বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন

ভারতের স্থানীয় ‘খাসি’ ভাষায় কুরআনের অনুবাদ প্রকাশ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯
  • ৫৩ বার পঠিত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইসলাম ও কুরআনের বাণী ছড়িয়ে দেয়ার মানসে স্থানীয় ও উপজাতি ভাষায় প্রকাশিত হয়ে আসছে পবিত্র গ্রন্থ কুরআনের অনুবাদ ও তাফসির। এবার ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্য মেঘালয়ের স্থানীয় ‘খাসি’ ভাষায় অনূদিত হলো পবিত্র কুরআন।

গত শনিবার ভারতের মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী শিলংয়ে স্থানীয় ‘খাসি’ ভাষায় অনূদিত কুরআনের প্রকাশনা অনুষ্ঠিত হয়। খবর শিলং টাইমস।

সেং ভালাং ইসলাম ইনস্টিটিউট (Seng Bhalang Islam institute) কুরআনের ইংরেজি ভার্সন থেকে স্থানীয় ‘খাসি’ ভাষাভাষী মানুষের জন্য কুরআনের অনুবাদ প্রকাশ করে।

‘খাসি’ ভাষায় কুরআনের অনুবাদ হওয়ায় স্থানীয়রা সহজেই কুরআনের জ্ঞানার্জন ও বিধান বাস্তবায়নে সক্ষম হবে।

‘খাসি’ ভাষায় অনুবাদের সম্পাদনা বোর্ড দীর্ঘ ১২ বছরের পরিশ্রমে ১২৫১ পৃষ্ঠার এ পাণ্ডুলিপিটি প্রকাশ করে। প্রাথমিকভাবে এ ভাষায় কুরআনের ৩হাজার কপি ছাপানো হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, ‘খাসি’ ভাষা অস্টোয়াসেটিক ভাষার অংশ। মেঘালয়ে এ ভাষার ১.৬ মিলিয়ন তথা ১৬ লাখ লোকের বসবাস। এ ছাড়াও ভারতের সীমান্তবর্তী দেশে বসবাসকারী অনেকেরই মাতৃভাষা ‘খাসি’।

২০০৫ সাল থেকে মেঘালয় জেলার অনেক অফিসে ‘খাসি’ ভাষাকে সহযোগি অফিসিয়াল ভাষা হিসেবে ব্যবহৃর করে আসছে। ২০১২ সালের জরিপে ইউনেস্কো ‘খাসি’ ভাষাকে বিপন্ন ভাষা হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করেনি।

‘খাসি’ ভাষায় কুরআনের অনুবাদ হওয়ায় ইসলাম ও কুরআনের দাওয়াতের প্রচার-প্রচারণা আরেক ধাপ এগিয়ে গেল। এভাবে পৃথিবীর সব ভাষায় অনুবাদ হবে মহাগ্রন্থ আল-কুরআন। সে প্রত্যাশায়…

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনির বিপরীতে দলের নেতাকর্মীদের ‘জয় হিন্দ’ ও ‘জয় বাংলা’ বলার নির্দেশ দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার এ নির্দেশনার সমালোচনা করে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিএম) নেতা মহম্মদ সেলিম বলেছেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তুলেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেটাই নকল করছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা। চন্দ্রকোনায় মমতার গাড়ি বহরের সামনে ‘জয় শ্রী রাম’ জয়ধ্বনি ঘিরে সূত্রপাত হয় বিতর্কের। এরপর নির্বাচনী প্রচারেও ‘জয় শ্রী রাম’ ইস্যুকে ব্যবহার করে বিজেপি। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মোদি পশ্চিমবঙ্গ এসে মমতার উদ্দেশে বলেন, ‘জয় শ্রী রাম দিদি। আমায় জেলে ঢোকান’। মমতা এর জবাবে বলেন, ‘জয় শ্রী রাম’ বাংলার সংস্কৃতি নয়। বিজেপির স্লোগান তিনি মুখে তুলবেন না। এরপরই ‘জয় শ্রী রাম’র বিপরীতে পাল্টা ‘জয় বাংলা’, ‘জয় হিন্দ’ স্লোগানের প্রচার শুরু করেন মমতা। মমতার জয় বাংলা স্লোগান প্রসঙ্গে রায়গঞ্জের সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘জয় বাংলা’ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের স্লোগান। মুজিবুর রহমান দিয়েছিলেন। এরা (মমতার তৃণমূল) আসলে নকল করতে অভ্যস্ত।’ নিমতায় মৃত দলীয় নেতার পরিবারকে দেখতে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বীকার করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামেও এই স্লোগান ব্যবহৃত হয়েছিল। তবে তিনি এ-ও বলেছেন, প্রথম জয় বাংলা স্লোগান তুলেছিলেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। মমতার দাবি, বিষয়টা দেশ না, বাংলা ভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত।

© All rights reserved © 2019 sorejominbarta.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com