মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন

সুপারিশের ভিত্তিতে এমপিওর প্রস্তাব নাকচ

আনিসুর রহমান
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১১ জুন, ২০১৯
  • ৪৯ বার পঠিত

সংসদ সদস্যদের সুপারিশের ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির দাবি সংসদে নাকচ হয়েছে। এ সংক্রান্ত সরকারদলীয় এমপির প্রস্তাব বাতিল করে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার ক্ষেত্রে নীতিমালার বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। তবে বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে এক সম্পূরক প্রশ্নে সরকারদলীয় এমপি খন্দকার গোলাম ফারুক এমপিদের সুপারিশের ভিত্তিতে এমপিওভুক্তির প্রস্তাব করেন। তার জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।

সম্পূরক প্রশ্নে খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, তারা রাজনৈতিক দল থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনের আগে এমপিওভুক্তির অঙ্গীকার ছিল। জনগণ সবকিছুর জন্য এমপিদের কাছে আসেন। তিনি জানতে চান শুধু নীতিমালা নয়, এমপিদের কাছ থেকে তালিকা নিয়ে এবং তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে এমপিওভুক্ত করা হবে কি না।

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার সরকার সবকিছুতে যোগ্যতার মাপকাঠিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। অতীতে দেখা গেছে, কীভাবে দলীয় বিবেচনাকে অপব্যবহার করে দেশে যোগ্যতাকে ছুড়ে ফেলা হয়েছে, মানকে গুরুত্ব দেয়া হয়নি, ন্যক্কারজনকভাবে সবক্ষেত্রে দলীয়করণ করা হয়েছে। বর্তমান সরকার জনগণের সরকার। জনগণের অধিকারের ব্যাপারে শেখ হাসিনার সরকার সচেতন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার ক্ষেত্রে যোগ্যতাকে বড় মাপকাঠি ধরা হচ্ছে। বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে যোগ্যতা শিথিল করারও ব্যবস্থা আছে।

তিনি আরও বলেন, দুর্গম অঞ্চল, হাওর অঞ্চল, চরাঞ্চল, বিশেষায়িত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে শৈথিল্য দেখানোর সুযোগ নীতিমালায় নেই। নীতিমালার বাইরে গিয়ে কিছু করার সুযোগ নেই। তবে এবার আর ১০ বছর অপেক্ষা করতে হবে না। যেসব প্রতিষ্ঠান যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি, তারা যোগ্যতা অর্জন করলে এমপিওভুক্ত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনির বিপরীতে দলের নেতাকর্মীদের ‘জয় হিন্দ’ ও ‘জয় বাংলা’ বলার নির্দেশ দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার এ নির্দেশনার সমালোচনা করে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিএম) নেতা মহম্মদ সেলিম বলেছেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তুলেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেটাই নকল করছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা। চন্দ্রকোনায় মমতার গাড়ি বহরের সামনে ‘জয় শ্রী রাম’ জয়ধ্বনি ঘিরে সূত্রপাত হয় বিতর্কের। এরপর নির্বাচনী প্রচারেও ‘জয় শ্রী রাম’ ইস্যুকে ব্যবহার করে বিজেপি। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মোদি পশ্চিমবঙ্গ এসে মমতার উদ্দেশে বলেন, ‘জয় শ্রী রাম দিদি। আমায় জেলে ঢোকান’। মমতা এর জবাবে বলেন, ‘জয় শ্রী রাম’ বাংলার সংস্কৃতি নয়। বিজেপির স্লোগান তিনি মুখে তুলবেন না। এরপরই ‘জয় শ্রী রাম’র বিপরীতে পাল্টা ‘জয় বাংলা’, ‘জয় হিন্দ’ স্লোগানের প্রচার শুরু করেন মমতা। মমতার জয় বাংলা স্লোগান প্রসঙ্গে রায়গঞ্জের সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘জয় বাংলা’ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের স্লোগান। মুজিবুর রহমান দিয়েছিলেন। এরা (মমতার তৃণমূল) আসলে নকল করতে অভ্যস্ত।’ নিমতায় মৃত দলীয় নেতার পরিবারকে দেখতে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বীকার করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামেও এই স্লোগান ব্যবহৃত হয়েছিল। তবে তিনি এ-ও বলেছেন, প্রথম জয় বাংলা স্লোগান তুলেছিলেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। মমতার দাবি, বিষয়টা দেশ না, বাংলা ভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত।

© All rights reserved © 2019 sorejominbarta.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com