আশঙ্কা পৃথিবীপৃষ্টের উষ্ণতা এক-দুই ডিগ্রি বেড়ে বা কমে যেতে পারে। এর ফলে পৃথিবীর বহু জায়গা ভেসে যাবে বা প্রচণ্ড তুষারপাতে জমাট বেঁধে যাবে। বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তরের আয়তন ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছে। ফলে সূর্যের মারাত্মক অতিবেগুনি রশ্মি প্রাণিজগৎকে স্পর্শ করবে। দূষণের ফলে উদ্ভিদ ও জীবজগৎ আজ বিপন্ন। সমুদ্রে-নদীতে-জলাশয়ে মাছের সংখ্যা কমছে। মাছের নানা রোগ দেখা দিচ্ছে।

 

অন্যদিকে বলা যেতে পারে যে জল, মাটি, বায়ু ছাড়া আমাদের জীবন অচল। পরিবেশের এসব উপাদান ছাড়া আমরা কিছুতেই বেঁচে থাকতে পারব না। আমাদের জীবন নুইয়ে পরবে সেই লজ্জাবতী গাছের মত। কারণ, পরিবেশের এসব উপাদানের গুরুত্ব বিশ্বের প্রতিটি মানুষের জন্য অপরিসীম। বিশ্ব পরিবেশকে টিকিয়ে রাখতে হলে সবচেয়ে জরুরি হলো, বিশ্বপরিবেশ সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা। সচেতন করা পরিবেশ দূষণের ভয়াবহতা সম্পর্কে। এ দিনটিতে শুধু বক্তৃতা বা আলোচনায় একমাত্র লক্ষ্য নয়। প্রয়োজন দিনটির গুরুত্ব উপলব্ধি করা। বিশ্বের প্রতিটি রাষ্ট্রই প্রয়োজনীয় কর্মসূচি গ্রহণ করে দিনটিকে তাৎপর্যমণ্ডিত করে তুলবে।পরিবেশদূষণ থেকে মুক্তির নতুন উপায় উদ্ভাবনে ব্রতী হবে। সেখানে শুধু সরকারই নয়, দেশের অগণিত মানুষের সমবেত প্রয়াসেই সেই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে। পরিবেশদূষণ রোধ করতে সেখানে নিরন্তর ব্যাপক, সুচিন্তিত কর্মসূচি গ্রহণ ও তা কার্যকর হচ্ছে। ভয়াবহ এই পরিবেশ দূষণের পরিপ্রেক্ষিতে, পরিবেশ দিবস উদযাপনের আহ্বান প্রকৃতপক্ষে সমবেতভাবে বিশ্ববাসীকে দূষণবিরোধী কাজে ঝাঁপিয়ে পরারই আহ্বান। এ একটি নির্দিষ্ট আচরণবিধি ও কর্মকাণ্ডে স্বপ্রণোদিত আত্মোৎসর্গের আহ্বান। যুদ্ধ নয় শান্তি , প্রকৃতির ধ্বংস নয়, তাকে শ্যামল সবুজ করে তোলা। এই হল বিশ্বদিবসের তাৎপর্য ও গুরুত্ব।

 

