• ঢাকা
  • সোমবার, মার্চ ৩০, ২০২০ , চৈত্র - ১৫ , ১৪২৬

বেনাপোল কাস্টমস কর্মকর্তার সহোযোগীতায় পন্য আত্নসাৎের অভিযোগ

news-details
অপরাধ

মাহমুদুল হাসান
বেনাপোল কাস্টমস হাউসে জমাকৃত পন্য(ডি এম)কাস্টমস কর্মকর্তার সহোযোগীতায় প্রতারক চক্রের আত্নসাৎ করার অভিযোগ মিলেছে।অভিযোগকারী মাহবুব আলম(পাসপোর্ট নং-বি টি-০৩৭০৪৬৪)জানান,গত ১৮-১-২০২০ ইং তারিখে ভারত হতে আসার সময় ৮ টি ভারতীয় এম আই সাওমী ব্রান্ডের মোবাইল ফোন ক্রয় করেন।বাংলাদেশ ইমিগ্রেশানে প্রবেশ করলে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত পন্য বহনের দ্বায়ে সে গুলো আটক করে শুল্ক পরিশোধ সাপেক্ষ্যে মোবাইল ফেরত পাওয়ার সুযোগে ডি এম স্লিপ দেন।সে মোতাবেক মোবাইল গুলো ছাড় করাতে আমি স্থানীয় নুরইসলামের সহোযোগীতায় বেনাপোল কাস্টমস হাউসে কর্মরত সিপাহী রিপন দাসের সাথে যোগাযোগ করি।রিপন দাস মিন্টো সরকার নামে ডি এম পন্য ছাড় করানোর কাজে নিয়োজিত ব্যাক্তির কাছে স্লিপ সহ ডকুমেন্টস দিতে বললে সে মোতাবেক আমি কাগজ পত্র সহ পন্য ছাড়াতে চাহিদা মোতাবেক ৪৫ হাজার টাকা দুই কিস্তিতে প্রদান করি।অধ্যবধী আমার মোবাইল গুলো ফেরত পাইনী,খোজ নিতে কাস্টমস কর্মকর্তা আনোয়ারের(এ আরো)কাছে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,গত ২৮ জানুয়ারী মোবাইল গুলো শুল্ক পরিশোধ সাপেক্ষ্যে মিন্টু সরকারের কাছে দেওয়া হয়েছে। আমার পন্য আপনি অন্যকে দিলেন কেন জানতে চাইলে তিনি সদউত্তর দিতে পারেনী।পরবর্তীতে স্থানীয় লোক মারফত জানতে পারি আমি প্রতারক চক্রের হাতে পড়েছি,তখনই আমি বেনাপোল পোর্ট থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দ্বায়ের করি।বিষয়টি সরেজমিনে খোঁজ নিলে জানা যায়,কাস্টমস হাউসের ডি এম শাখাকে দীর্ঘদীন ধরেই অনিয়ম,দূর্নীতির আখড়ায় পরিনত করে নীরব অর্থ বানিজ্যে মেতে ওঠেছেন কিছু ওসাধু কাস্টমস কর্মকর্তা সহ স্থানীয় প্রতারক চক্র।ইতি পূর্বেও পন্য লোপাটের মত একাধিক অভিযোগ রয়েছে ভূক্তভোগীদের যা প্রকৃত তদন্তে বেরীয়ে আসবে।ভারত ভ্রমন ফেরত যাত্রীদের সাথে আনা অতিরিক্তি পন্য শুল্ক পরিশোধের মাধ্যমে ফেরত পাওয়ার জন্য পন্য কাস্টমসের গোডাউনে জমা রাখা হয়।যাত্রীরা পন্য ফেরত নিতে কাস্টমস শাখায় যোগাযোগ করলে তাদের কে কৌশলে প্রতারক চক্রের সাথে সংযোগ ঘটিয়ে দেন অভিযুক্ত সিপাহী।প্রতারক চক্র যাত্রীর কাছ হতে প্রয়োজনীয় কাগজ ও মাল ছাড়াতে পন্য শুল্কের নামে নগত অর্থ হাতিয়ে নিয়ে দু এক দিন সময় লাগবে সময়মত আপনাকে পন্য নিতে কাস্টমসে ডাকা হবে বলে যাত্রীকে বাসায় ফেরত পাঠিয়ে দেন।এ সুযোগে অসাধু কাস্টমস কর্মকর্তা,গোডাউন অফিসার, সিপাহীরা অর্থ বানিজ্যে লিপ্ত হয়ে নাম মাত্র শুল্ক পরিশোধ সাপেক্ষ্যে ডি এম পন্য মালিক ছাড়ায় তুলে দেন প্রতারক চক্রের হাতে।অভিযোগ বিষয়ে এ আরো আনোয়ার হোসেনের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন ২৮ তারিখে মোবাইল গুলো পন্যের মালিকের পক্ষে মিন্টো সরকার নামের ব্যাক্তিকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।তাহলে আপনার নিকট যাত্রী অভিযোগ জানালো কেন এ প্রশ্নে তিনি কোন উত্তর দেইনি।অনিয়ম প্রশ্নে তিনি জানান,কাস্টমস হাউসের স্বর্নচুরি ঘটনার পর এ শাখায় আমি নতুন যোগ দিয়েছি তাই সঠিক বলেতে পারবো না।অভিযোগ বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানার দারোগা মাসুমের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে,মোবাইল গুলো উদ্ধারের চেষ্ঠা চালাচ্ছে পুলিশ।উল্লেখ্য বেনাপোল কাস্টমস হাউসের ডি এম শাখার দূর্নীতি এখন অনেক টাই ওপেন সিক্রেট।অসাধু কর্মকর্তারা সিন্ডিকেট গড়ে তুলে লাখ লাখ টাকা অর্থ বানিজ্যের মাধ্যেমে সরকারী রাজস্ব আহোরন পক্রিয়া ব্যাহত করছে অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন জেলা শহর হতে আগত যাত্রীরা পন্য ছাড়ের নাঠকে পড়ে নগত অর্থ খুইয়ে নিয়ত প্রতারিত হচ্ছে প্রতারক চক্রের হাতে।ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতনদের দৃষ্টি আকর্ষন করে অবিলম্বে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ্যের অনিয়মের জোর তদন্ত পূর্বক প্রতারকদের বিচার দাবী করেছেন।

You can share this post on
Facebook

0 Comments

© 2013 All Rights Reserved By সরেজমিনবার্তা