মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন

মাগুরা সংকোচখালী গ্রামে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে সামাজিক দুপক্ষের ব্যাপক সংঘর্ষ: আহত ২৫ জন

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৫ মে, ২০১৯
  • ৪২২ বার পঠিত

মোঃ শাহারুল ইসলাম, মাগুরা প্রতিনিধি :
মাগুরা সদর উপজেলার গোপালগ্রাম ইউনিয়নের সংকোচখালী গ্রামের পুর্বপাড়ায় সামাজিক দুই দলের মারিমারি সংঘটিত হয়েছে। শুক্রবার গ্রামের সামাজিক মাতুব্বর তৈয়বুন রহমান খোকন ও পান্নু গ্রুপের দলীয় সমর্থিত সিদ্দিক মেম্বারের সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘাতের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , শুক্রবার দুপুরে এলাকাধীনীয় মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে আসে দুই সামাজিক ও স্থানীয় পক্ষের লোকেরা।

নামাজ শেষে খোকন মাতুব্বর গ্রুপের লোক আয়ুব জোয়ারদারের ছেলে হৃদয়, বাদশা মিয়ার ছেলে নয়ন, খোকনের ছেলে আকাশ সহ অনেকের সঙ্গে পুর্বের জের ধরে হঠাৎ করে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে পান্নু গ্রুপের লোক হেলালের ছেলে মামুন, বকুল মোল্যার ছেলে হাসিবুল, বিল্লালের ছেলে ফেরদৌস সহ আরো অনেকে।

উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায় উত্তেজিত হলে দুপক্ষের ছেলেদের মধ্যে মারামারি লেগে যায়। এসময় দুপক্ষের লাঠিসোটা, শোড়কি, রামদাসহ কোপাকুপি শুরু হলে উভয় দলের কমপক্ষে ২৫ জন মারাত্মক ভাবে আহত হয়।

গুরুতর আহত ব্যাক্তিদেরকে দ্রুত মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে ওই মারামারির সময় পান্নু গ্রুপের লোকেরা খোকন গ্রুপের লোকেদের ৪/ ৫ টা বাড়িঘরে হামলা করে বলে জানা যায়।

হামলার বিষয়ে হামলাকৃত বাড়িগুলোর মালিক ওলিয়ার ফকির, আঃ কাদের মিয়া, মোকছেদ মুন্সি, কাসেম মিয়া সহ অনেকের পরিবার পান্নুর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। তারা বলেন, হঠাৎ করে পান্নু গ্রুপের লোকজন আমাদের বাড়িতে এসে ভাংচুর চালানোর চেষ্টা করে। সেইসঙ্গে হুমকিও দিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন। এসময় ওই সব বাড়িগুলোতে মহিলারা উপস্থিত ছিলো বলে জানা গেছে।

এদিকে সরোজমিনে দেখা গেছে ঘটনার পর থেকে গোটা এলাকার সবার মধ্যে পুনরায় সংঘাতের এক ধরনের আতংক বিরাজমান। তবে ওই গ্রামে এখন আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে পুলিশি টহল দেখা গেছে।

স্থানীয় শত্রুজিৎপুর পুলিশ ক্যাম্পে গ্রাম থেকে কিছু শোড়কি উদ্ধার করা হয়েছে সেইসঙ্গে পুনরায় সংঘাত ঠেকাতে পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনির বিপরীতে দলের নেতাকর্মীদের ‘জয় হিন্দ’ ও ‘জয় বাংলা’ বলার নির্দেশ দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার এ নির্দেশনার সমালোচনা করে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিএম) নেতা মহম্মদ সেলিম বলেছেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তুলেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেটাই নকল করছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা। চন্দ্রকোনায় মমতার গাড়ি বহরের সামনে ‘জয় শ্রী রাম’ জয়ধ্বনি ঘিরে সূত্রপাত হয় বিতর্কের। এরপর নির্বাচনী প্রচারেও ‘জয় শ্রী রাম’ ইস্যুকে ব্যবহার করে বিজেপি। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মোদি পশ্চিমবঙ্গ এসে মমতার উদ্দেশে বলেন, ‘জয় শ্রী রাম দিদি। আমায় জেলে ঢোকান’। মমতা এর জবাবে বলেন, ‘জয় শ্রী রাম’ বাংলার সংস্কৃতি নয়। বিজেপির স্লোগান তিনি মুখে তুলবেন না। এরপরই ‘জয় শ্রী রাম’র বিপরীতে পাল্টা ‘জয় বাংলা’, ‘জয় হিন্দ’ স্লোগানের প্রচার শুরু করেন মমতা। মমতার জয় বাংলা স্লোগান প্রসঙ্গে রায়গঞ্জের সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘জয় বাংলা’ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের স্লোগান। মুজিবুর রহমান দিয়েছিলেন। এরা (মমতার তৃণমূল) আসলে নকল করতে অভ্যস্ত।’ নিমতায় মৃত দলীয় নেতার পরিবারকে দেখতে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বীকার করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামেও এই স্লোগান ব্যবহৃত হয়েছিল। তবে তিনি এ-ও বলেছেন, প্রথম জয় বাংলা স্লোগান তুলেছিলেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। মমতার দাবি, বিষয়টা দেশ না, বাংলা ভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত।

© All rights reserved © 2019 sorejominbarta.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com