 জাতিসংঘ প্রতিবছর এই দিনটিতে পরিবেশ সম্পর্কে পৃথিবীর মানুষকে সজাগ হওয়ার ডাক দেয়। এ জন্যে দেশে দেশে প্রয়োজনীয় নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। চলতি করোনা পরিস্থিতির কারণে যদিও বিশ্ব থমকে গেছে তারপরেও মানুষ চেস্টা করছে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে পরিবেশের প্রতি নিজেদের কর্তব্য তুলে ধরার। আমরা জানি, প্রতিবছরই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে অগণিত মানুষের জীবন শেষ হয়ে যাচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে সম্পত্তি। ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত, খরা, বন্যার শেষ নেই। বিজ্ঞানীদের চিন্তা ধ্বংসের এই তাণ্ডবলীলার মাত্রা কমিয়ে আনার উপায় উদ্ভাবন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসবেই। সেজন্যে আগাম সংবাদ দিয়ে সবাইকে সতর্ক করে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দুর্যোগের কারণ অনুসন্ধানের সঙ্গে সঙ্গে তার ভয়াবহ প্রতিফল কমিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাদি গ্রহণ করতে হবে। দুর্গতদের জন্যে সর্বপ্রকার সাহায্যের বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা চাই। সব দেশেই আজ পরিবেশ দিবসের গুরুত্ব স্বীকার করা হয়েছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে পিছিয়ে যায়নি বাংলাদেশেও। প্রতিবছর ৫ জুন বিশ্বপরিবেশ দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়। পরিবেশ রক্ষায় বিশ্বের মানুষ আজ এগিয়ে এসেছে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশও নিশ্চুপ হয়ে বসে নেই। কিন্তু তারপরেও বলা যায় পরিবেশ রক্ষায় বাংলাদেশ পিছিয়ে রয়েছে। এখনও এদেশের মানুষের মধ্যে পরিবেশদূষণের ভয়াবহতা সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট ধারণা নেই। পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব পালনে সে উদাসীন। আজও অরণ্য বিনাশে মানুষ উৎসাহী। তার সজীব, নির্জীব ও ভৌত পরিবেশ নানাভাবে দূষিত। যত্রতত্র কলকারখানা গড়ে উঠছে। বায়ু দূষিত হচ্ছে। পানিতে বিষের পরিমাণ বাড়ছে। পরিবেশ রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল অরণ্য-ধ্বংস বন্ধ করা, ভূমিক্ষয় রোধ করা। একটি দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য মোট ভূমির শতকরা ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, আমাদের দেশে মোট ভূমির মাত্র ১৬ ভাগ বনভূমি রয়েছে যা দেশের প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। তবে এটি সরকারি হিসেব, প্রকৃত-প্রস্তাবে বনভূমির পরিমাণ মাত্র ৯%, আর ওয়ার্ল্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মতে মাত্র ৫%। দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বনভূমির পরিমাণ মাত্র ৩.৫%। তাই ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। দেশে সময়মতো বৃষ্টিপাত হচ্ছে না এবং অসময়ে প্রচুর বৃষ্টিপাত, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদি নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এভাবে নির্বিচারে বৃক্ষনিধনের ফলে শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বপরিবেশে দেখা দিয়েছে গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়া।

 

কিন্তু আশার কথা হলো এই যে, দেরিতে হলেও বাংলাদেশে পরিবেশ সচেতনতা বাড়ছে। প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বা হচ্ছে। এখানেও সমারোহ সহকারে পরিবেশ দিবস উদযাপিত হচ্ছে। পরিবেশ রক্ষায় জনগণের সক্রিয় সহযোগিতার কথা বলা হচ্ছে। সারা দেশে বিভিন্ন এনজিও বা সমাজসেবামূলক সংগঠনের মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে।

 

৫ জুন। প্রতিবছরই দিনটি আসে। প্রতিবারেই দিনটি বিশ্ব এবং মনুষ্য বিবেককে নাড়া দিয়ে যায়। এই দিনে বিশ্বের মানুষ নতুন করে শপথ গ্রহণ করে। অনুভব করে পরিবেশ সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তা। এই দিনেই বিশ্বের মানুষ একটি নির্দিষ্ট আচরণবিধি মেনে নেওয়ার তাগিদ অনুভব করে। পরিকল্পিত কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পরিবেশ দূষণের মহা আতঙ্ক থেকে বাঁচতে চায়। এই দিনেই সব দেশের মানুষ এক নির্দিষ্ট কর্মসূচিতে একত্রিত হয়। পৃথিবীকে বাসযোগ্য করার অঙ্গীকারে বদ্ধ হয়। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে প্রকৃতি কিংবা পরিবেশ যেভাবে তার নিজস্ব রুপ ধারণ করেছে, মানুষ তা হারে হারে টের পাচ্ছে। তারা বুজতে পারছে, পরিবেশই হলো মানব সভ্যতার চালিকা শক্তি। পরিবেশ ঠিক থাকলেই মানুষ ঠিক থাকবে।

 

...
MD. Shajalal Rana(SJB:E078)
Mobile : 01881715240

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোহাম্মদ বেলাল হোছাইন ভূঁইয়া
01731 80 80 79
01798 62 56 66

প্রধান কার্যালয় : লেভেল# ৮বি, ফরচুন শপিং মল, মৌচাক, মালিবাগ, ঢাকা - ১২১৯ | ই-মেইল: news.sorejominbarta@gmail.com , thana.sorejominbarta@gmail.com

©copyright 2013 All Rights Reserved By সরেজমিনবার্তা

সর্বশেষ সংবাদ