+

ইসলামের দৃষ্টিতে অপরাধ বৃদ্ধির মূল কারণ ও প্রতিকার।

সরেজমিনবার্তা | নিউজ টি ১১ দিন ১৩ ঘন্টা ৫৫ সেকেন্ড আগে আপলোড হয়েছে। 1355
...

ক্ষুধা লাগলে পেট ভরাতে হবে। কথায় আছেনা...পেট শান্তি তো-দুনিয়া শান্তি।পেট খালি হওয়ার সাথে সাথে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়,তখন ভালো কথাও ভালো লাগেনা।সামান্য কথায় ক্ষেপে গিয়ে বলে-তুই ভাষা খারাপ করলি কেন? এই যে ঝগড়া শুরু, এক পর্যায় হাতা হাতি অবশেষে খুনের ঘটনাও ঘটছে অহরহ। তাহলে ভালো থাকার জন্য খেতে হবে,আর খাবারের ব্যবস্থা না থাকলে বাকি বা ধার দেনা,তাও না পেলে অনেক সময় চুরি করে খাবার সংগ্রহ করে পেটের চাহিদা মেটাতেও দেখা যায়।

 

যৌবনটাও অনুরূপ,পেটের ক্ষুধার মত যৌবনেরও একধরনের জালা বা ক্ষুদা আছে।আর এ ক্ষুধা নিবারণ করার বৈধ সুযোগ না পেলে মানুষ অপরাধের দিকে ঝুকেপড়ে এটিই সাভাবিক।"রসূল( দ.)বল্লেন‘‘হে যুব সমাজ! তোমাদের মধ্যে যারা সামর্থ্য রাখো, তাদের উচিত বিয়ে করে ফেলা। কেননা বিয়ে দৃষ্টি অবনতকারী ও লজ্জাস্থানকে হেফাযতকারী। আর যার সামর্থ্য নেই, তার উচিত রোজা রাখা। কেননা রোজা যৌন-উত্তেজনা প্রশমনকারী।’’ [সহিহ বুখারি: ৫০৬৬, সহিহ মুসলিম: ১৪০০]

 

মেয়েদের ক্ষেত্রেও একই তাই। ছেলেদের যৌন-চাহিদার কথা অনেক সময় দৃশ্যমান হলেও মেয়েদের লজ্জায় মুখ বন্ধ থাকে। আবার মেয়েদের যতটা-না যৌন চাহিদার প্রয়োজন তার চেয়ে বেশি প্রয়োজন এমন একজন উত্তম জীবনসঙ্গী, যার সাথে সে একান্তে সময় কাটাতে পারে।এজন্য মেয়েরা যখন বিয়ের মাধ্যমে এই সুযোগটি লাভ করতে পারে না, তখন অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে যায়।সে-দিনে দিনে লাজুকতা ও কোমলতা হারিয়ে পেলে।

বর্তমানে শুধু ছেলেদের নয়! মেয়েদেরও সঠিক সময়ে বিয়ে দেওয়া যেখানে জরুরি হয়ে পড়েছে।

অথচ আমরা ছেলেকে বিবাহ করাই এঅবস্থায় যে,আমার ছেলের আর বেশীদিন বাকি নাই টিকেটের সময় ঘনিয়ে আসছে সে অমুক তারিখে চলে যাবে তাড়াতাড়ি বিয়েটা পড়িয়েপেলি। প্রশ্ন থাকে আপনার পুত্রবধুর গোপনীয় দায়িত্ব কে নিবে?একবারো কি ভেবে দেখেছেন? আফসোস!!! এমন হত ভাগা বাবা মায়ের জন্য যারা সন্তানদের জন্য এটুকু চিন্তা পর্যন্ত করেনা,একজন রাজার কাছে মেয়ের  ভরণপোষণের কিসের অভাব? কেন রাজা মেয়েকে অন্যের হাতে তুলে দেয়? ভাত কাপড়ের জন্য? আমাদের সিদ্ধান্তে অনেক কমতি বা ভূল আছে। অতএব কারণে অপরাধ,খুন ধর্ষণ দৈনন্দিন  বেড়েই চলছে।

ইসলামী দার্শনিকদের ব্যখ্যায় একজন মানুষের অপরাধ বা গুনাহের কাজের জন্য তার একার চিন্তা যথেষ্ট নয়, সাথে আছে আরো দুই জন ইন্দন দাতা,কিন্ত বিচার হয় এক জনের এতে করে বাকি দু'জন সব সময় ধরা চোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। দুই জনের ১ম জন জিন শয়তান,২য় জন হচ্ছে নফস,-যে নাকি তিন'শ ষাট জন শয়তানের চেয়েও বেশি শক্তিশালী,এবং ৩য় জন হচ্ছে যার মাধ্যমে অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকে সে। তাই একজন ঈমানদারের পক্ষে নিজেকে সংযাত রাখা অবশ্যই খুব কঠিন কাজ। আর যারা রীতিমতো ইসলাম থেকে দূরে সরে শয়তানের বন্ধু হয়েগেছে  তাদের কাছ থেকে ভালো কি আশা করা যায়।

সকল অপরাধ ও গুনাহ হতে বাঁচার আসল উপায়ঃ

"একটি হক্কানি তরিকার একজন ওলিয়ে কামেলের সুহবতে গিয়ে বায়াতে রাসূল গ্রহণের মাধ্যমে তাযকিয়ায়ে নাফস অথবা আত্মশুদ্ধি অর্জন করে ঐ দুইজন (জিন শয়তান ও নফস)কু প্রভাব মুক্ত থাকতে হবে। আর এই আত্মশুদ্ধি অর্জনের ভাবেই বর্তমানে বড় বড় মুফতি,মোহাদ্দেস,ও মোফাচ্ছেরে কোরআনের মত উচ্চ ডিগ্রি ধারী মাওলানারাও আজ বলৎকারের মত জঘন্য অপরাধ ও পাপে লিপ্ত। আসুন আমরা সময় থাকতে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করি, অন্যথায় আল্লাহর কঠিন আজাব অচিরেই পাকড়াও করবে। আমিন।

 

লেখকঃ সাংবাদিক ও ইসলামি চিন্তক 

...
Md. Noorul Abchar Vnuiya(SJB:E564)
Mobile : 01863353161

সম্পাদক ও প্রকাশক
মোহাম্মদ বেলাল হোছাইন ভূঁইয়া
01731 80 80 79
01798 62 56 66

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক
আল মামুন
01868974512

প্রধান কার্যালয় : লেভেল# ৮বি, ফরচুন শপিং মল, মৌচাক, মালিবাগ, ঢাকা - ১২১৯ | ই-মেইল: news.sorejomin@gmail.com , thana.sorejomin@gmail.com

...

©copyright 2013 All Rights Reserved By সরেজমিনবার্তা

Family LAB Hospital
সর্বশেষ সংবাদ