চকরিয়ায় প্রবাসী স্ত্রী নগদ টাকা স্বর্ণালংকার  নিয়ে রাতের অন্ধকারে স্ত্রী লাপাত্তা!!

চকরিয়ায় প্রবাসী স্ত্রী নগদ টাকা স্বর্ণালংকার  নিয়ে রাতের অন্ধকারে স্ত্রী লাপাত্তা!!

কক্সবাজার(চকরিয়া) প্রতিনিধি :

কক্সবাজারের চকরিয়ায় বদরখালী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড শহরিয়া পাড়া গ্রামের আব্দুল খালেক এর পুত্র মোহাম্মদ আয়ুব খানের সাথে একই এলাকার সেলিম উদ্দিনের কন্যা সাজেদা বেগম  শিউলির সহিত বিগত ২৫/০২/১৮ ইং তারিখ ১৪২/১৮ নং রেজিঃ  নিকাহনামামূলে বিবাহ বন্ধনে অবদ্ধ হয়।

গত ৫ জুলাই ভোর রাত অানুমানিক ৩.৩০  ঘটিকায় বদরখালী ইউনিয়নের শহরিয়া পাড়া গ্রামের সেলিম উদ্দিনের কন্যা এবং একই এলাকার আব্দুল খালেক এর পুত্র আয়ুব খানের স্ত্রী সাজেদা বেগম  শিউলি(২০) স্বামী মালয়েশিয়া প্রবাসে  যাওয়ার সপ্তাহ নাপেরুতে নগদ টাকা স্বর্ণালংকার  নিয়ে রাতের অন্ধকারে স্ত্রী শিউলি  লাপাত্তা হওয়ার ঘটনা ঘটে। লাপাত্তার স্বামী ( মালয়েশিয়া প্রবাসী)  মোহাম্মদ আয়ুব খানের পিতা আব্দুল খালেক নিরুপায় হয়ে অফিসার ইনচার্জ চকরিয়া থানা বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন। উক্ত অভিযোগে বদরখালী ইউনিয়নের শহরিয়া পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সেলিম উদ্দিনের কন্যা সাজেদা বেগম শিউলিকে প্রধান আসামী করে অভিযোগ দায়ের করেন। মালয়েশিয়া প্রবাসী মোহাম্মদ আয়ু্ব খানের পিতা আব্দুল খালেক  জানান আমার ছেলে মালয়েশিয়া প্রবাসে গেছে মাত্র সপ্তাহ হয়েছে।  সপ্তাহ হওয়াতে আমার পুত্র বধু শিউলি টাকা স্বর্ণালংকার  নিয়ে রাতের অন্ধকারে লাপাত্তা হয়ে যায়।

মালয়েশিয়া প্রবাসী মোহাম্মদ আয়ুব খানের পিতা আব্দুল খালেক সাংবাদিকদের জানান আমি বাংলাদেশের প্রচলিত  আইনকে সম্মান করে,  আইনগত ভাবে গত ৫/০৭/১৮ ইং তারিখ  চকরিয়া থানায় হাজির হয়ে বর্ণিত আসামী সাজেদা বেগম শিউলির বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরী দায়ের করেছি। ( যার সাধারণ ডায়েরী নং ১১.৬৪/১৮) আমার ছেলে মালয়েশিয়া প্রবাসী ছেলে মোহাম্মদ আয়ুব খানের সাথে বর্ণিত আসামী সাজেদা বেগম শিউলি এর বিগত ২৫/০২/১৮ ইং তারিখ ১৪২/১৮ নং রেজিঃ  নিকাহনামামূলে বিবাহ হয়। বিবাহের পরে আমার উক্ত ছেলের সাথে আমার পুত্র বধু সুখে দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত হয়। বিগত ০১/০৭/১৮ ইং তারিখ আমার উক্ত ছেলে চাকুরীর উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া চলে যায়। আমার উক্ত ছেলে মালয়েশিয়া চলে যাওয়ার পর হইতে আমি সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যবর্গের সাথে আমার পুত্র বধু’ র সম্পর্ক ভাল ছিল। আমার পুত্র বধু ‘র পিতা এবং আমরা পরস্পর আত্নীয় হয়। তার পরে ও এ ধরণের ঘটনা দুঃখ জনক।

আমার পুত্র বধু তার স্বামী প্রবাসে যাওয়ার এবং সরলতার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আমার পরিবারের সকল সদস্যর্গের নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান জিনিষপত্র বিশ্বাস করে পুত্র বধুর হাতে জমা রাখতাম। কিন্তু ঘটনার দিন অর্থাৎ ০৫/০৭/১৮ ইং তারিখ ভোর রাত অানুমানিক ৩.৩০ ঘটিকা হইতে ৪.৩০ ঘটিকার মধ্যে ১ নং আসামী অজ্ঞাতনামা আসামীগনের সহযোগিতায় আমার বসত গৃহের আলমিরায় রক্ষিত আমার বেড়াতে আসা বিবাহিত ২ মেয়ের
স্বর্ণালংকার ১৫ ভরি মূল্য ৬,০০,০০০/- ( ছয় লাখ) টাকা এবং নগদ ৩,০০,০০০/-( তিন লাখ) টাকা সহ নিয়ে পিত্রালয়ে চলে যায়।প্রবাসী  মোহাম্মদ আয়ুব খানের পিতা জানান আমার পুত্র বধুসহ অজ্ঞাতনামা আসামীগণের সহযোগিতায় ১ নং আসামীর ব্যবহারের ৩ ভরি স্বর্ণালংকার ও তার ব্যবহারের সমস্ত কাপড় চোপড় যাহার মূল্য অনুমান ১,৫০,০০০/- ( এক লাখ পঞ্চাশ হাজার)  টাকা হবে  তাহা ও কৌশলে নিয়ে যায়।

Comments are closed.

More News...

Fatal error: Call to undefined function tie_post_class() in /var/sites/s/sorejominbarta.com/public_html/wp-content/themes/bdsangbad_magazine_themes/includes/more-news.php on line 40