বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন

রান্নাঘর পরিষ্কার রাখবেন যেভাবে

আনিসুর রহমান
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১০ জুন, ২০১৯
  • ১৩৯ বার পঠিত

সুস্থতার জন্য স্বাস্থ্যোকর উপায়ে খাবার তৈরি ও পরিবেশন জরুরি। সেজন্য সবার আগে প্রয়োজন রান্নাঘর পরিষ্কার রাখা। কারণ রান্না করতে গিয়ে সবজির খোসা, তেল-ঝোল ইত্যাদি ছড়িয়ে ছিটিয়ে খুব সহজেই রান্নাঘর নোংরা হয়ে যায়। আর সেখান থেকেই ছড়াতে পারে জীবাণু। তাই রান্নাঘর পরিষ্কার করতে হবে নিয়মিত। জেনে নিন সহজ কিছু উপায়-

রান্না হয়ে গেলেই চুলা ও চুলার চারপাশ পরিষ্কার করে ফেলুন। পরে করবেন বলে ফেলে রাখবেন না। খাবার সার্ভ করার সময়ে বা তেল ঢালার সময়ে পড়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে মুছে নিতে হবে। দাগ পুরনো হলেই তা তুলতে সমস্যা হয়।

রান্নাঘরের মেঝে দিনে দু’বার মুছে পরিষ্কার করুন। সকালে ও রাতে রান্নার পরে মুছলেই ভালো। রাতে মুছতে অসুবিধা হলে মব দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে পারেন।

রান্নাঘরের বেসিন সব সময় যেন ঝকঝকে থাকে। বেসিনে এঁটো কাপ, প্লেট জমিয়ে রাখবেন না। যদি এঁটো থালা বাটি রাখতেই হয়, বেসিনের নিচে ঢাকা দেওয়া জায়গায় রাখুন। বেসিনের মুখে কিছু আটকে গেলে ভিনিগার ঢেলে রাখতে পারেন। কয়েক ঘণ্টা পরে নিজে থেকেই বেসিনের মুখ খুলে যাবে।

রান্নাঘরে চিমনির গায়েও কিন্তু তেল জমে। প্রতিদিনের তেলময়লা তুলে নিলে ঝামেলা কম। অটোক্লিন চিমনি না হলে চিমনি খুলে পরিষ্কার করার ব্যাপার থাকে। তাহলে সপ্তাহে একদিন পরিষ্কার করুন। কিন্তু চিমনির চারপাশে, উপরে রোজ ভেজা টিসু বা স্পঞ্জ দিয়ে ঘষে মুছে নিতে হবে।

রান্নাঘরে তেলাপোকার উৎপাত প্রায় প্রতি ঘরের সমস্যা। তা এড়াতে একটি পাত্রে বাসন মাজার লিকুইড সোপের মধ্যে পরিমাণমতো পানি মিশিয়ে নিন। এক চামচ সাবান হলে ছোট এক বাটি পানি নিলেই চলে। তারপরে মিশ্রণটি রান্নাঘরের নানা জায়গায় ছড়িয়ে দিন। যেসব জায়গা থেকে তেলাপোকা, পোকামাকড়ের উৎপত্তি, সেখান ছড়ালে নির্বংশ হবে তারা।

সপ্তাহান্তে রান্নাঘরের কৌটো সাফ করে নিন। কৌটোর উপরেও ময়লা জমে। একগ্লাস পানিতে ১ টেবিল চামচ বেকিং সোডা গুলে নিন। সেই পানিতে পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে কৌটোর মুখের ময়লা তুলে নিন।

চিমনি খুলে পরিষ্কার করতে হবে। চিমনি অটো ক্লিন হলে তো ঝামেলা নেই। তবুও চিমনির বাইরের তেলময়লা ঈষদুষ্ণ পানিতে সাবান গুলে পরিষ্কার করতে পারেন। বছরে দু’বার কোম্পানির থেকে যে সার্ভিস করানো হয়, তা করাতে হবে।

রান্নাঘরের দেওয়ালে টাইলস পরিষ্কার করতে পুরনো টুথব্রাশ বা কাপড় কাচার ব্রাশ আর সাবানজল ব্যবহার করতে পারেন।

রান্নাঘরে জানালার গ্রিল বা এগজস্ট ফ্যানেও তেলঝুল জমে। তাই মাসে এক দিন নিজে বা প্রশিক্ষিত লোক ডেকেও তা পরিষ্কার করিয়ে নিতে পারেন।

ক্যাবিনেটও পরিষ্কার করুন। ভিতরটা মুছুন শুকনো কাপড় দিয়ে। বাইরেটা সাফ করতে ভিজে তোয়ালে ব্যবহার করতে পারেন।

রান্নাঘরে যেসব ইলেকট্রিক অ্যাপ্লায়েন্স থাকে অর্থাৎ টোস্টার, গ্রিলার বা মিক্সার-গ্রাইন্ডার, সেগুলো তাকে তুলে রাখুন। ব্যবহার করার সময়ে বার করে পরে মুছে তুলে রাখুন। কভারও ব্যবহার করা যায়। কুরুশের বা ডাব্ল লেয়ারের প্রিন্টেড কভার পেয়ে যাবেন বাজারে।

একগাদা বাসন রান্নাঘরের টেবিলে স্তূপ করে না রেখে কাজ শেষে তা ক্যাবিনেটে ঢুকিয়ে রাখুন।

ঢাকনা দিয়ে রান্না করুন। তাহলে তেলকালির দাগ বেশি পড়বে না। ফোড়ন দেওয়ার সময়েও এক হাতে সাঁড়াশি দিয়ে ঢাকনা ধরে রাখুন কড়াইয়ের উপরে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2019 sorejominbarta.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com