• ঢাকা
  • সোমবার, জানুয়ারী ২৭, ২০২০ , মাঘ - ১৪ , ১৪২৬

কাশিয়ানীর মধুমতি বাওড়ে সেতু না থাকায় দূর্ভোগ

news-details
বাংলাদেশ

সরেজমিন ডেস্ক : কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি: মধুমতি বাওড়ে সেতু না থাকায় চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন দুই উপজেলার কয়েক হাজার মানুষ। কাশিয়ানী উপজেলার মধুমতি বাওড়ে সেতু না থাকায় এ দুর্ভোগ হচ্ছে মানুষের। বাওড়ের এক পাড়ে কাশিয়ানী উপজেলার ঘোনাপাড়া, পরানপুর, রাতইল এবং অন্যপাড়ে লোহাগড়া উপজেলার পাংখারচর, লংকারচর, পাচাইল, সুচাইল, চরসুচাইল, চরপরানপুর ও চরঘোনাপাড়া।

এসব গ্রামের শিক্ষার্থীরা কাশিয়ানী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করছে। এছাড়া হাট-বাজার, ব্যাংক-বীমা, ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসার জন্য কাশিয়ানী উপজেলার ওপর নির্ভরশীল।

এদিকে, কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের একটি ভোট কেন্দ্র ওপারে অবস্থিত। বাওড় পার হয়ে এবারের ভোটারদের ভোট দিতে ওপারে যেতে হয়। ওইপাড়ের স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থী, কর্মজীবি ও সাধারণ মানুষ প্রতিদিন ইঞ্জিনচালিত খেয়া দিয়ে এ পথে পারাপার হয়ে থাকে। বর্ষা মৌসুমে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ বাওড় পার হতে হয়।
খেয়ার জন্য ঘাটে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। এতে নষ্ট হয় সময়, দূর্ভোগে পড়তে হয় রোগীদের। খেয়ার অপেক্ষায় শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যেতে দেরি হয়ে যায়। শিশুদের পাশাপাশি বয়স্কদের জন্য খেয়া পারাপার কষ্টকর। ভাটার সময় কাঁদা মাড়িয়ে খেয়ায় উঠতে হয়। রাত ৮ টার পর খেয়া চলাচল বন্ধ থাকে।

লোহাগড়া উপজেলার পাংখারচর গ্রামের সাইফুল ইসলাম খান বলেন, ‘হাট-বাজার, ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়াসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রতিদিন মধুমতি বাওড় পার হয়ে আমাদের ওপারে যেতে হয়। কিন্তু খেয়া পার হতে ঘন্টার পর ঘন্টা ঘাটে অপেক্ষা করতে হয়। তাই একটি সেতু নির্মিত হলে আমাদের দূর্ভোগ লাঘব হতো।’

কাশিয়ানী উপজেলার তিলছড়া সৈয়াদুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী শাকিব খান, সাগর, উষা খানম জানায়, ‘প্রতিদিন খেয়া পার হয়ে ওপার থেকে লেখাপড়া করতে তাদেরকে এপাড়ে স্কুলে আসতে হয়। খেয়ার জন্য প্রায়ই স্কুলে আসতে দেরি হয়ে যায়। একটি সেতু নির্মিত হলে তাদের যাতায়াতে সহজ হবো।’

কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বি, এম হারুন অর রশিদ পিনু বলেন, আমার ইউনিয়নের একটি ভোট কেন্দ্র ওপারে। যেখানে প্রায় আড়াই শ’ ভোট রয়েছে। নির্বাচনের সময় বাওড় পার হয়ে ভোটারদের ভোট দিতে যেতে হয়। কয়েকবার সেতুর জন্য চেষ্টা করেও স্থানীয় কিছু লোকের কারণে হয়নি। একটি সেতু নির্মিত হলে জনগণের দূর্ভোগ কমবে।’

উপজেলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সুব্রত ঠাকুর বলেন, ‘মধুমতি বাওড়ের উপর একটি সেতু হওয়ার খুবই দরকার। সেতুর অভাবে মানুষের পারাপারে অনেক কষ্ট করতে হয়। তবে আমি বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষকে অবগত করবো।’

You can share this post on
Facebook

0 Comments

© 2013 All Rights Reserved By সরেজমিনবার্তা