মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৪:৩২ অপরাহ্ন

অ‌নিয়ম ও দূর্নী‌তির আখড়ায় প‌রিণত বি‌সিআই‌সি !

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৬ জুলাই, ২০১৯
  • ৩১৩ বার পঠিত

মো : মিলন মিয়া : বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশনের। এখানে চলছে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি। ফলে ডুবতে বসেছে সরকারের এই প্রতিষ্ঠানটিও। সর্বশেষ নিয়োগ নিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে। কোনো রকম নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে এবং চাকরিবিধি অমান্য করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ২৯ জন কর্মচারীকে। এ নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিয়োগবাণিজ্য, ভর্তিবাণিজ্য, কমিশনবাণিজ্য, ফাইল আটকে রাখা, ঘুষ গ্রহণ সম্পূর্ণ বিধি বর্হিভূতভাবে ২৯ কর্সচারীকে সরাসরি নিয়োগ দেয়ার প্রমাণ পেয়েছে সংসদীয় কমিটি। বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনে (বিএসইসি) তাদের নিয়োগ দেয়া হযেছে। নিয়োগকৃত এসব কর্মচারীদের বেতনভাতা বাবদ প্রতিমাসে ৪৮ লাখ ৬০ হাজার ৩৪০ টাকা ব্যয় হচ্ছে। অনিয়মের অন্য তম তাদেরই তিন জন কর্ম কর্তা।চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান সভাপতি খাঁন সিরাজুল ইসলাম ও সদস্য মো:ফারুক মিয়া

খাঁন সিরাজুল ইসলাম। চাকরি জীবন শুরু করেছিলেন টাইপিস্ট হিসেবে। বর্তমানে বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি) কার্যালয়ে কমন সার্ভিসের হেড অ্যাসিসটেন্স পদে কর্মরত। এ পদে যোগদানের পরই খুলে যায় তার ভাগ্য। রাতারাতি গাড়ি, বাড়ি ও কোটি টাকার মালিক বনে যান। তার নাম খাঁন সিরাজুল ইসলাম। সবাই তাকে খাঁন সাহেব বলে ডাকেন। মো:ফারুক মিয়া তিনি চাকরি জীবন শুরু করেন সুইপার,জারুদার হিসেবে তার আছে নারায়নগঞ্জের পঞ্চবটিতে বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)এর ৭/৮ টি ফ্ল্যাট ভাড়া দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ টাকা গোপন সুত্রে যানা যায় আত্নীয় সজনদের নামে বাংকে কোটি টাকা

খাঁন সিরাজুল ইসলাম সে সব কিছুর বিএসইসির একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট

কয়েক বছরের ব্যবধানে তিনি এ কোটি টাকার সম্পত্তি অর্জন করেন। কি করে এত নিম্নপদের একজন সরকারি কর্মচারী এত দ্রুত কোটি কোটি টাকার মালিক হলেন সবার কাছে এখন সেই প্রশ্ন। বিএসইসিতে তার অনেক দাপট। অফিসের বড় কর্মকর্তাদের দামি দামি গাড়ি ব্যবহার করছেন তিনি। এই বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দুটি লিখিত অভিযোগ জমা পড়লেও দুদকে তার ফাইল অজ্ঞাত কারণে চাপা পড়ে আছে। শিল্প মন্ত্রণালয়েও তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের চিঠি গেছে।

দুদক ও মন্ত্রণালয়ের চিঠি থেকে জানা যায়, চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান ও খাঁন সিরাজুল ইসলাম ওরফে খাঁন সাহেব ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশনে (বিএসইসি) টাইপিস্ট পদে চাকরিতে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি কমন সার্ভিসের হেড অ্যাসিসটেন্স হিসেবে সেখানে আছেন এবং বিএসইসি কর্মচারী সমিতির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগের শেষ নেই। ।

কয়েক বছরেই নিয়োগ ও তদবির বাণিজ্য করে তিনি কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা কামিয়েছেন। এই চাকরি করেই রাজধানীতে কোটি টাকার ফ্ল্যাট কেনার পাশাপাশি গ্রামের বাড়িতেও তৈরি করছেন আলিশান বাড়ি। এমনকি কয়েকটি ব্যাংক একাউন্টে কয়েক কোটি টাকা জমা রয়েছে। এমন তথ্যও দুদকের কাছে দেওয়া হয়েছে।

দুদকের কাছে দেওয়া ওই চিঠি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, মিরপুর ১০ নাম্বারে তিনি একটি অত্যাধুনিক ফ্ল্যাট ক্রয় করে বসবাস করছেন (প্লট) নং : ০৮, তৃতীয়তলা, রোড নং : ১০, ব্লক সি,) বাড়ির নাম হাইপিরিয়ন লিবার্টি সিরাজুল ইসলাম। তাছাড়া প্রাপ্যতার বাইরে খাঁন সাহেব ঢাকা মেট্রো খ-১২-০৭৫৭ (নিশান) গাড়িটি ব্যবহার করছেন। বিএসইসির এ গাড়িটি পরিচালক (বাণিজ্যিক) ব্যবহার করার কথা, কিন্তু কাগজে-কলমে পরিবহন পুলে থাকলেও বাস্তবে তা ব্যবহার করছেন সিরাজুল ইসলাম। বিষয়টি নিয়ে খাঁন সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করতে মুঠো ফোনে একাধিক বার কল করেও রিসিভ করেনি

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2019 sorejominbarta.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com