নির্বাচনী পরিবেশ সন্তোষজনক, ইভিএম এ সংশয়

news-details
জাতীয়

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র, সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনে মহিলা কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন জমা দেওয়া প্রার্থীদের মনোনয়ন যাচাই বাছাই চলছে।

বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সকালে সাড়ে ৯ টায় রাজধানীর আগারগাওয়ের জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনষ্টিটিউট (এনআইএলজি) ভবনে উত্তর সিটির মনোনয়নপত্র যাচাই- বাছাই শুরু হয়।

দিনের শুরুতে উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ভোটার না হওয়ায় জাতীয় পার্টির মেয়র পদপ্রার্থী জিএম কামরুল ইসলামের মনোনয়ন পত্র বাতিল উত্তর সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাশেম। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত  একজন মেয়র প্রার্থী ও ১০ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

বাতিল হওয়া কাউন্সিলর প্রার্থীরা হলেন-

উত্তর সিটি করপোরেশনের ২নং ওয়ার্ডের মো. মনির হোসেন, ৩ নং ওয়ার্ডের, ৫ নং ওয়ার্ডের মো. রুহুল আমিন, ৯ নং ওয়ার্ডের মো. আমজাদ হোসেন, ৮ নং ওয়ার্ডের সেলিনা খান, ১১ নং ওয়ার্ডের রেজাউল করিম, ১৫ নং ওয়ার্ডের মো. হাফিজুর রহমান,  ১৭ নং ওয়ার্ডের ফরিদ উদ্দিন মৃধা।
আর সংরক্ষিত আসনে ৫ নং ওয়ার্ডের নারগিজ বেগম ও একই ওয়ার্ডের নাজমা কবির।

মনোনয়ন পত্র বাতিল হওয়া জাতীয় পার্টির মেয়র পদপ্রার্থী জিএম কামরুল ইসলাম বলেন, প্রথমবারের মতো মেয়র পদে প্রার্থী হতে এসেছিলাম। তবে মনোয়ন বাতিল করা হয়েছে। এটা আমার জন্য খুব দুঃখজনক। আমি ডিওএইচএস এলাকায় থাকি বলে আমার মনোনয়ন বাতিল করা হলো।

তিনি বলেন, আমার যে ভোটার তালিকা আছে, দুই নম্বর ওয়ার্ড এবং সিটি করপোরেশন দেখানো হয়েছে। সেহেতু আমি যোগ্য ভোটার হিসেবে জমা দিয়েছি। এখন আমি আইনের সহায়তা নেব। আমি অবশ্যই আইনি প্রক্রিয়ায় যাব। আমি নির্বাচন করার জন্য এসেছি।

এ দিকে সিপিবির প্রার্থী আহম্মেদ সাজ্জাদুল হক বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড মানে আওয়ামী লীগ আর বিএনপি নয়। যে টাকা জামানত ওয়ার্ড কমিশনারদের জন্য করেছে, একজন সৎ মানুষের পক্ষে এ নির্বাচনে অংশ নেওয়া কঠিন।
 
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী বলেন, জনগণের উন্নয়নে কাজ করব। রাস্তা ঘাট, নালা, নর্দমা পরিষ্কার করবো। 

ইভিএম আপত্তি আছে জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে মানুষ জানে না। আমরা ইভিএমে ভোট দেওয়ার পক্ষে না। একই ওয়ার্ডের বিএনপির প্রার্থী মো. ইকবাল হোসেন, নির্বাচনের পরিবেশ ভালো। সবার সমান সুযোগ আছে। ইভিএম নিয়ে আপত্তি আছে জানিয়ে তিনি বলেন, ইভিএম নিয়ে ভোট কারচুপির সুযোগ আছে। ইভিএম চাই না।

৬,৭,৮ ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর প্রার্থী শিখা চক্রবর্তী বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ খুবই ভালো। সবাই নিজেদের মতো কাজ করতে পারছে। তবে ইভিএম পদ্ধতি সম্পর্কে অনেকেই এখনো ভালোভাবে জানে না।

You can share this post on
Facebook

0 Comments

© 2013 All Rights Reserved By সরেজমিনবার্তা