যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণে আলোচনায় শীর্ষে যারা

news-details
রাজনীতি

মো.তারেক হোসেন বাপ্পিঃ আসন্ন যুবলীগের ৭ম জাতীয় কংগ্রেসকে সামনে রেখে বৃহত্তর সংগঠন"বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ"কে ঢেলে সাজানোর প্রস্তুতি চলছে। 'বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের'  এই ঢেলে সাজানোর প্রস্তুতিকে স্বাগত জানিয়েছেন ‘বঙ্গবন্ধু’র তৃণমূলে রাজপথের আদর্শ পরিশ্রমী সৈনিকসহ সাধারন জনগণ। যেসময় চলছে রাজধানীসহ সারা দেশব্যাপী ক্যাসিনো,চাঁদাবাজি,টেন্ডার বাজী এবং দখলবাজীর বিরুদ্ধে বিশেষ শুদ্ধি অভিযান। এই বিশেষ শুদ্ধি অভিযানকে অতিক্রম করে সকল সমালোচনাকে ডিঙিয়ে  ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের জনপ্রিয়তার আলোচনায় রয়েছেন বিশেষ কয়েকজন ব্যক্তিবর্গ। 

১। হারুন অর রশিদ, ত্যাগী,পরিশ্রমী,সাহসী রাজপথের লড়াকু সৈনিক হারুন অর রশিদ যিনি বর্তমানে যুবলীগের দক্ষিনে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়ীত্ব পালন করছেন। তৃণমূলের মাঠ পর্যায় থেকে বর্তমানে এ পদে রয়েছেন এবং যাকে সাধারণ জনগণ যুবলীগ দক্ষিণের আরো শীর্ষ পদে দেখতে চান। অনুসন্ধানে জানা যায়, সাধারণ জনগণ  হারুন অর রশিদ কে যুবলীগ দক্ষিণের শীর্ষ পদে দেখতে চাওয়ার মূল কারণ পূর্বের ইতিহাস অর্থাৎ তার রাজনৈতিক পরিচয় সহ বিস্তারিত সকল কর্মকান্ড। ছোট বেলা থেকেই রাজনীতি শুরু করেন হারুন অর রশিদ । পারিবারিক সূত্রে আওয়ামীলীগ করে বড় হয়ে উঠেছেন এই যুব নেতা। ১৯৮৭ সালে কলেজ জীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে তার পথ চলা শুরু। ১৯৮৮ সালে সাবেক ৩৩ নং ওয়ার্ড এর সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন তরুন এই যুব নেতা। ১৯৯৬ সালে ৮৬ নং ওয়ার্ড  (বর্তমান ৫০) নং ওয়ার্ড  আওয়ামীলীগ আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। 

২০০৩ সালে ডেমরা থানা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া এরশাদ বিরোধী   অগ্নিঝড়া আন্দোলনে দলের ব্যাপক ভূমিকা পালন করেন এই নেতা।
আওয়ামী লীগের দুর্দিনে পুলিশের নির্যাতন সহ চার বার কারাবরণ করেন হারুন অর রশিদ ।তিনি আশাবাদী যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে দক্ষিণ যুবলীগের  দায়ীত্ব দেয় তাহলে তা যথাযথ ভাবে পালন করবেন।তিনি আরো মত প্রকাশ করেন রাজনীতি মানেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে কাজে লাগিয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।স্থানীয় এলাকাবাসীর অনেকেই তাকে যুবলীগের শীর্ষ পদে দেখার অতি আগ্রহ প্রকাশ করেন।

২। আলী আকবর বাবুল, যিনি বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিন শাখার চলমান কমিটির সহ - সভাপতি। আলী আকবর বাবুল এর জনপ্রিয়তার যেন কোন কমতি নেই। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সিটি এলাকার অধিকাংশ জায়গা জুড়ে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা ও আলোচনায় অতি পরিচিত মুখ হিসাবে রয়েছেন এই যুবনেতা। আওয়ামী এই যুবনেতা "আলী আকবর বাবুল" দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে যোগদান করে পরিশ্রমী নেতা হিসাবে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৮৫ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ৪১ নং ওয়ার্ড (সাবেক ৭৭) এর যুবলীগের  আহবায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।এরপর ১৯৯৬ থেকে ২০০৩ সাল পযর্ন্ত এই ওয়ার্ডের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। আওয়ামীলীগের সকল সংগ্রামী কার্যক্রমের সময় ছিলেন সবার আগে।

তার পরিশ্রম, সাহস,ত্যাগ ও ভালবাসার বিনিময়ে যুব সংগঠক এই যুবনেতাকে ২০০৩ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত যুবলীগ দক্ষিণের সহ - সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং ফের ২০০৯ থেকে এখনো চলমান রয়েছে তার সহ - সভাপতির দায়িত্ব। বর্তমান সামাজিক ও রাজনৈতিক পেক্ষাপট অনুযায়ী দেশের বিশেষ শুদ্ধি অভিযান চলাকালীন সময়ে এই নেতার বিরুদ্ধে নেই কোন ক্যাসিনো চাঁদাবাজি,দখলবাজি,টেন্ডারবাজির অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতে ৭ম জাতীয় জাতীয় কংগ্রেস কে সামনে রেখে স্থানীয় বাসীন্দা এবং সাধারণ জনগন তাদের আশা ব্যক্ত করে বলেন যদি আলী আকবর বাবুলের মতো পরিশ্রমী ও সাহসী নেতা বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ দক্ষিণের আরো শীর্ষ স্থানে পদায়ন করতে পারেন তাহলে দেশ ও যুবসমাজের ব্যাপক উন্নয়ন সাধন হবে।

