মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ০৭:২১ পূর্বাহ্ন

আজও দৌলতদিয়ায় কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়

আনিসুর রহমান
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১০ জুন, ২০১৯
  • ২৩ বার পঠিত

প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন শেষে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ। আজ ঈদের ৬ষ্ঠ দিনেও দেশের গুরুত্বপূর্ণ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটে কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এদিকে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন ঘাট কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে ফেরিঘাটে লোকাল যাত্রীসহ ছোট গাড়ি, প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসের চাপ রয়েছে এবং সড়কে অল্প কিছু যানবাহনকে সিরিয়ালে থাকতে দেখা গেছে। তবে সময় যত বাড়বে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ ততই বাড়বে বলে ধারণা ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষের।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট এলাকায় কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলা থেকে আসা যানবাহন ও যাত্রীদের নদী পারাপারে ঈদের আগে ও পরে তেমন কোনো ভোগান্তি না হলেও তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মানুষ। গত দুই-তিনদিনে দুপুরের পর নদী পারাপারের অপেক্ষায় থাকা যানবাহনের সারি দীর্ঘ হতে দেখা গেছে।

অপরদিকে ঘাট এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ও যানজট নিরসনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত সংখ্যক সদস্যদের কাজ করতে দেখে গেছে।

দৌলতদিয়া ঘাট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ছোট-বড় ২০টি ফেরি ও ৩৪টি লঞ্চ চলাচল করছে এবং ৬টি ফেরিঘাটের সবকটিই সচল রয়েছে।

দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটের সুপারভাইজার মো. নুরুল আনোয়ার মিলন বলেন, আজও ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ অনেক। দুর্ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত কোনো যাত্রী বহন করা হচ্ছে না। এছাড়া পর্যাপ্ত লঞ্চ থাকায় যাত্রী পারাপারে কোনো সমস্যাও হচ্ছে না।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. আবু আব্দুল্লাহ বলেন, ঘাটে আজ লোকাল যাত্রীর চাপ রয়েছে। তবে কোনো যানবাহনকে সিরিয়ালে থাকতে হচ্ছে না। যানবাহনগুলো সরাসরি ফেরিতে উঠতে পারছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনির বিপরীতে দলের নেতাকর্মীদের ‘জয় হিন্দ’ ও ‘জয় বাংলা’ বলার নির্দেশ দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার এ নির্দেশনার সমালোচনা করে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিএম) নেতা মহম্মদ সেলিম বলেছেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তুলেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেটাই নকল করছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা। চন্দ্রকোনায় মমতার গাড়ি বহরের সামনে ‘জয় শ্রী রাম’ জয়ধ্বনি ঘিরে সূত্রপাত হয় বিতর্কের। এরপর নির্বাচনী প্রচারেও ‘জয় শ্রী রাম’ ইস্যুকে ব্যবহার করে বিজেপি। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মোদি পশ্চিমবঙ্গ এসে মমতার উদ্দেশে বলেন, ‘জয় শ্রী রাম দিদি। আমায় জেলে ঢোকান’। মমতা এর জবাবে বলেন, ‘জয় শ্রী রাম’ বাংলার সংস্কৃতি নয়। বিজেপির স্লোগান তিনি মুখে তুলবেন না। এরপরই ‘জয় শ্রী রাম’র বিপরীতে পাল্টা ‘জয় বাংলা’, ‘জয় হিন্দ’ স্লোগানের প্রচার শুরু করেন মমতা। মমতার জয় বাংলা স্লোগান প্রসঙ্গে রায়গঞ্জের সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘জয় বাংলা’ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের স্লোগান। মুজিবুর রহমান দিয়েছিলেন। এরা (মমতার তৃণমূল) আসলে নকল করতে অভ্যস্ত।’ নিমতায় মৃত দলীয় নেতার পরিবারকে দেখতে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বীকার করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামেও এই স্লোগান ব্যবহৃত হয়েছিল। তবে তিনি এ-ও বলেছেন, প্রথম জয় বাংলা স্লোগান তুলেছিলেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। মমতার দাবি, বিষয়টা দেশ না, বাংলা ভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত।

© All rights reserved © 2019 sorejominbarta.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com