মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন

পেনশনে সুবিধা বাড়ল

আনিসুর রহমান
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১১ জুন, ২০১৯
  • ১০৩ বার পঠিত

জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ জারির ফলে ৬৫ ঊর্ধ্ব পেনশনারের পেনশন ও চিকিৎসা ভাতার হার নির্ধারণের বিষয়ে উদ্ভূত সমস্যা নিরসনে মতামত দিয়েছে অর্থ বিভাগ।

মতামত অনুযায়ী, পেনশনভোগীর বয়স যে তারিখে ৬৫ বছর ১ দিন পূর্ণ হবে, সেদিন থেকে ২০১৫ সালের ৩০ জুনে প্রাপ্ত নিট পেনশনের ভিত্তিতে তাদের পেনশনের পরিমাণ ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে আড়াই হাজার টাকা হারে মাসিক চিকিৎসা ভাতা পাবেন তারা।

অর্থ বিভাগের উপ-সচিব আছমা আরা বেগম স্বাক্ষরিত এ মতামত পত্রটি গত ৩০ মে হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।  আজ মঙ্গলবার (১১ জুন) এটি প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করেছে অর্থ বিভাগ।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মাসিক নিট পেনশনপ্রাপ্ত অবসরভোগী ও আজীবন পারিবারিক পেনশনভোগীর বয়স ৬৫ বছর ১ দিন পূর্ণ হওয়ার দিন থেকে ২০১৫ সালের ৩০ জুনে প্রাপ্ত নিট পেনশনের ভিত্তিতে তাদের পেনশনের পরিমাণ ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। তবে ২০১৫ সালের ১ জুলাইয়ের আগে যাদের বয়স ৬৫ বছরের কম ছিল, তাদের পেনশনের পরিমাণ প্রথমে ২০১৫ সালের ৩০ জুনে প্রাপ্ত নিট পেনশনের ওপর ২০১৫ সালের ১ জুলাই ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

একই সঙ্গে, যে তারিখে তাদের বয়স ৬৫ বছর ১ দিন পূর্ণ হবে, সে দিন থেকে পেনশন ২০১৫ সালের ৩০ জুনে প্রাপ্ত নিট পেনশনের ভিত্তিতে অবশিষ্ট ১০ শতাংশ বৃদ্ধি প্রদেয় হবে। মাসিক নিট পেনশনপ্রাপ্ত অবসরভোগী ও আজীবন পারিবারিক পেনশনভোগীদের বয়স ৬৫ বছর ১ দিন পূর্ণ হওয়ার দিন থেকে তারা আড়াই হাজার টাকা হারে মাসিক চিকিৎসা ভাতা পাবেন।

এছাড়া যে সকল পেনশনার প্রতি বছর ১ জুলাই নিট পেনশনের ওপর ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট (বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি) পাওয়ার পর একই বছরে ৬৫ বছর ঊর্ধ্ব বয়সে উপনীত হবেন, তাদের ক্ষেত্রে একই বছরে অবশিষ্ট ১০ শতাংশ বৃদ্ধিজনিত কারণে দুই বার নিট পেনশন বৃদ্ধির অপশন অনলাইনে চালুর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

একইভাবে উক্ত পেনশনার একই বছরে যে তারিখে ৬৫ বছরের ঊর্ধ্ব বয়সে উপনীত হবেন, সে তারিখ থেকে চিকিৎসা ভাতা মাসিক ২ হাজার টাকা হারে প্রাপ্তির অপশন অনলাইনে চালু করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনির বিপরীতে দলের নেতাকর্মীদের ‘জয় হিন্দ’ ও ‘জয় বাংলা’ বলার নির্দেশ দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার এ নির্দেশনার সমালোচনা করে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিএম) নেতা মহম্মদ সেলিম বলেছেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তুলেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেটাই নকল করছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা। চন্দ্রকোনায় মমতার গাড়ি বহরের সামনে ‘জয় শ্রী রাম’ জয়ধ্বনি ঘিরে সূত্রপাত হয় বিতর্কের। এরপর নির্বাচনী প্রচারেও ‘জয় শ্রী রাম’ ইস্যুকে ব্যবহার করে বিজেপি। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মোদি পশ্চিমবঙ্গ এসে মমতার উদ্দেশে বলেন, ‘জয় শ্রী রাম দিদি। আমায় জেলে ঢোকান’। মমতা এর জবাবে বলেন, ‘জয় শ্রী রাম’ বাংলার সংস্কৃতি নয়। বিজেপির স্লোগান তিনি মুখে তুলবেন না। এরপরই ‘জয় শ্রী রাম’র বিপরীতে পাল্টা ‘জয় বাংলা’, ‘জয় হিন্দ’ স্লোগানের প্রচার শুরু করেন মমতা। মমতার জয় বাংলা স্লোগান প্রসঙ্গে রায়গঞ্জের সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘জয় বাংলা’ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের স্লোগান। মুজিবুর রহমান দিয়েছিলেন। এরা (মমতার তৃণমূল) আসলে নকল করতে অভ্যস্ত।’ নিমতায় মৃত দলীয় নেতার পরিবারকে দেখতে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বীকার করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামেও এই স্লোগান ব্যবহৃত হয়েছিল। তবে তিনি এ-ও বলেছেন, প্রথম জয় বাংলা স্লোগান তুলেছিলেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। মমতার দাবি, বিষয়টা দেশ না, বাংলা ভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত।

© All rights reserved © 2019 sorejominbarta.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com