নরসিংদীতে এক বছরে সড়কে প্রাণ ঝরেছে ৩২ জনের 

news-details
বাংলাদেশ

মাহাবুবুর রহমান : নরসিংদীতে ২০১৯ সালের জানুয়ারী থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণ ঝরেছে ৩২ জনের।  পঙ্গুত্ব বরণ করেছে অনেক। অনুসন্ধানে জানা যায়,  ঢাকা-সিলেট হাইওয়েতে নিহত হয়েছে ২৩ জন। নরসিংদী জেলা একটি জনবহুল এলাকা। ঢাকা-সিলেট সহাসড়কের  প্রায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার সড়ক নরসিংদীতে পড়েছে। এ হাইওয়েতে ট্রাক,বাস,লড়িসহ প্রচুর যানবাহন চলাচল করে। এ হাইওয়ের দূর্ঘটনা প্রবণ এলাকা হচ্ছে শিবপুর গাং পাড়, ঘাসিদ্দা,মরজাল,বারইচা। এর মধ্যে অহ-রহ বড় ধরনের দূর্ঘটনা হচ্ছে। যত্রতত্র গাড়ি থামা,হঠাৎ ব্রেক করা,পাল্টা পাল্টি ওভারটেকিং ও বেপোরুয়া গাড়ি চালানোর ফলে ঘটে যাচ্ছে এ সব দুর্ঘটনা। 

এ বিষয়ে গাড়িচালক কুদ্দুছ মিয়া জানান, পাচ-সাত বৎসর যাবৎ এই হাইওয়েতে গাড়ি চালাচ্ছি। ড্রাইভিং লাইন্সে পাই নাই। যাত্রী লওয়ার আশায় যত্র তত্র গাড়ি থামাতে হয়। লোকাল গাড়ি হওয়াতে যেখানে যাত্রী হাত দেখায় সেখানেই থামাতে হয়। যেখানে নামবে সেখানে নামাতে হয়। গাড়ির মালিক দেখে কোন ড্রাইভার ১০০ অথবা ৫০ টাকা প্রতিদিন বেশী দিতে পারবে সে ড্রাইভারকে মালিক গাড়ি দিবে। দেখেনা ঐ ড্রাইভার দক্ষ ও লাইন্সে আছে কি না।

স্থানীয়রা জানান,রাস্তায় যত্র তত্র গাড়ি থামা,লোকাল বাস গুলো হঠাৎ ব্রেক করা,পাল্টা পাল্টিা ওভারটেকিং করা এই সব কারনে সড়কে দূঘটনা বেশি হচ্ছে।
ইটাখোলা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ওসি সাদিকুর রহমান  জানান, ২০১৯ সালের জানুয়ারী মাসে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত নরসিংদী জেলার হাইওয়ে সড়কে দূর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ২৩ জনের। এর মধ্যে মামলা হয় ২৬ টি। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কটি অত্যান্ত ব্যস্ত সড়ক। এখানে চলাচলে  লোকজনকে আরও সতর্ক হতে হবে। 
নরসিংদীর সিভিল সার্জন মো.হেলাল উদ্দিন বলেন, অদক্ষ ড্রাইভার, বেপোরুয়া গাড়ি চালানো থেকে সড়কে এসব দুর্ঘটনা ঘটছে। তবে সরকার এসব ব্যাপারে অনেক শক্ত স্থানে রয়েছে। মানুষ রাস্তা চলাচলের আইন গুলো মেনে চললে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমানো সম্ভব।  

You can share this post on
Facebook

0 Comments

© 2013 All Rights Reserved By সরেজমিনবার্তা