গাজীপুরে কাউন্সিলর কার্যালয়ের সামনেই চাঁদাবাজি

news-details
অপরাধ

মো. মেহেদী হাসান, গাজীপুর :
দীর্ঘদিন যাবৎ গাজীপুর নগরীর ৩৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রয়াত পাঞ্জর আলীর কার্যালয়ের সামনে ঢাকা সিটি বাইপাস সড়ক সংলগ্ন জাঝর স্ট্যান্ডে ৬টি পয়েন্টে ও বোর্ডবাজার স্ট্যান্ডে একটি পয়েন্টে ইজিবাইক ও অটো রিকশা থেকে প্রতিনিয়ত জিপির নামে চাঁদাবাজি চলছে।

সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, জাঝর স্ট্যান্ড থেকে প্রতিনিয়ত শত শত ইজিবাইক ও অটো রিকশা ভোগরা বাইপাস, তিনসড়ক, ধীরাশ্রম-জয়দেবপুর, মীরের বাজার, বোর্ড বাজার, ড্যাগের চালা-ছয়দানা সড়কে চলাচল করে। আর এই স্ট্যান্ডের ঠিক পাশেই ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয় তবুও এই স্ট্যান্ডের ৬টি পয়েন্টের ৫টি পয়েন্ট থেকে প্রতিদিন প্রত্যেক ইজিবাইক ও অটো রিকশা থেকে জিপি ও চালক তহবিলের নামে ত্রিশ টাকা করে চাঁদা আদায় করে স্থানীয় কাথিত নেতা ডালিম এবং একই স্ট্যান্ডের বোর্ড বাজার লাইনে চাঁদা আদায় করে সাগর(২২)। একই স্টাইলে বোর্ড বাজার স্ট্যান্ডের বটতলা সড়কের মাথায় প্রায় একশ ইজিবাইক ও অটো রিকশা থেকে চাঁদা আদায় করে মিজান ও জনি।

প্রয়াত কাউন্সিলর পাঞ্জর আলী  ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে গত ১৩ ডিসেম্বর ঢাকার এ্যাপোলো হাসপাতালে ইন্তেকাল করলওে জাঝর স্ট্যান্ডের চাঁদাবাজি বহু পুরনো। স্ট্যান্ডের চাঁদাবাজিতে পাঞ্জর আলীর কোন সংশ্লিষ্টতা না থাকলেও তার কার্যালয়ের সামনেই প্রকাশ্যে কিভাবে চলত এই চাঁদাবাজি? এ নিয়েও দ্বন্দ্ব রয়েছে জনমনে। তবে অনেকেই ধারনা করছেন দীর্ঘদিন কাউন্সিলর অসুস্থ থাকায় তার অনুপস্থিতির সুযোগে এই চাঁদাবাজি চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা আর এখন কাউন্সিলর বেচে না থাকার কারণে তা আরও সহজ হলো।

চাঁদাবাজির ব্যাপরে স্বীকার করে ডালিম বলেন, আমি নিজেই টাকা উঠিয়ে এলাকার ছোট ভাই ব্রাদার নিয়ে চলি ফিরি। তবে সাগর বলে ভিন্ন কথা, সে নাকি টাকা উঠিয়ে জমা দেয় প্রয়াত কাউন্সিলর পাঞ্জর আলীর নাতীন জামাই রাশেদের কাছে। সরেজমিন অনুসন্ধানকালে বোর্ডবাজার স্ট্যান্ডের চাঁদা আদায়কারী মিজান ও জনিকে পাওয়া না গেলেও চাঁদা আদায়ের ব্যাপারে স্থানীয় চালকরা নিশ্চিত করে বলেন, ওরা এখন দুপরের খাবারে গেছে আবার সময়মত চলে আসবে। গাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইসমাইল হোসেন জানান, চাঁদাবাজদের ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

You can share this post on
Facebook

0 Comments

© 2013 All Rights Reserved By সরেজমিনবার্তা