৩। ওমর ফারুক, সংগঠনের অন্যান্য নেতা কর্মীদের মত তিনিও কোন অংশে পিছিয়ে নেই।   পারিবারিক সূত্র থেকেই আওয়ামীলীগ সংগঠন করে ধীরে ধীরে বেড়ে উঠেছেন তরুন এই যুব নেতা।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের হাতে গড়া ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ  ছাত্রলীগে ১৯৯৫ সাল থেকে যোগদানের মধ্য দিয়ে রাজনীতি শুরু করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ-হাসিনার দিক নির্দেশনায় নিজের সততা, যোগ্যতা, পরিচ্ছন্ন রাজনীতি এবং যুবলীগের প্রতিশ্রুতির সাথে  নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন বলে জানান এই যুব নেতা।বর্তমানে তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের মর্মান্তিক সময় ২০০৭ সালের জানুয়ারি মাসের ১১ইং তারিখ, ওয়ান ইলেভেনের সেই সময় বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হয়ে রাজপথে স্বশরীরে উপস্থিত ছিলেন এই যুবলীগ নেতা। বারবার কারাবন্দি নির্যাতন করা হয়েছে এই যুব নেতার উপর। শুধু তাই নয় বারবার পুলিশি নির্যাতন এবং পুলিশের লাঠিচার্জেরও স্বীকার হয়েছিলেন।

ওমর ফারুক জানান, দক্ষিণের নেতা কর্মীরা আমাকে মন থেকে ভালবাসে,আমাকে তারা ভালো পদে দেখতে চান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে দায়ীত্ব দেয় তাহলে তার সঠিক ব্যবহার করে যুব উন্নয়নে কাজ করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাবো।

৪। কাজী ইব্রাহিম খলিল মারুফ, ১৯৯০ সালে গেন্ডারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭ম শ্রেণীর ছাত্র থাকা অবস্থায়ই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ তাঁকে অনুপ্রানিত করে। সাবেক ছাত্র নেতা শহীদুল্লার হাত ধরে রাজনীতি শুরু করেন তিনি।  

১৯৯৫ থেকে ১৯৯৭ সালে হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে ছাত্রলীগের সাথে জড়িত হয়ে রাজনীতি চালিয়ে যান।বর্তমানে দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন কাজী ইব্রাহীম খলিল।এছাড়া জনপ্রতিনিধি হিসেবে ঢাকা জেলা পরিষদের সদস্য সচিব হিসেবেও ছিলেন। তিনি জানান বর্তমান সময়ে দক্ষিণের যুবলীগকে সুনাম ফিরেয়ে আনতে কাজ করতে চাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে দায়ীত্ব দেয় তাহলে তার সঠিক ব্যবহার করবো।

৫। আরমান হক বাবু, বর্তমানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তরুন এই যুব নেতা। পারিবারিক সূত্র থেকেই আওয়ামীলীগ এর রাজনীতির সাথে জড়িত তিনি। ১৯৯৬ সাল থেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাথে সক্রিয়ভাবে কাজ করেন তিনি। তিনি জানান,দক্ষিণ এর মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পূর্বের সুনাম রক্ষার জন্য সব ধরেনের ত্যাগ স্বীকার করার জন্য প্রস্তুত আছেন। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী হাত ধরে। এখনি সময় দেশের এই উন্নয়নে যুব নেতাদের পাশে থেকে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। প্রধানমন্ত্রী যদি আমাকে দায়ীত্ব দেয় তাহলে তা যথাযথ ভাবে পালন করবো।

৬। সৈয়দ মাসুদ হাসান রুমি, যিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের চলমান কমিটির ত্রান ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক। পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্রনেতা। তিনি দীর্ঘদিন যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী  রাষ্টনায়ক শেখ হাসিনা তাকে যে স্থানে রাখবেন তিনি সেখানেই কাজ করবো এবং বঙ্গবন্ধু স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে সহায়তা করবেন।

৭। ওমর শরীফ পলাশ, তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চলমান কমিটির বর্তমানে শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আছেন। তিনি জানান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি তাকে যে স্থানেই রাখুক না কেন দলের জন্য তিনি আবিরাম শ্রম দিয়ে যাবেন। 

৮। খন্দকার রিয়াজ আহমেদ ফালান, যিনি চলমান কমিটির উপ-মুক্তিযোদ্ধ  বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিন যুবলীগে।তিনি সাবেক সহ-সভাপতি, সরকারি শহীদ সোহ্ রাওয়ার্দী কলেজ শাখা ছাত্রলীগ। ততোকালীন ১৫ই আগষ্ট পালন করতে গিয়ে বি এন পি জামায়াত এর পুলিশ বাহিনী দ্বারা কারা বরন করতে হয়েছে বলে জানান তিনি।। তিনি আরো জানান দলের দুর্দিনে অনেক ত্যাগ ও শ্রম দিয়েছেন।এখনো দলের জন্য কাজ করে যাবেন বলে মত প্রকাশ করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে যে স্থানে রাখবেন সেখানে  থেকেই দল ও দেশের জন্য কাজ করে যাবেন তিনি।  
যুবলীগের কমিটির বিষয়ে তৃণমূলের সাবেক ছাত্র নেতা  ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, সরকারি শহীদ সোহ্ রাওয়ার্দী কলেজ শাখা সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান কানন জানায়, উক্ত নেতাদের ব্যাপক সুনাম রয়েছে অত্র ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সিটি সহ বিভিন্ন এলাকায়। এই নেতৃবৃন্দরা যদি আরো উচ্চ পদস্থ পর্যায়ের নেতৃত্ব পায় তাহলে দেশ ও জাতীর উন্নয়নের পক্ষে অনেক দুর এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হবে।


 

You can share this post on
Facebook

0 Comments

© 2013 All Rights Reserved By সরজমিনবার্তা