• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ২০, ২০২০ , ফাল্গুন - ৮ , ১৪২৬

সিংড়ার ত্রাস চেয়ারম্যান ভোলা শুধু মানুষই মারেনা গাছও চুরি করে, পর্ব-২

news-details
অপরাধ

 
নিজস্ব প্রতিবেদক: নাটোর জেলার সিংড়া থানার চৌগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম ভোলার পাহাড়সম কুর্কীতি গা শিউরে উঠার মত। সে নিজে তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধাদের স্বজনসহ সাধারণ মানুষ সবাইকে রক্তাক্ত করেছে। তার এসব হামলা, নির্যাতনের কথা কম-বেশি সবাই জানে। এবার মানুষ হত্যার অপচেষ্টাকারী ভোলা একজন জবর দখলকারী, অর্থ আত্মসাতকারী, সরকারী সম্পত্তি লোপাটকারী, চোর, বাটপার। স্বাধীনতা পরবর্তী চৌগ্রাম ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের নেতৃত্বদানকারী মৃত সরজ বাবুর জায়গা জোর করে দখল করে জিয়া নামের এক জনকে বাড়ি বানিয়ে দিয়েছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। ঔ সাম্প্রতিক সময়ে ইউনিয়ন পরিষদের উত্তর প্রাচীর এর পাশের তিনটি বহু পুরাতন সরকারি সম্পত্তি মেহগনি গাছ চুরি করে কেটে গোড়া মাটি দিয়ে ঢেকে রেখেছে। সিংড়া বাসস্টান্ডের পাশে মুক্তিযোদ্ধা কমপেক্স এর সামনে আদেশের স মিলে উক্ত চোরাই কাঠ ফালি করে। সেই কাঠ দিয়ে নিজ বাসার ফার্ণিচার বানিয়েছে। সরে জমিনে আরও জানা যায় বড়িয়া মাঠে একজনের ৮ বিঘা জমি নাটোরের প্রসন ভাদুড়ী নামে এক টাউটকে ওয়ারিশ বানিয়ে মাত্র ৫০ হাজার টাকা দরে ৪ লাখ টাকায় বিক্রি করে ২ লাখ টাকা ভাগ নিয়ে হজ্বে যায়। স্থাপনদিঘী গ্রামে সরকারি জায়গা দখল করে পুকুর বানিয়ে ৫ লাখ টাকায় লিজ দিয়ে সব টাকা  বিষয়ে প্রতিবাদ করার কারণে উক্ত গ্রামের আওয়ামীলীগের নিবেদিত কর্মী গনেশ কে চেয়ারম্যান নিজে প্রচন্ড মারধর করে। গোয়াল বড়িয়ার জুয়েল দোকানদারকে তুচ্ছ কারণে তার নিজ দোকানে মারধর করে জখম করে। গোয়াল বড়িয়ার রুবেল মাস্টারকে বেদম মারপিট করে সন্ত্রাসী ভোলা নিজে। এ দিকে স্থাপন দিঘী উচ্চ বিদ্যালয়ের জায়গা হাটচালি পত্তনের রশিদ নিয়ে ২০০৫ সাল হতে মুষ্টিগড় গ্রামের আজগরঘর নির্মাণ করে দোকান করতে থাকে। তার মৃত্যুর পর তার ছেলেরা চার লক্ষ টাকা খরচ করে দোকান ঘরটি পুনঃনির্মাণ করেন। চেয়ারম্যান হবার পর ভোলা ঐ জায়গাটি পূনরায় চেক দিয়ে মুষ্টিগড় গ্রামের মৃত আফসারের ছেলে মোঃ ইদ্রিস কে দিয়ে দোকান ঘরটি জবর দখল করে রেখেছে। মানুষকে মারধর করে ভোলা সন্ত্রাসী হিসেবে নিজের জাত চিনিয়েছেন। ২০০৬ সালে শেরেকোল ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাককে সিংড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়ের মধ্যে প্রচন্ড  মারধর করে সন্ত্রাসী ভোলা ও তার বাহিনী। উক্ত ঘটনায় মামলাও হয়েছিল। মামলা নং- সি,আর ১৭৬/২০০৬ এবং ২০১৭ সালের , ক্ষীদ্র বাড়িয়া হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক রফিককে গুরুতর জখম করেও ক্ষান্ত হইনি। তার দায়েরকৃত মামলা সিংড়া থানার সাবেক ওসি মনির ও মামলারত দন্তকারী কর্মকর্তা টাকার বিনিময়ে ফাইনাল রিপোর্ট দিয়েছে। যাহা বর্তমানে নারাজি দিবে বলে মামলার বাদী সরোজমিনে জানিয়েছেন রফিক মাষ্টার, ভোলা ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর জন্য দুই বৎসর থেকে স্কুলে যেতে পারছেনা। বর্তমানে তিনি জীবনের নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন,এ ব্যাপারে টিএনও সাহেবের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান আমি সদ্য যোগদান করেছি, বিষয়টি আমি জানিনা।
এর পরবর্তী শিকার কে? কি তার পরিনতি। আর কত মায়ের সন্তানের রক্ত ঝড়াবে সন্ত্রাসী ভোলা ও তার পান্ডারা। সেই প্রশ্ন উৎকন্ঠা সিংড়া বাসীর?--------------------চলবে।

You can share this post on
Facebook

0 Comments

© 2013 All Rights Reserved By সরেজমিনবার্তা