• ঢাকা
  • বুধবার, জানুয়ারী ২৯, ২০২০ , মাঘ - ১৬ , ১৪২৬

জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রতীক : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

news-details
জাতীয়

মোফাজ্জল হোসেন : গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা মো. মুরাদ হাসান এমপি বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রতীক, সবচেয়ে সফল রাষ্ট্রনায়ক, বিশ্বের প্রভাবশালী নারী প্রধানমন্ত্রী, অনুকরণীয় অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব। শেখ হাসিনার শাসনামলে দেশে উন্নয়ন হচ্ছে রেকর্ড পরিমাণ। খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি, অর্থনীতি, রেমিট্যান্স, বিদ্যুৎ, বৈদেশিক সম্পর্কের উন্নয়নসহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেশবাসীকে যুগান্তকারী সাফল্য এনে দিয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। সম্প্রতি সচিবালয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে এ প্রতিবেদককে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান হিসেবে দেশকে উন্নয়নের রুল মডেল হিসেবে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরেছেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার  সুযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা মো. মুরাদ হাসান এমপি আশা প্রকাশ করে বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ শুধু আর্থিক বা অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, দেশ থেকে জঙ্গিবাদ নির্মূল হয়েছে, যোদ্ধাপরাধীদের বিচার হচ্ছে, বাল্যবিয়েসহ বিভিন্ন রকমের সামাজিক সমস্যাগুলো এখন নিয়ন্ত্রণে। তাই বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি এবং গণতন্ত্র বিকাশে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার অবদান অপরিসীম ও অতুলনীয়। তাঁর দূরদৃষ্টি, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং জনকল্যাণমুখী কার্যক্রমে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বাড়ছে, কমছে দারিদ্র্যের হার। তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার অসীম সাহসিকতায় দেশের অর্থায়নে আজ পদ্মা সেতুর মতো বৃহৎ প্রকল্প প্রায় শেষ পর্যায়ে। বাংলাদেশকে একটি সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলায় পরিণত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ‘ভিশন ২০২১’ ও ‘ভিশন ২০৪১’ কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন এবং সে অনুযায়ী বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ ও এর বাস্তবায়নে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন। এক প্রশ্নের জবাবে  তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা মো. মুরাদ হাসান এমপি বলেন, গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে শেখ হাসিনার এসব যুগান্তকারী পদক্ষেপ ও কর্মসূচি বাংলার ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। শুধু দেশেই নয় আন্তজার্তিক অঙ্গনেও জননেত্রী শেখ হাসিনার কাজের স্বীকৃতি মিলেছে। বাংলাদেশের সফলতা ও নেতৃত্ব গুণের জন্য তিনি বহু আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন ও নানাবিধ সম্মানে ভূষিত হয়ে বাংলাদেশের নাম বিশ্ব ব্যাপী উজ্জ্বল করেছেন।

বিশ্বের প্রভাবশালী নেতারা এখন জননেত্রী শেখ হাসিনাকে শ্রদ্ধার চোখে দেখেন। বিশ্ব গণমাধ্যমে শেখ হাসিনা এখন বহুল আলোচিত ও প্রশংসিত নেতা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পর শেখ হাসিনা ছাড়া এমন গুণাবলি সম্পন্ন আর কোনো নেতা বাংলাদেশের মানুষ পায়নি। এ কারণে তার সঙ্গে অন্য কোনো নেতার তুলনা চলে না, শেখ হাসিনা নিজেই নিজের তুলনা। তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো প্রধানমন্ত্রী সৎ ও আন্তরিক থাকলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব তার প্রমাণ শেখ হাসিনা নিজেই। তিনি বিশ্বাস করেন “আমরা পারি, বাঙালিরা পারে”। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বারবার একটি কথা বলেন, “আমরা যেহেতু মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিজয় অর্জন করেছি তাই কোনো বিজয়ী জাতি কখনও মাথা নত করে থাকতে পারে না”। এটি জননেত্রী শেখ হাসিনার মূলমন্ত্র।
বাঙ্গালী জাতির মহান নেতা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী সামনে রেখে জাতির জনককে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে তথ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, “বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না,” সেটা আজ প্রমাণ হয়েছে। বাঙালিকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারেনি। আজ আমরা জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি অর্জন করেছি। তিনি বলেন,উন্নয়নের যে অগ্রযাত্রা, তা যেন অব্যাহত থাকে, যেন থেমে না যায়, সে জন্যই প্রয়োজন শেখ হাসিনার নেতৃত্ব। তাই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের বিকল্প নেই। 

বর্তমান বাংলাদেশের সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সম্পর্কে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশের সংবাদ পত্র স্বাধীনভাবে কাজ করছে এবং দেশের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার পাশা পাশি অনলাইন নিউজ পোর্টাল গুলোকে নিবন্ধন দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে যা অন্যকোন সরকারের শাসনামলে সম্ভব হয় নাই। তিনি বলেন, দেশের সকল সংবাদপত্রের পুরো স্বাধীনতা থাকা সত্তেও কিছু মিডিয়া সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করে গুজব ছড়াচ্ছে যা কাম্য নয়। তিনি বলেন,যে সব মিডিয়া সরকারের বিরুদ্ধে গুজব ছড়াবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারণ, জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশে সবচেয়ে মিডিয়ার সংখ্যা বেড়েছে এবং সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করে গরীব-অসহায় সাংবাদিকদের সুযোগ-সুবিধা বেশি দেওয়া হচ্ছে।

একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হিসেবে জানতে চাইলে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ছাত্র জীবন থেকেই তিনি সাধারণ মানুষের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন এবং পেশাগতভাবে নিজে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হওয়ার সুবাধে প্রায় এক লাখের উপরে গরীব রোগীকে বিনা মূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে মানবতার কল্যাণে কাজ করেছেন। এখনো সময় পেলে গরীব রোগীদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকেন। তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান এমপি’র স্ত্রী একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এবং সমাজ সেবা মূলক কাজের সাথে জড়িত। সবশেষে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান এমপি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্যসহ দীর্ঘায়ু কামনা করে বলেন, দেশে ও দেশের বাইরে ভিশনারি লিডার হিসেবে শেখ হাসিনার যে ঈর্ষণীয় সাফল্য তা এক কথায় অনন্য ও অসাধারণ। 

You can share this post on
Facebook

0 Comments

© 2013 All Rights Reserved By সরেজমিনবার্তা