অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ প্রত্যাহার করছে সুইডেন

news-details
আন্তর্জাতিক

উপ-প্রধান প্রসিকিউটর ইভা ম্যারি পারসন জানান, বাদীর সাক্ষ্য নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হচ্ছে। তবে প্রায় এক দশক পর প্রত্যক্ষদর্শীদের স্মৃতি ঝাপসা হয়ে গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘একটি বিস্তৃত পর্যালোচনার পর প্রাথমিক তদন্তে যা এসেছে সে অনুযায়ী, আমি যে মূল্যায়ণ করেছি তাতে অভিযোগপত্র দাখিলের জন্য যথেষ্ঠ শক্তিশালী সাক্ষ্য-প্রমাণ নেই।’

২০১০ সালে অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে সুইডেনে মামলা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তরের আশঙ্কায় ২০১১ সালে ব্রিটিশ পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। কিন্তু ওই বছরই যৌন হয়রানির অভিযোগে ইউরোপে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে সুইডেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালের জুনে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে ইকুয়েডরের দূতাবাসে আশ্রয় নেন তিনি। গত এপ্রিলে অ্যাসাঞ্জকে দেওয়া আশ্রয় প্রত্যাহার করে নেয় ইকুয়েডর।

You can share this post on
Facebook

0 Comments

© 2013 All Rights Reserved By সরজমিনবার্তা