• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ২০, ২০২০ , ফাল্গুন - ৮ , ১৪২৬

শার্শার হাট-বাজারে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাবহার বৃদ্ধি

news-details
বাংলাদেশ

মাহমুদুল হাসান বাবু
যশোর জেলার শার্শা উপজেলার হাট-বাজার গুলোতে পরিবেশ বান্ধব ব্যাগ ব্যাবহারের পরিবর্তে হ্মতিকর নিষিদ্ধ পলিথিন শপিংব্যাগ ব্যাবহার প্রবনতা বৃদ্ধির ফলে পরিবেশ দূষন ঘটে নিয়ত জনদূর্ভোগ বাড়ছে।খাওয়ার হোটেল,মুদি দোকান,ফার্মেসী,সবজি বিক্রেতা, ফল বিক্রেতা,স্টেসনারী দোকান,গোশ বিক্রেতা এমন কি কাপড় বিক্রেতাও পরিবেশ রহ্মার তাগিদে সরকার প্রনীত ২০০২ সালে পলিথিন ব্যাবহার নিষিদ্ধে আইনের ব্যায়ত ঘটিয়ে দোকানে আগত ক্রেতা সাধারনের দেদারসে হাতে ধরিয়ে দিচ্ছেন স্বস্তা পলিথিন শপিং ব্যাগ। বেনাপোল,শার্শা, গোগা,ডিহি,বাহাদুরপুর,লহ্মনপুর,পুটখালী,বাঁগ আচড়া বাজার ঘুরে একাধিক দোকানীকে পলিথিন শপিং ব্যাগ নিষিদ্ধ থাকলেও ব্যাবহার করা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে,অধিকাংশ দোকান মালিক সরেজমিন বার্তাকে জানান সচেতনতা মুলক প্রচার প্রচারনা না থাকায় বিষয়টি তারা জানেন না।আর ক্রেতাকে পলিথিন শপিং ব্যাগ সরবারহের কারন হিসাবে বলেন কোন ক্রেতাই এখন বাজারের ব্যাগ সাথে আনে না,পন্য বিক্রি করতে গেলে তাকে  অবশ্যই ব্যাগ দিতে হবে তাই নিরুপায় হয়ে সস্তা মূল্যের পলিথিন শপিং ব্যাগ দেওয়া হয়।বিকল্প হিসাবে পাটের তৈরী ব্যাগ দেওয়ার কথা বললে তারা আরো জানান পলিথিন ব্যাগ প্রতি তাদের সর্বোচ্চ ৫০ পয়সা হতে ১ টাকা খরচ হয়।এধরনের বিকল্প ব্যাগে পিচ প্রতি নন্যুতম ২০হতে৪০ টাকা লাগবে,সকলে পলিথিন শপিং ব্যাগ খরিদ্দার কে বিনামূল্যে দিলে আর আমরা বিকল্প ব্যাগ দিয়ে উপযুক্ত দাম নিলে দোকানে আর ক্রেতা পাওয়া যাবে না।পলিথিন শপিং ব্যাগ বর্জন করে দেশকে পরিবেশ বিপর্যয় থেকে রহ্মায় বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্দ্যেগে ৬ সপ্তাহ ব্যাপী পলিথিন শপিং ব্যাগ বিরোধী অভিযান শুরু হলেও শার্শা উপজেলায় তার ছিটে ফোটাও প্রভাব পড়েনী,নেই বাস্তবায়নের উদ্দ্যেগ। বরং ক্রেতাদের সংগৃহীত পলিথিন যত্রতত্র ফেলায় খানা-খন্দ,ডোবা,পুকুর, ড্রেন ও খাল-নালার মুখ পলিথিন জমে বন্ধ হওয়ায় পানি নিষ্কাষন হতে না পেরে মশা,মাছির উপদ্রব বৃদ্ধি সহ ক্রেতাদের গৃহস্থলীর উচ্ছিষ্ঠ পলিথিনে ভরে মুখ আটকিয়ে রাস্তার ধারে বা পরিত্যাক্ত জায়গায় ফেললে তা পচে বিকট দূর্গন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশ দূষন ঘটে এলাকার পরিবেশ বিপর্যয় বেড়েছে। প্রায়ই পথচারী ও কোমলমতি শিশু শিহ্মার্থীরা পরিবেশ দুষনের কারনে নানা রোগ-শোক, উপসর্গে ভুগছে।উল্লেখ্য পলিথিন শপিং ব্যাগের  হ্মতিকারক বিষয়গুলো বিবেচনা করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার সর্বপ্রকার পলিথিন ব্যাগ উৎপাদন, আমদানি,বাজারজাত করন,বিক্রয়,বিক্রয়ের জন্য প্রদর্শন,মজুদ, বিতরন,বানিজ্য উদ্দেশ্যে পরিবহন ও ব্যাবহার সম্পূর্ন নিষিদ্ধ করে প্রঙ্গাপন জারি করার পর দেশ জুড়ে পলিথিন শপিং ব্যাগ বন্ধ হয়ে পড়ে।সাম্প্রতি শার্শায় আইন বাস্তবায়নে কার্যকারী কোন পদহ্মেপ পরিলহ্মিত না হওয়ায় উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের হাট-বাজার পলিথিন শপিং ব্যাগে সয়লাব হয়ে শুধু জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশই নয় বরং বাংলাদেশের অর্থনিতীতেও বিরুপ প্রভাব ফেলছে।পলিথিন বিরোধী বিষয়ক অভিযান সম্পর্কে উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা,জনাব পুলক কুমার মন্ডলের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন শার্শায় পূর্বে কিছু কিছু অভিযান চালানো হয়েছে তবে যারা পলিথিন উৎপাদন করে ও সরবারহ করে তাদের কে অভিযান কালীন সময়ে খুজে পাওয়া যায় না।পলিথিন শপিংব্যাগ নিষিদ্ধ আইন সম্পর্কে পূর্বে উপজেলা জুড়ে জনসচেতনতা মূলক কোন প্রচার উদ্দ্যেগ নেওয়া হয়েছে কি প্রশ্নে উপজেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা বলেন শিঘ্রই প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

You can share this post on
Facebook

0 Comments

© 2013 All Rights Reserved By সরেজমিনবার্তা