মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ০৮:১১ পূর্বাহ্ন

বিএনপি কার্যালয়ে তালা দিল ছাত্রদল

আনিসুর রহমান
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১১ জুন, ২০১৯
  • ৮৭ বার পঠিত

বয়সসীমা বাতিলের দাবিতে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মূল ফটকে তালা দিয়েছেন ছাত্রদলের বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ছাত্রদলের শ খানেক নেতাকর্মী ফটকে তালা দিয়ে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন।

ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে অস্থিরতা চলছে। এরই অংশ হিসেবে  আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে দেন বিলুপ্ত কমিটির নেতাকর্মীরা ।

গত ৩ জুন রাতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত করে গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়। এতে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের কথা বলা হয়। নতুন কমিটিতে নেতা হওয়ার যোগ্যতা হিসেবে ২০০০ সাল থেকে পরবর্তী যেকোনো বছরে এসএসসি/সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে বলে জানানো হয়।

সর্বশেষ ২০১৪ সালের অক্টোবরে রাজীব আহসানকে সভাপতি ও আকরামুল হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে দুই বছরের জন্য ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি করা হয়। ২০১৬ সালের অক্টোবরে এই কমিটির মেয়াদ শেষ হয়।

বিলুপ্ত কমিটির সহ-সভাপতি এজমল হোসেন পাইলট ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে বিক্ষোভ হয়।

একপর্যায়ে কার্যালয়ে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও ছাত্রদলের সাবেক নেতারা। বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমানউল্লাহ আমান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু ও বরকতউল্লা বুলু বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের কথা শোনার চেষ্টা করেন। তবে ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা ‘মানি না, মানব না’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন।

গত ৯ জুন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের কাউন্সিল উপলক্ষে তিনটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিগুলো হলো- নির্বাচন পরিচালনা, বাছাই ও আপিল কমিটি।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান করা হয়েছে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, এবিএম মোশাররফ হোসেন, শফিউল বারী বাবু, আমিরুল ইসলাম খান আলিম, রাজিব আহসান।

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলনকে বাছাই কমিটির প্রধান করা হয়েছে। এ কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- আজিজুল বারী হেলাল, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, আবদুল কাদির ভুইয়া জুয়েল, হাবিবুর রশিদ হাবিব ও আকরামুল হাসান।

আপিল কমিটির প্রধান করা হয়েছে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- ড. আসাদুজ্জমান রিপন, আমানউল্লাহ আমান।

ঈদের আগে ছাত্রদলের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্ত করে দ্রুত কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কমিটি করার সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনির বিপরীতে দলের নেতাকর্মীদের ‘জয় হিন্দ’ ও ‘জয় বাংলা’ বলার নির্দেশ দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার এ নির্দেশনার সমালোচনা করে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিএম) নেতা মহম্মদ সেলিম বলেছেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তুলেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেটাই নকল করছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা। চন্দ্রকোনায় মমতার গাড়ি বহরের সামনে ‘জয় শ্রী রাম’ জয়ধ্বনি ঘিরে সূত্রপাত হয় বিতর্কের। এরপর নির্বাচনী প্রচারেও ‘জয় শ্রী রাম’ ইস্যুকে ব্যবহার করে বিজেপি। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মোদি পশ্চিমবঙ্গ এসে মমতার উদ্দেশে বলেন, ‘জয় শ্রী রাম দিদি। আমায় জেলে ঢোকান’। মমতা এর জবাবে বলেন, ‘জয় শ্রী রাম’ বাংলার সংস্কৃতি নয়। বিজেপির স্লোগান তিনি মুখে তুলবেন না। এরপরই ‘জয় শ্রী রাম’র বিপরীতে পাল্টা ‘জয় বাংলা’, ‘জয় হিন্দ’ স্লোগানের প্রচার শুরু করেন মমতা। মমতার জয় বাংলা স্লোগান প্রসঙ্গে রায়গঞ্জের সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘জয় বাংলা’ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের স্লোগান। মুজিবুর রহমান দিয়েছিলেন। এরা (মমতার তৃণমূল) আসলে নকল করতে অভ্যস্ত।’ নিমতায় মৃত দলীয় নেতার পরিবারকে দেখতে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বীকার করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামেও এই স্লোগান ব্যবহৃত হয়েছিল। তবে তিনি এ-ও বলেছেন, প্রথম জয় বাংলা স্লোগান তুলেছিলেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। মমতার দাবি, বিষয়টা দেশ না, বাংলা ভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত।

© All rights reserved © 2019 sorejominbarta.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com