মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন

ক্লে কোর্টের রাজার মাথায়’ই উঠলো ফ্রেঞ্চ ওপেনের মুকুট

আনিসুর রহমান
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৯ জুন, ২০১৯
  • ৫২ বার পঠিত

লাল দুর্গের রাজা তিনি। অধিপতি, সম্রাট, প্রতাপশালী বাদশা- যে কোন নামেই ডাকুন না কেন, ফ্রেঞ্চ ওপেনে রাফায়েল নাদালের যে কর্তৃত্ব- তাকে কোনোভাবেই পরিমাপ করা সম্ভব নয়। রোলাঁ গাঁরোর লাল মাটির কোর্টে নামলেই কেন যেন অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠে স্প্যানিশ টেনিস তারকা। সেমিফাইনালে রজার ফেদেরারকে যেভাবে উড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি, তাতে করে আরও একটি ফ্রেঞ্চ ওপেনের মুকুট তার মাথায় শোভা পেতে যাচ্ছে, সেটা অনুমিতই ছিল। শেষ পর্যন্ত সেটাই সত্যি হলো। অস্ট্রিয়ান টেনিস তারকা ডমিনিক থিয়েমকেও নিজের সামনে দাঁড়াতেন দেননি। চার সেটেই শেষ করে দিয়েছেন ম্যাচ। দ্বিতীয় সেটটা নিজের মত করে হয়নি। না হয়, ৩ সেটেই ম্যাচ শেষ হয়ে যেতে পারতো। তবুও শেষ পর্যন্ত ৬-৩, ৫-৭, ৬-১, ৬-১ সেটে ডমিনিক থিয়েমকে হারিয়ে দিয়ে রেকর্ড ১২তম ফ্রেঞ্চ ওপেনের শিরোপা জিতে নিলেন রাফায়েল নাদাল। এবারের ফ্রেঞ্চ ওপেন জিতে রাফায়েল নাদাল কিন্তু চির প্রতিদ্বন্দ্বী এবং বন্ধু রজার ফেদেরারের একেবারের ঘাড়ের ওপর নিঃশ্বাস ফেলছে। পুরুষ এককে সবচেয়ে বেশি ২০টি গ্রান্ড স্ল্যাম জিতে সবার ওপরে রয়েছেন রজার ফেদেরার। রাফায়েল নাদাল এখন ফেদেরারের চেয়ে রয়েছেন মাত্র ২টি গ্র্যান্ড স্লাম পেছনে। অর্থ্যাৎ, তার ঝুলিতে রয়েছে মোট ১৮টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম শিরোপা। শিরোপা জয়ের পর প্রতিপক্ষ ডমিনিককেই উল্টো ধন্যবাদ জানালেন নাদাল। তিনি বলেন, ‘অভিনন্দন ডমিনিককে। আমি সত্যিই খুব দুঃখিত। কারণ, এই শিরোপাটা তারও প্রাপ্য ছিল। আমি সত্যিই আশাবাদী, ভবিষ্যতে সে এই শিরোপাটা জয় করতে পারবে। এই খেলার প্রতি তার অবিশ্বাস্য রকমের মনযোগ এবং আকর্ষণ রয়েছে। আমি তাকে সাহস দিতে চাই।’

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনির বিপরীতে দলের নেতাকর্মীদের ‘জয় হিন্দ’ ও ‘জয় বাংলা’ বলার নির্দেশ দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার এ নির্দেশনার সমালোচনা করে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিএম) নেতা মহম্মদ সেলিম বলেছেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তুলেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেটাই নকল করছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা। চন্দ্রকোনায় মমতার গাড়ি বহরের সামনে ‘জয় শ্রী রাম’ জয়ধ্বনি ঘিরে সূত্রপাত হয় বিতর্কের। এরপর নির্বাচনী প্রচারেও ‘জয় শ্রী রাম’ ইস্যুকে ব্যবহার করে বিজেপি। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মোদি পশ্চিমবঙ্গ এসে মমতার উদ্দেশে বলেন, ‘জয় শ্রী রাম দিদি। আমায় জেলে ঢোকান’। মমতা এর জবাবে বলেন, ‘জয় শ্রী রাম’ বাংলার সংস্কৃতি নয়। বিজেপির স্লোগান তিনি মুখে তুলবেন না। এরপরই ‘জয় শ্রী রাম’র বিপরীতে পাল্টা ‘জয় বাংলা’, ‘জয় হিন্দ’ স্লোগানের প্রচার শুরু করেন মমতা। মমতার জয় বাংলা স্লোগান প্রসঙ্গে রায়গঞ্জের সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘জয় বাংলা’ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের স্লোগান। মুজিবুর রহমান দিয়েছিলেন। এরা (মমতার তৃণমূল) আসলে নকল করতে অভ্যস্ত।’ নিমতায় মৃত দলীয় নেতার পরিবারকে দেখতে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বীকার করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামেও এই স্লোগান ব্যবহৃত হয়েছিল। তবে তিনি এ-ও বলেছেন, প্রথম জয় বাংলা স্লোগান তুলেছিলেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। মমতার দাবি, বিষয়টা দেশ না, বাংলা ভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত।

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনির বিপরীতে দলের নেতাকর্মীদের ‘জয় হিন্দ’ ও ‘জয় বাংলা’ বলার নির্দেশ দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার এ নির্দেশনার সমালোচনা করে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিএম) নেতা মহম্মদ সেলিম বলেছেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তুলেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেটাই নকল করছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা। চন্দ্রকোনায় মমতার গাড়ি বহরের সামনে ‘জয় শ্রী রাম’ জয়ধ্বনি ঘিরে সূত্রপাত হয় বিতর্কের। এরপর নির্বাচনী প্রচারেও ‘জয় শ্রী রাম’ ইস্যুকে ব্যবহার করে বিজেপি। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মোদি পশ্চিমবঙ্গ এসে মমতার উদ্দেশে বলেন, ‘জয় শ্রী রাম দিদি। আমায় জেলে ঢোকান’। মমতা এর জবাবে বলেন, ‘জয় শ্রী রাম’ বাংলার সংস্কৃতি নয়। বিজেপির স্লোগান তিনি মুখে তুলবেন না। এরপরই ‘জয় শ্রী রাম’র বিপরীতে পাল্টা ‘জয় বাংলা’, ‘জয় হিন্দ’ স্লোগানের প্রচার শুরু করেন মমতা। মমতার জয় বাংলা স্লোগান প্রসঙ্গে রায়গঞ্জের সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘জয় বাংলা’ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের স্লোগান। মুজিবুর রহমান দিয়েছিলেন। এরা (মমতার তৃণমূল) আসলে নকল করতে অভ্যস্ত।’ নিমতায় মৃত দলীয় নেতার পরিবারকে দেখতে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বীকার করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামেও এই স্লোগান ব্যবহৃত হয়েছিল। তবে তিনি এ-ও বলেছেন, প্রথম জয় বাংলা স্লোগান তুলেছিলেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। মমতার দাবি, বিষয়টা দেশ না, বাংলা ভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত।

© All rights reserved © 2019 sorejominbarta.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com