+

রবিউস সানি মাসের তাৎপর্য ও আমল

সরেজমিনবার্তা | নিউজ টি ১১ দিন ১ ঘন্টা ৭ সেকেন্ড আগে আপলোড হয়েছে। 510
...

এটি রবিউল আউয়াল মাসের জোড়া মাস। ‘রবি’ অর্থ বসন্ত আর ‘আউয়াল’ অর্থ প্রথম, ‘সানি’ অর্থ দ্বিতীয়, ‘আখির’ অর্থ শেষ বা অন্য। রবিউস সানি অর্থ হলো বসন্তকালের দ্বিতীয় মাস বা অন্য বসন্ত। মহানবী (সা.)-এর দুনিয়াতে আগমনের মাস, হিজরতের মাস ও ওফাতের মাস রবিউল আউয়ালের জোড়া মাস হিসেবে রবিউস সানি মাসও বেশ তাৎপর্যমণ্ডিত।

রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখ আখেরি নবী ও সর্বশেষ রাসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওফাত দিবসকে ‘ফাতেহায়ে দোয়াজ-দাহুম’ বলা হয়। রবিউস সানি মাসের ১১ তারিখ ওলিকুল শিরোমণি পীরানে পীর বড়পীর খ্যাত আওলাদে রাসুল শেখ সৈয়দ মুহিয়ুদ্দিন আবদুল কাদির জিলানি (রহ.)–এর ওফাত দিবসকে ‘ফাতিহায়ে ইয়াজ-দাহুম’ বলা হয়।

সময় মানুষের জীবনের মূলধন। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আয়ু কমতে থাকে। সময়কে কাজে লাগানো তথা সময়ের সদ্ব্যবহারই জীবনের সফলতা এবং সময়ের অপচয় বা অপব্যবহার হলো জীবনের ব্যর্থতা। কোরআন কারিমে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘সময়ের শপথ! সকল মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। শুধু তারা ক্ষতিগ্রস্ত নয়, যারা ইমান আনয়ন করে, সৎকর্ম করে এবং সত্যের উপদেশ দেয় ও ধৈর্যে উৎসাহিত করে।’ (সুরা-১০৩ আসর, আয়াত: ১-৩)।

বিশেষ সময়ের বিশেষ ফজিলত বর্ণিত আছে কোরআন ও হাদিসে। যেমন রমজান মাস, জিলহজ মাস ও হজের তিনটি মাস, মহররম মাস ও আশহুরে হুররুম বা হারাম ও সম্মানিত চারটি মাস এবং রজব মাস ও শাবান মাস। সপ্তাহের শুক্রবার, সোমবার ও বৃহস্পতিবার। বছরের বিশেষ রাতগুলোর মধ্যে রয়েছে শবে কদর, শবে বরাত, ঈদের রাত ইত্যাদি। কিন্তু এসব ফজিলতপূর্ণ সময়ে কেউ যদি ফজিলতপ্রাপ্তির আমল না করেন, তবে তা তাঁর জন্য ক্ষেত্রবিশেষ ক্ষতির কারণই হবে। যেমন রমজান পেয়ে ক্ষমাপ্রাপ্তি লাভে ব্যর্থ ব্যক্তির জন্য নবী করিম (সা.) আল্লাহর অভিশম্পাতে সম্মতি দিয়ে ‘আমিন’ বলেছেন। (তিরমিজি: ৩৫৪৫, মুসনাদে আহমদ: ১২৯৮, সহিহ আলবানি: ১৬৭৯)।

অতি সাধারণ সময়ও বান্দার ইখলাস ও তাকওয়াপূর্ণ সুন্নাতভিত্তিক নেক আমল ও ত্যাগ–তিতিক্ষা এবং শুভ উদ্যোগ ও সফল সার্থক অবদানের কারণে পুণ্যময় হয়ে ওঠে। হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ রোজা পালন করতেন। এই আমল তিনি কখনো পরিত্যাগ করেননি। (জামিউস সগির ও সহিহ বুখারি: ১৯৭৫)। এই রোজাকে ‘আইয়ামে বিদ’–এর রোজা বলা হয়। কারণ এই সময় পৃথিবী জ্যোৎস্নার শুভ্র আলোয় উদ্ভাসিত থাকে এবং এই রোজার মাধ্যমে বান্দার অন্তর আলোকিত হয়। সপ্তাহে প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার প্রায়ই নবীজি (সা.) রোজা রাখতেন। কারণ, এই দুই দিন বান্দার আমল আল্লাহর দরবারে পৌঁছানো হয়। বিশেষত সোমবারে হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওহিপ্রাপ্তির শুকরিয়াস্বরূপ তিনি এই আমল করতেন। (সহিহ মুসলিম: ২৫৬৫, সহিহ আলবানি: ২৩৫৭)।

প্রতিটি মাসের শুরু এবং শেষ বিশেষ দোয়া–কালাম ও নামাজ, রোজা এবং বিশেষ নেক আমলের মাধ্যমে পালন করা নবীজি (সা.)-এর সুন্নাত। আমল দ্বারা সময়কে রঙিন করা ও জীবনকে সাজানো বুদ্ধিমানের কাজ।  সকল কে কবুল করুক আমিন। 

...
Md. Noorul Abchar Vnuiya(SJB:E564)
Mobile : 01863353161

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোহাম্মদ বেলাল হোছাইন ভূঁইয়া
01731 80 80 79
01798 62 56 66

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক
আল মামুন
01868974512

প্রধান কার্যালয় : লেভেল# ৮বি, ফরচুন শপিং মল, মৌচাক, মালিবাগ, ঢাকা - ১২১৯ | ই-মেইল: news.sorejomin@gmail.com , thana.sorejomin@gmail.com

...

©copyright 2013 All Rights Reserved By সরেজমিনবার্তা

Family LAB Hospital
সর্বশেষ সংবাদ