বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন

সংরক্ষিত আসনে আরও দুইজনকে মনোনয়ন দিল আ.লীগ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯
  • ৭০ বার পঠিত

ডাকসু নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে সরকারের প্রতি আস্থা রাখতে চান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখনও সহাবস্থান নেই। তবে সরকারি দলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির পথে তারা বাধা হবে না। আমরা তাদের বিশ্বাস করতে চাই এবং আমরা চাইবো যে, আমাদের ছাত্রসমাজের সংগঠনগুলো যাতে তাদের মত প্রকাশ ও নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পায় আর ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে ও তাদের পছন্দের প্রার্থীদের নির্বাচিত করতে পারে।

এর আগে বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের নিয়ে জিয়ার সমাধিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি।

নজরুল বলেন, সারাদেশে যেমন বিএনপিকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করতে দেয়া হচ্ছে না, আমাদের নেতাকর্মীরা যেমন তাদের ঘর-বাড়িতে থাকতে পারছেন না, তেমনি এদেশের ছাত্র সমাজ দীর্ঘদিন যাবৎ বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে যেতে পারে না। আমরা যারা বিরোধী দল করি তাদের নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে, মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হচ্ছে, খুন ও গুম করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এরকম একটা জটিল পরিস্থিতিতে আমাদের বহু প্রতীক্ষীত ডাকসু নির্বাচন হতে যাচ্ছে। আমরা বলেছি, ডাকসু নির্বাচন যাতে জাতীয় ও স্থায়ী সরকার ভোটের মতো না হয়- এটিই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

নজরুল আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্তৃপক্ষ সরকারের নিয়োজিত। ফলে দুশ্চিন্তার কারণ আছে। কিন্তু আমরা আশা করবো, যে ছাত্রসমাজ আমাদের যুগে যুগে পথ দেখিয়েছে- তাদের সাহসী ভূমিকা দিয়ে আন্দোলন-সংগ্রামের সূচনা করেছে, সেই ছাত্রসমাজ তাদের প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়বে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সমাজ সুষ্ঠু নির্বাচন করতে সরকারকে বাধ্য করবে বলেও মন্তব্য করেন নজরুল ইসলাম খান।

অনুষ্ঠানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, ড্যাবের আহ্বায়ক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, সদস্য সচিব ডা. মো. ওবায়দুল কবির খান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, কৃষকদলের সহ-দফতর সম্পাদক এসকে সাদী, কেন্দ্রীয় নেতা মাইনুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনির বিপরীতে দলের নেতাকর্মীদের ‘জয় হিন্দ’ ও ‘জয় বাংলা’ বলার নির্দেশ দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার এ নির্দেশনার সমালোচনা করে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিএম) নেতা মহম্মদ সেলিম বলেছেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তুলেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেটাই নকল করছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা। চন্দ্রকোনায় মমতার গাড়ি বহরের সামনে ‘জয় শ্রী রাম’ জয়ধ্বনি ঘিরে সূত্রপাত হয় বিতর্কের। এরপর নির্বাচনী প্রচারেও ‘জয় শ্রী রাম’ ইস্যুকে ব্যবহার করে বিজেপি। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মোদি পশ্চিমবঙ্গ এসে মমতার উদ্দেশে বলেন, ‘জয় শ্রী রাম দিদি। আমায় জেলে ঢোকান’। মমতা এর জবাবে বলেন, ‘জয় শ্রী রাম’ বাংলার সংস্কৃতি নয়। বিজেপির স্লোগান তিনি মুখে তুলবেন না। এরপরই ‘জয় শ্রী রাম’র বিপরীতে পাল্টা ‘জয় বাংলা’, ‘জয় হিন্দ’ স্লোগানের প্রচার শুরু করেন মমতা। মমতার জয় বাংলা স্লোগান প্রসঙ্গে রায়গঞ্জের সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘জয় বাংলা’ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের স্লোগান। মুজিবুর রহমান দিয়েছিলেন। এরা (মমতার তৃণমূল) আসলে নকল করতে অভ্যস্ত।’ নিমতায় মৃত দলীয় নেতার পরিবারকে দেখতে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বীকার করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামেও এই স্লোগান ব্যবহৃত হয়েছিল। তবে তিনি এ-ও বলেছেন, প্রথম জয় বাংলা স্লোগান তুলেছিলেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। মমতার দাবি, বিষয়টা দেশ না, বাংলা ভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত।

© All rights reserved © 2019 sorejominbarta.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com